আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
46 views
in সাওম (Fasting) by (3 points)
রমজানের ফরজ রোজার কাযা আদায় করার পরে শাওয়ালের রোজা শুরু করেছিলাম, ২টা রোজা শেষ হয়েছিল এবং ৩নং দিনে শাওয়ালের রোজা থাকা অবস্থায় সকালে হায়েজ শুরু হয়েছিল, ফলে রোজা ভেঙে ফেলেছিলাম সেদিন। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, ভেঙে ফেলা ওই রোজার কাযা করতে হবে কি না? শারিরীক অসুস্থতা বা কোনো কারণে যদি শাওয়ালের রোজা ভাঙে তাহলে কাযা করতে হবে কি?

1 Answer

0 votes
by (762,960 points)
জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم

মহান আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেনঃ- 

ولا تُبْطِلُوا أَعْمَالَكُمْ} [محمد: 33]

তোমরা তোমাদের আমলকে বাতিল করিওনা।

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَوْفُوا بِالْعُقُودِ} [المائدة: 1]

হে ইমানদারগন তোমরা তোমাদের ওয়াদা,চুক্তি সঠিকভাবে সম্পাদন করো,পূরন করো।
,  

فتاوی ہندیہ:

"ومن دخل في صوم التطوع ثم أفسده قضاه كذا في الهداية سواء حصل الفساد بصنعه أو بغير صنعه حتى إذا حاضت الصائمة المتطوعة يجب القضاء في أصح الروايتين كذا في النهاية."
(الفتاویٰ العالمگیریۃ :215/1 ط: دار الفكر بيروت)

মর্মার্থঃ- 
কেহ নফল রোজা রেখে ভেঙ্গে ফেললে সেক্ষেত্রে তার উপর সে রোজার কাজা আবশ্যক। চাই সে নিজের কোন কর্মের কারণে রোজা ভেঙে ফেলুক অথবা নিজের কর্ম না হোক, যেমন কোন মহিলা যদি নফল রোজা অবস্থায় হায়েজ গ্রস্থ হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে পরবর্তীতে সেই রোজার কাজা তার উপর আদায় করা আবশ্যক।

فتاوی شامی:

"إذا شرع في صوم التطوع لا يجوز له الإفطار بلا عذر لأنه إبطال العمل."
(رد المحتار: 429/2 ط: دار الفكر- بيروت)

মর্মার্থঃ- 
কেউ যদি নফল রোজা শুরু করে সেক্ষেত্রে বিনা ওযরে তার জন্য তা ভেঙ্গে ফেলা জায়েজ নেই, কেননা এতে আমলকে বাতিল করা হয়।

بدائع  صنائع:

"وأما صوم التطوع: فعليه قضاؤه عندنا."
(بدائع الصنائع 102/2ط: دار الكتب العلمية)

মর্মার্থঃ- 
নফল রোজা ভেঙ্গে ফেললে তার উপর সে রোজার কাজা আবশ্যক।

يجب القضاء على من قطع النفل – عند الحنفية – سواء أفسده باختياره أو بغير اختياره بأن شرع في صلاة النفل بالتيمم ناسياً الماء في رحله ثم وجده كأن تذكره خلال الصلاة، أو شرع في صوم النفل فصب الماء في حلقه في النوم وجب عليه القضاء وإن لم يوجد منه الإفساد
আবু হানিফা রহঃ এর মাযহাবের বিস্তারিত হলো নফল ইবাদত শুরু করার পর ইচ্ছাপূর্বক হোক আর অনিচ্ছায় তাহা নষ্ট করার দ্বারা সেটা আবার আদায় করা ওয়াজিব হয়ে যায়। 
 এটি নামাজ রোযা সব ক্ষেত্রেই,,,,,

আরো জানুনঃ- 

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,
প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে পবিত্র হওয়ার পর সেই রোযা কাজা আদায় করা আবশ্যক হবে। 
শারিরীক অসুস্থতা বা কোনো কারণে যদি শাওয়ালের রোজা ভাঙে, তাহলেও সেই রোযার কাযা করতে হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by
তাহলে, আমার আরো ৪টা রোজা ( যেহেতু শাওয়ালের ২টা রোজা সম্পন্ন হয়েছিল) এবং যেটা ভেঙে ফেলেছিলাম ওটার কাজা হিসেবে আরো একটা, মোট ৫টা রোজা আদায় করতে হবে? 

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...