আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
105 views
in সাওম (Fasting) by (15 points)
edited by
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ।
লজ্জাস্থানের ভেতরে ভেজা আঙ্গুল প্রবেশ করালে রোজা ভেঙে যায় এটা আমার জানা ছিল না। আমার স্রাবের সমস্যা থাকায় মাঝে মধ্যে আঙ্গুল লজ্জাস্থানের ভেতরে প্রবেশ করে লজ্জাস্থান  পরিষ্কার করতাম। বিগত ১ বছরের বেশি সময় ধরে কাযা হওয়া প্রায় ১৫০ টা কাযা রোজা আদায় করেছি। তবে আমি রোজা থাকা অবস্থায় ঠিক কয়টা রোজাতে ভেজা আঙ্গুল  লজ্জাস্থানের ভেতর প্রবেশ করে পরিষ্কার করেছি আমার জানা নাই। এমনকি রমাদ্বনের ফরজ রোজা থাকা অবস্থায় এমন করছি কি না তাও মনে নাই। রোজার পরিমান কয়টা হতে পারে তাও অনুমান করতে পারছি না। এখন আমার করণীয় কি?

১। যেহুতু এই ফতোয়াটা আমার জানা ছিল না তাই আমার রোজা গুলোও ফাসিদ হয়ে গেছে? আমাকে কি রোজা গুলো পুনরায় আদায় করতে হবে?

২। আমার পক্ষে যেহুতু কয়টা রোজা ফাসিদ হয়েছে তার সংখ্যা অনুমান করা সম্ভব হচ্ছে না। কেনোভাবে অনুমান করে নির্ধারন করাও সম্ভব না। তাহলে আমি কিভাবে রোজা রাখবো?

৩। যেহুতু এই ফতোয়াটা আমার জানা ছিল না। তাই রমজানে ভেজা আঙ্গুল প্রবেশ করিয়ে লজ্জাস্থান পরিষ্কার করছি কিনা মনে নাই আর ফরজ রোজা ভাঙছে কি না তাও জানি না। মন কোনো দিকেই ঝুকে না। তাহলে কি আমাকে রোজার কাফফরা আদায় করতে হবে?

৪। যদি কেউ কাযা রোজার নিয়্যাত করে রোজা রাখে। কিন্তু তার কাযা রোজা আগেই শেষ হয়ে গেছে।  যা তার জানা নাই। তাহলে এই অতিরিক্ত কাযা রোজা কি নফল হিসেবে গন্য হবে। সে কি এর সওয়াব পাবে?

৫। লজ্জা স্থানের ভেতরে আঙুল দিয়ে পরিষ্কার করার কারণে কি গোসল ফরজ হবে?

1 Answer

0 votes
by (814,680 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(১-৪)
রোজা অবস্থায় লজ্জস্থানের ভিতরে আঙ্গুল প্রবেশ করালে রোযা ভঙ্গ হবে না। তবে ভিজা আঙ্গুল প্রবেশ করালে অবশ্যই রোযা ফাসিদ হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে অনুমান করে রোযাকে কাযা করতে হবে। 

(৫)
হায়েয নেফাস বা সাদাস্রাবের সমস্যায় লজ্জস্থানের ভিতরে আঙ্গুল প্রবেশ করে পরিস্কার করা জরুরী নয়।এতেকরে লজ্জাস্থানের ভিতরে স্রাব থেকে গেলেও কোনো সমস্যা হবে না। লজ্জাস্থানের ভিতরে আঙ্গুল প্রবেশ করানোর কারণে গোসল ফরয হবে না।
کما فی الفتاوی الھندیة : ويجب على المرأة غسل فرجها الخارج في الجنابة والحيض والنفاس ويسن في الوضوء. كذا في محيط السرخسي وفي الفتاوى الغياثية ولا تدخل المرأة أصبعها في فرجها عند الغسل وهو المختار كذا في التتارخانية اھ (1/14)

রোজা অবস্থায় লজ্জস্থানের ভিতরে আঙ্গুল প্রবেশ করালে রোযা ভঙ্গ হবে না। তবে ভিজা আঙ্গুল প্রবেশ করালে অবশ্যই রোযা ফাসিদ হয়ে যাবে। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...