আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
54 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (41 points)
edited by
اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ ٱللَّٰهِ وَبَرَكَاتُهُ

বর্তমান সময়ে দ্বীনি মহলে রমাদান উপলক্ষে ঘর সাজানো, পরিপাটি রাখা, রমাদান মুবারক লিখে ঘরে লাগানো ইত্যাদি লক্ষ করা যাচ্ছে। যেটি স্বাভাবিক ভাবেই বাচ্চাদের রমাদানের প্রতি আরো আকৃষ্ট করতে সাহায্য করছে এবং এই কাজটি নিজের জন্যও প্রশান্তির মনে হচ্ছে।

ফিলিস্তিনেও আমরা লক্ষ্য করি তারা বিধ্বস্ত অবস্থায় ও রমাদান কে স্বাগত জানাতে চারপাশ সাধ্য অনুযায়ী সাজানোর চেষ্টা করছে। তাহলে এটাও কি ভুল ?

তবে কেউ কেউ নিন্মোক্ত হাদিস গুলো উল্লেখ করে দাবি করছেন যে রমাদান উপলক্ষে ঘর সাজানো বিধর্মীদের কালচার এটি নাজায়েজ।

হাদিস:

১/ রাসূল ﷺ তোমরা অবশ্যই তোমাদের পূর্ববর্তী জাতিদের রীতি-নীতি বিঘত-বিঘত ও হাত-হাত করে অনুসরণ করবে। এমনকি তারা যদি গিরগিটির গর্তে ঢোকে, তবুও তোমরা তাদের অনুসরণ করবে।

সাহাবারা জিজ্ঞেস করলেন, ইহুদি ও নাসারাদের কথা বলছেন?

তিনি বললেন, তবে আর কাদের?

২/ রাসূল ﷺ যে ব্যক্তি কোনো জাতির সাথে সাদৃশ্য গ্রহণ করে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত।

এক্ষেত্রে সঠিক কোনটি?

রমাদান উপলক্ষে ঘর সাজানো কি নাজায়েজ?

1 Answer

0 votes
by (808,740 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
হাদীস শরীফে এসেছে.....
ﻋَﻦْ ﺍﺑْﻦِ ﻋُﻤَﺮَ ﻗَﺎﻝَ : ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻣَﻦْ ﺗَﺸَﺒَّﻪَ ﺑِﻘَﻮْﻡٍ ﻓَﻬُﻮَ ﻣِﻨْﻬُﻢْ
হযরত ইবনে উমর রাঃ থেকে বর্ণিত,রাসুলুল্লাহ বলেন যে ব্যক্তি অন্য গোত্রে (অমুসলিম)-র অনুসরণ করবে সে তাদের-ই অন্তর্ভুক্ত হবে।(আবু-দাউদ-৩৫১২) ইমদাদুল ফাতাওয়া,৪/২৬৬ দ্রষ্টব্য।

সাদৃশ্য গ্রহণ তিন ভাবে হতে পারে।
(১)ফিতরী তথা জন্মগত বিষয়ে সাদৃশ্য গ্রহণ। এটা হারাম হবে না।
(২)পদ্ধতির অনুসরণ।যেমন তারা যেভাবে খাবার গ্রহণ করে বা হাটাচলা করে,তাদের এগুলোর অনুসরণ।এগুলো হারাম হবে তখন,যদি পূর্ব থেকেই মুসলমানদের আলাদা কোনো পদ্ধতি থাকে।
(৩)কাফিরদের ধর্মীয় বিষয়ের অনুসরণ। এটা সর্বাবস্থায় হারাম। (ইমদাদুল আহকাম-১/২৮৫)
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-https://www.ifatwa.info/11420


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
রমজান উপলক্ষে ঘরকে পরিপাটি করা, সাজানো নিন্দনীয় হবে না। তবে শুধুমাত্র সাজিয়ে কোনো ইবাদত না করা, বা বিধর্মী কালচারে সাজানো জায়েয হবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...