আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
48 views
in হালাল ও হারাম (Halal & Haram) by (14 points)

আসসালামু আলাইকুম হযরত 

আমার সিটি ব্যাংক এ একটি busiess current একাউন্ট আছে, প্রতি মাসে আমি যেমন লেনদেন করি এবং যত টাকা দিন শেষে ব্যালান্স থাকে তার উপর প্রতি মাসে তার আমাকে প্রফিট দেয় 

সিটি ব্যাংক ইসলামিক - এই প্রফিট কে কিভাবে দেয় সেটা নিচের ব্যাখ্যা দেয়- 

"সিটি ইসলামী ব্যাংক (City Islamic) ‘মুদারাবাহ’ (Mudarabah) নীতির ভিত্তিতে বিনিয়োগ আয় শেয়ারিং অনুপাত (IISR) ব্যবহার করে মাসিক মুনাফা বা প্রভিজোনাল প্রফিট (Provisional Profit) প্রদান করে [৪]। এই পদ্ধতিতে মাসের শেষে প্রকৃত আয়ের ওপর ভিত্তি করে গ্রাহকের মুনাফা নির্ধারণ করা হয় এবং সাধারণত প্রতি মাসের শেষে তা সঞ্চয়ী বা চলতি হিসেবে জমা দেওয়া হয় [৩, ৪]।

 

মাসিক প্রভিজোনাল প্রফিট পাওয়ার প্রক্রিয়া:

  • পদ্ধতি (IISR): ব্যাংক আমানতকৃত অর্থ বিভিন্ন শরিয়াহ-ভিত্তিক প্রকল্পে বিনিয়োগ করে। প্রতি মাসের শেষে প্রাপ্ত লাভ থেকে ব্যাংকের সাথে চুক্তিবদ্ধ হারের (Investment Income Sharing Ratio - IISR) ভিত্তিতে গ্রাহকের মুনাফা হিসাব করা হয় [৪]।
প্রশ্ন- আমি কি এই টাকা ব্যবহার করতে পারব 

1 Answer

0 votes
by (806,910 points)


ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
বাংলাদেশে দুই ধরণের ব্যাংক রয়েছে।(ক) সাধারণ ব্যাংক (খ) ইসলামী ব্যাংক বা ইসলামি ব্যাংকিং শাখা। যেখানে হালাল হারাম যাচাই-বাছাইয়ের জন্য শরীয়া বোর্ড সক্রিয় রয়েছে।

সাধারণ ব্যাংক সমূহে প্রচলিত ডিপিএস, এফডিআর  হারাম এবং পরিত্যাজ্য। কেননা এখানে স্পষ্টত সুদ দেয়া হয়ে থাকে।

তবে ইসলামী ব্যাংক সমূহের ডিপিএস বা এফডিআর জায়েয কি না? বিষয়টা ব্যখ্যা সাপেক্ষ্য...

যদি কোনো ইসলামী ব্যাংক শরীয়তকে পুরোপুরি মেনে এই সমস্ত প্রকল্প, স্কীমগুলো প্রনয়ন করে ও যত্নসহকারে তা পালন করতে সচেষ্ট থাকে তবে তা জায়েযই হবে। যেমন বহির্বিশ্বের কিছু ব্যাংক সম্পর্কে শুনা যায়,যে তারা সম্পূর্ণভাবে শরীয়তকে মেনে চলে।
যত্নসহকারে পালনের অর্থ হচ্ছে,ডিপিএস বা এফডিআর এমন হতে হবে যে, যে যেই মেয়াদের জন্য ডিপিএস বা এফডিআর করা হবে, মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আসল ব্যতীত মুনাফা কত? তা প্রথম থেকেই নির্দিষ্ট  হতে পারবে না। এবং লাভক্ষতিতে মুদারাবা ব্যবসার আদলে ব্যাংক ও গ্রাহক উভয় শরীক থাকতে হবে। যদি মুনাফা নির্দিষ্ট হয়ে থাকে,তাহলে সেটা সুদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে হারাম হয়ে যাবে।

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
যদি কেউ টাকা জমানোর উদ্দেশ্যে তথাকথিত ইসলামী ব্যাংকগুলোতে ৫-১০ বছর মেয়াদী ডিপিএস করে নেয়, তাহলে সে শুধুমাত্র আসল নিতে পারবে। মুনাফা নিতে পারবে না। কেননা মুনাফা সুদ। আর সুদ হারাম।
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/8101

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
প্রশ্নের বিবরণমতে যেহেতু পার্সেন্টিজ সুনির্ধারিত নয়। এবং মুদারাবা ব্যবসার শর্তগুলো তাতে উপস্থিত নেই, তাই এই প্রফিট জায়েয হবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...