وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
(০১)
আয়েশা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
لاَ يَقْبَلُ اللَّهُ صَلاَةَ حَائِضٍ إِلاَّ بِخِمَارٍ
আল্লাহ তাআলা খিমার পরিধান করা ব্যতীত কোন প্রাপ্ত বয়স্কা নারীর নামাজ কবুল করেন না। (সুনান আবু দাউদ ৬৪১)
অন্য বর্ণনায় এসেছে-
عَنْ عَائِشَةَ: «أَنَّهَا كَانَتْ تَطُوفُ بِالْبَيْتِ وَهِيَ مُنْتَقِبَةً»
হযরত আয়শা সিদ্দিকা রাঃ বাইতুল্লাহ তওয়াফ করতেন পর্দাবৃত অবস্থায়। {মুসন্নাফ আব্দুর রাজ্জাক, হাদীস নং-৮৮৫৯}
মহিলাদের সতর কতটুকু?
ﻭَﻟِﻠْﺤُﺮَّﺓِ ﺟَﻤِﻴﻊُ ﺑَﺪَﻧِﻬَﺎ ﺧَﻠَﺎ ﺍﻟْﻮَﺟْﻪِ ﻭَﺍﻟْﻜَﻔَّﻴْﻦِ ﻭَﺍﻟْﻘَﺪَﻣَﻴْﻦ
মুখমণ্ডল, দুই হাত কবজি পর্যন্ত ও টাখনুর নিচে পায়ের পাতা ছাড়া মহিলাদের সারা শরীরই সতর। (রদ্দুল মুহতার ১/৪০৪)
সুতরাং নামাজের সময় মহিলাদের জন্য পরপুরুষ দেখার সম্ভাবনা না থাকলে মুখমণ্ডল, দু হাতের কব্জি ও পায়ের পাতা খোলা রাখা আবশ্যক নয়।
★মহিলারা নামাজে টাখনুর নিচে পায়ের পাতা ছাড়া পুরো অংশ ডাকবে।
টাখনুর নিচ পর্যন্ত ঢাকা ফরজ।
সতর্কতামূলক গোড়ালি পর্যন্ত ঢাকা উচিত।
উল্লেখিত কিতাবে পায়ের নলা বলতে টাখনুর পিছনের সাইটের পুরো রগ উদ্দেশ্য।
এখানে গোড়ালি পর্যন্ত ঢাকার কথা বুঝা যায়।
★মহিলাদের জন্য হাতের ক্ষেত্রে শুধু কনুই ঢাকলে হবেনা,
হাতের কব্জি পর্যন্ত ঢাকা ফরজ।
★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,
প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে যদি নামাজে আপনার শরীরের সতরের কোনো অংশ প্রকাশ না পায়,এবং গায়রে মাহরাম পুরুষ যদি আপনাকে না দেখতে পায়,সেক্ষেত্রে এভাবে নামাজ পড়া যাবে।
তবে কোনোক্রমেই এটি নামাজের জন্য তাকওয়াপূর্ণ পোষাক নয়।
(০২)
এক্ষেত্রে অযু না করেও দোয়াটা পড়া যাবে।
তবে অযু করে দোয়া পড়া ভালো হবে।
(০৩)
নামাজ শেষে জায়নামাজে কিছুক্ষণ বসে থাকলে সওয়াব হবে, এ ধরনের কোন কথা কোথাও নেই।
তবে আপনি যদি অন্য নামাজের অপেক্ষায় বসে থাকেন, সেক্ষেত্রে আপনার নামাজের ন্যায় সওয়াব হবে।
উদাহরণস্বরূপ আপনি যদি আসরের নামাজের পর হতে নিয়ে মাগরিব পর্যন্ত মাগরিবের অপেক্ষায় বসে থাকেন, অথবা মাগরিবের পর হতে নিয়ে এশা পর্যন্ত এশার নামাজের অপেক্ষায় বসে থাকেন, সেক্ষেত্রে আপনার নামাজ আদায়ের ন্যায় ছওয়াব হবে।
(০৪)
সতরের অংশ দৃশ্যমান হলে এতে নামাজ হবেনা।
(০৫)
এতে রোযা ভেঙ্গে যাবেনা।
তবে ইচ্ছাকৃতভাবে ধুলা নাকে নেয়া যাবেনা।
আপনি যে নাক মুখ ঢেকে ঝাড়ু দেন।এটা ঠিক আছে।
(০৬)
এক্ষেত্রে অজু করে এসে পুনরায় রুকু করবেন। সেজদার ক্ষেত্রে পুনরায় সেজদাহ করবেন।
(০৭)
এক্ষেত্রে যে কয় মাসের আপনি বিল দিবেন না, সেই কয় মাসে ওয়াইফাই সংযোগ হতে আপনি যা কিছু ডাউনলোড করেছেন, যা ব্যবহার করেছেন, এগুলো সবই নাজায়েজ বলে বিবেচিত হবে।