আসসালামুয়ালাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ শাইখ।
১)মহিলাদের ক্ষেত্রে যদি কখনও কখনও এমন হয় যে ফজর পড়ে একটানা বসে জিকির , তেলাওয়াত করতে পারেনি। মাঝে কিছু সময় দুনিয়াবি কোনো কাজ করে ফেলেছে। কিন্তু এরপর ইশরাকের সালাত ওয়াক্ত শুরুর প্রথমেই আদায় করে নিয়েছে ,এক্ষেত্রে এক‌ই স‌ওয়াব পাবে?
২)আমি মাঝে মাঝে লুকিয়ে নফল রোজা রাখি। আম্মু সকালের নাস্তার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে বলি,"যা খাই আরো পরে খাবো" -এখানে আমি আরো পরে বলতে ইফতারের নিয়ত করেছি। এক্ষেত্রে কি গুনাহ হবে?
৩)আমি অনেক মানুষকে কথা দ্বারা,কাজ দ্বারা আঘাত করেছিলাম।তাদের মধ্যে অনেকেই মৃত।ওনারা দ্বীনদার মানুষ ছিলেন। আমার দেওয়া কষ্টে ওনারা কেঁদেছেন‌ও। ওনাদের রুহের বদদোয়া আমার উপরে পড়েছে। আমি সবদিক দিয়ে অনেক অশান্তিতে আছি। এক্ষেত্রে কিভাবে ওনাদের বদদোয়া গুলো আমার উপর থেকে দূর হবে?
৪)আমার আম্মু বাসায় মুরগী পালে। মুরগী গুলো আমার খুব আদরের।তার মধ্যে একটা মুরগী আমার খুব বেশি আদরের।ও একদম ছোটখাটো দেখতে। আমাকেও অনেক পছন্দ করে।আমি আল্লাহর কাছে দুআ করি ওকে যেন জবাই করতে না পারে।ওর যেন ঘুমের মধ্যে‌ই স্বাভাবিক মৃত্যু হয়ে যায়। আমার খুব কষ্ট হবে ওকে জবাই করলে।
এই দোয়া করা কি জায়েজ হবে শাইখ?
৫)দুআ করার সময় "হে আল্লাহ, আপনার তাওহীদের কালিমা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ এর উসীলায় আপনার কাছে চাচ্ছি" এভাবে চাওয়া জায়েজ হবে?
৬)একদম উলঙ্গ হয়ে গোসল করা তো উচিত নয়।গায়ে কাপড় রেখেই গোসল করা উচিত। কিন্তু এভাবে গায়ে কাপড় রেখে ফরজ গোসল তো করতে পারি না।ফরজ গোসলে তো শরীরের সব অংশে পানি পৌঁছাতে হবে।গায়ে কাপড় থাকলে তো পানি সব জায়গায় পৌঁছেছে কিনা এটা নিয়ে সন্দেহ জাগে।
৭) রোজা রেখে রান্না করার সময় ধোঁয়া তো অটোমেটিক নাকে মুখে ঢুকে। কিন্তু এতে রোজা ভাঙ্গবে না।তবে আমি যদি ইচ্ছে করে নাক /মুখ দিয়ে রান্নার ধোঁয়া টেনে নেই, রান্নার সুগন্ধ চেক করি নাক দিয়ে এসবে রোজা ভেঙে যাবে। ব্যাপারটা এমন না শাইখ?