আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
84 views
in সাওম (Fasting) by (32 points)
আজ নামাজের আগে অজু শেষ করে দেখি রক্ত বের হচ্ছে দাত থেকে। তাই দ্রুত রক্ত বন্ধ হতে মুখে পানি নিই।যাতে পুনরায় অযু দ্রুত করা যায়। এমনিতেই রক্ত প্রায় আমার বের হয় বিশেষ করে অযুর সময় তাই মুখে পানি নিয়ে ২ মিনিট এর মত প্রায় রাখি। পরে পানি টা প্রায় খেয়ে ফেলি। অনেক সময় ফেলে দেই।
১/প্রশ্ন হলো আজ রোজা অবস্থায় দাঁত থেকে যখন রক্ত বের হচ্ছে সেই রক্ত দ্রুত বন্ধ  হতে মুখে পানি নিই। কিছু সময় পর আমার মনে ভেতর থেকে বলতেছে আমি নাকি একটু পানি খেয়ে পেলছি। কিন্তুু আমি শিউর না।  মনের ভেতর থেকে যখন একথা বলতেছে তখন ও মুখে সেই পানি ছিলো। আমার রোজার কি ভেঙে গেছে।  তাছাড়া রোজা তো ভেঙে যাওয়ার কথা না।  কারন আমি যদি কুলি করার সময় অসতর্কতা বসত পানি খেয়ে পেলতাম তাহলে হয়তো রোজা ভেঙে যেত। পানি যদি খেয়েও থাকি সেটা রোজা আছি এটা মনে ছিলো না তাই হয়তো।  যে রকম প্রায় খাই। ( সব চাইতে বড় কথা হলো যখন আমি পানি মুখে নিতেছি তখন রোজার কথা মনে ছিলো না যদি মনে থাকতো অবশ্যই সর্তক থাকতান।) রোজার কথা মনে পড়েছে তখন  যখন পানি থেয়েছে এটা মনের ভেতর থেকে বলছে বা সন্দেহ হচ্ছে।
২/২০২৫ সালে রোজার সময় ফরজ গোসল এ নাকে পানি দেয়ার সময় নরমাল ভাবেই পানি দেই।  তাও মনে হলো যেন পানি ভেতরে চলে গিয়েছে। এটা শুধুই মনে হলো যেহেতু আমি শিউর না পানি গিয়েছে কিনা তাই রোজা ভেঙে যায় নি ধরে নিয়েছি।
৩/অগ্রিম যেনে রাখার জন্য কখনো যদি এরকম মনে হয় যে পানি ভুলে গলা পযন্ত গিয়েছে সেটা গলা থেকে নিয়ে এসে পেলে দেয়া হয়েছে রোজা কি ভেঙে যাবে কি।
৪/ শেষ প্রশ্ন হলো রোজ অবস্থায় যে কোন কারনে রোজা ভেঙে গেছে কিনা পানি গেছে বা যায়নি  তা বুঝতে না পারলে।  তবে মন যদি পানি ভেতরে যায়নি এদিকে ঝুকে তাহলে রোজা ভেঙে যায়নি ধরে নিবো?

1 Answer

0 votes
by (814,710 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ
(১)
ইয়াকিন বিশ্বাস ব্যতিত কোনো হুকুম প্রমাণিত হয়না। যেমন ইতিপূর্বে একটি মূলনীতি আমরা উল্লেখ করেছি যে, আল্লামা ইবনে নুজাইম রাহ,লিখেন,
اﻟْﻘَﺎﻋِﺪَﺓُ اﻟﺜَّﺎﻟِﺜَﺔُ: اﻟْﻴَﻘِﻴﻦُ ﻻَ ﻳَﺰُﻭﻝُ ﺑِﺎﻟﺸَّﻚِّ - ﻭَﺩَﻟِﻴﻠُﻬَﺎ ﻣَﺎ ﺭَﻭَاﻩُ ﻣُﺴْﻠِﻢٌ ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﺭَﺿِﻲَ اﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻨْﻪُ ﻣَﺮْﻓُﻮﻋًﺎ {ﺇﺫَا ﻭَﺟَﺪَ ﺃَﺣَﺪُﻛُﻢْ ﻓِﻲ ﺑَﻄْﻨِﻪِ ﺷَﻴْﺌًﺎ ﻓَﺄَﺷْﻜَﻞَ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﺃَﺧَﺮَﺝَ ﻣِﻨْﻪُ ﺷَﻲْءٌ ﺃَﻡْ ﻻَ ﻓَﻼَ ﻳَﺨْﺮُﺟَﻦَّ ﻣِﻦْ اﻟْﻤَﺴْﺠِﺪِ ﺣَﺘَّﻰ ﻳَﺴْﻤَﻊَ ﺻَﻮْﺗًﺎ، ﺃَﻭْ ﻳَﺠِﺪَ ﺭِﻳﺤًﺎ} 
ভাবার্থঃ তৃতীয় উসূল,ঈয়াক্বিন(দৃঢ় বিশ্বাস)সন্দের দ্বারা খতম হয় না। [তথা কারো কোনো বিষয় সম্পর্কে দৃঢ় বিশ্বাস থাকলে, সে বিষয় সম্পর্কে বিপরিত কোনো সন্দেহের উদ্রেক হলে পূর্ব বিশ্বাসের কোনো ক্ষতি হবে না।অর্থাৎ নতুন করে জন্ম নেয়া সন্দেহ অগ্রহণযোগ্য ]
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/293

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
সন্দেহ দ্বারা রোযা ফাসিদ হবে না।

(২) সন্দেহ দ্বারা রোযা ফাসিদ হবে না।

(৩) ভুলে চলে গেলে তথা রোযার কথা মনে না থাকলে রোযা ফাসিদ হবে না।

(৪) কোনো দিকে মন সায় না দিলে রোযা ফাসিদ হবে না। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 302 views
...