আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
100 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (26 points)
edited by
আসসালামু আলাইকুম, কিছুদিন আগে আমার পরিবারের কারণে,, এক ব্যাক্তি ও তার পরিবার কষ্ট পেয়েছে। তাদের কোনো আর্থিক ক্ষতি হয়নি। আমরা যেটা করেছি আমদের হয়তো সেটা করাই উচিৎ ছিলো (উনাদের নামে আমরা কিছু নেগেটিভ কথা শুনেছিলাম যেটা যাচাই-বাছাই করা কঠিন ছিলো তাই আমরা কোনো রিস্ক নেইনি, একটা গুরত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কথা চলছিলো উনাদের সাথে কিন্তু উনাদেরকে প্রায় শেষ মুহুর্তে এসে না করে দেয়া হয়)। কিন্তু কেন করেছি উনাদের কারণ জানাইনি এবং জানানোটা হয়তো বিব্রতকর হতো, উনারা কারণ না জানার কারণেই আমাদের ভুল বুঝছেন এবং কষ্ট পেয়েছেন। কারণটা বললে আরো খারাপ দেখাতো ব্যাপারটা, হয়তো আকারইঙ্গিত বোঝানো যেতো কিন্তু আমরা তাও বুঝাইনি।।  উনাদের সাথে আমাদের আর কখনো যোগাযোগ করাও বিব্রতকর।
এখন আমার দুশ্চিন্তা হচ্ছে ওদের সাথে আমরা অন্যায় করলাম কিনা! ওরা যদি আমাদের মাফ না করে!! আমি আল্লহর কাছে মাফ চেয়েছি যদি আমাদের দ্বারা আসলেও কোনো ভুল হয়। ওদের নামে অল্প কিছু সাদাকাও করেছি।
এখন আমাদের করণীয় কি? এই চিন্তা পুরোপুরি মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলা?

1 Answer

0 votes
by (812,220 points)

ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
অন্যর মাল তার অন্তরের সন্তুষ্টি ব্যতীত কারো জন্য হালাল হয় না। কেননা আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ
ﻳَﺎ ﺃَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺁﻣَﻨُﻮﺍْ ﻻَ ﺗَﺄْﻛُﻠُﻮﺍْ ﺃَﻣْﻮَﺍﻟَﻜُﻢْ ﺑَﻴْﻨَﻜُﻢْ ﺑِﺎﻟْﺒَﺎﻃِﻞِ ﺇِﻻَّ ﺃَﻥ ﺗَﻜُﻮﻥَ ﺗِﺠَﺎﺭَﺓً ﻋَﻦ ﺗَﺮَﺍﺽٍ ﻣِّﻨﻜُﻢْ ﻭَﻻَ ﺗَﻘْﺘُﻠُﻮﺍْ ﺃَﻧﻔُﺴَﻜُﻢْ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠّﻪَ ﻛَﺎﻥَ ﺑِﻜُﻢْ ﺭَﺣِﻴﻤًﺎ
তরজমাঃ-হে ঈমানদারগণ! তোমরা একে অপরের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করো না। কেবলমাত্র তোমাদের পরস্পরের সম্মতিক্রমে যে ব্যবসা করা হয় তা বৈধ। আর তোমরা নিজেদের কাউকে হত্যা করো না। নিঃসন্দেহে আল্লাহ তা’আলা তোমাদের প্রতি দয়ালু। (সূরা নিসা(২৯)

এবং হযরত ইবনে আব্বাস রাঃ থেকে বর্ণিত,
عن ابن عباس قال;قال رسول اللّٰه صلى اللّٰه عليه و سلم ﻻ ﻳﺤﻞ ﻣﺎﻝ ﺍﻣﺮﺉ ﻣﺴﻠﻢ ﺇﻻ ﺑﻄﻴﺐ ﻧﻔﺲ ﻣﻨﻪ " 
নবী কারীম সাঃ বলেনঃ"কোন মুসলমানের জন্য  অন্য কোনো মুসলমানের মাল তার অন্তরের সন্তুষ্টি ব্যতীত হালাল হবে না। (তালখিসুল হাবীর-১২৪৯)আরো জানুন- https://www.ifatwa.info/3747

সুপ্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন!
প্রশ্নের বিবরণমতে কোনো সমস্যা হবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by
আমি যদি উনাদের নিয়ে অনুশোচনা পুরোপুরি বাদ দিয়ে দিই তাহলে কি গুনাহ হবে? উনাদের জন্য আল্লহর কাছে ক্ষমা চাওয়া অফ করে দিলে কোনো সমস্যা নেইতো? (আমি এই চিন্তাগুলো থেকে বের হতে চাচ্ছি)
by (812,220 points)
যেহেতু আপনাদের কারণে তারা কষ্ট পেয়েছে, তাই তাদেরকে খুশী করে নিবেন।

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...