জবাবঃ-
بسم الله الرحمن الرحيم
(০১)
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে সাব্যস্ত হয়েছে, তিনি বলেছেন:
«لَا تُشَدُّ الرِّحَالُ إِلَّا إِلَى ثَلَاثَةِ مَسَاجِدَ : مَسْجِدِ الْحَرَامِ، وَمَسْجِدِ الرَّسول صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَمَسْجِدِ الْأَقْصَى».
“তিনটি মসজিদ ব্যতীত অন্য কোনো মাসজিদের জন্য সফরের প্রস্তুতি গ্রহণ করা যাবে না: মসজিদে হারাম, রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের মসজিদ এবং মসজিদে আকসা।”[সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১১৩২]
সওয়াবের উদ্দেশ্যে এই তিনটি মসজিদে সফর করা যাবে। এছাড়া আর কেনো মসজিদ দেখলে সওয়াব হবে না। তবে কোনো মসজিদে দাওয়াত বা নিজে আমলের নিয়তে গেলে গুনাহ হবেনা।
হাদীস শরীফে এসেছেঃ
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا مُجَمِّعُ بْنُ يَعْقُوبَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْكِرْمَانِيِّ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا أُمَامَةَ بْنَ سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ، قَالَ قَالَ أَبِي قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ خَرَجَ حَتَّى يَأْتِيَ هَذَا الْمَسْجِدَ مَسْجِدَ قُبَاءٍ فَصَلَّى فِيهِ كَانَ لَهُ عِدْلَ عُمْرَةٍ " .
কুতায়বা (রহঃ) ... সাহল ইবনু হুনায়ফ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি বের হয়ে এই মসজিদে কুবায় আগমন করবে এবং তাতে সালাত আদায় করবে, এটা তার জন্য এক উমরার সমতুল্য হবে।
(সহিহ, ইবনু মাজাহ হাঃ ১৪১২,নাসায়ী ৭০০)
★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন,
মসজিদে কুবায় গেলেই ওমরাহ করার সমান নেকী পাওয়া যায়,বিষয়টি এমন নহে।
বরং যে ব্যাক্তি নিজ বাসা হতে অযু করে বের হয়ে মসজিদে কুবায় আগমন করবে এবং তাতে সালাত আদায় করবে, এটা তার জন্য এক উমরার সমতুল্য হবে।
(০২)
নবী-রাসূলগণ আল্লাহ তায়ালা প্রদত্ত দায়িত্ব দায়িত্ব পরিপূর্ণভাবে পালন করেছেন।
(০৩)
হ্যাঁ লেখা আছে।
(০৪)
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়। কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।
আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন। যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে।
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না ।
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপরে ভরসা রেখে বলছি যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন।
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে।
আল্লাহ আমাদের সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুন।