আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
71 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (3 points)
আমার স্ত্রী এর সাথে পারিবারিক বিষয়ে ঝগড়া ও তর্ক হয়। আমি তাকে বলি আমি যখন এতো খারাপ তাহলে ভালো দেখে খুজে নেও ( মনে মনে বলি তালাক না) কারন আমি কেনায়া সম্পর্কে জানি, পরে তর্ক আগালে সে এটা ওটা বললে, আমি বলি তাহলে ডিভোর্স নিয়ে নেও( দুইবার বলি). এ কথার দ্বারা আমি দিলাম বা দিছি বুঝাইনি। মানে সে যদি নেয় তাইলে তখন দেবো। বা তাকে অপশন দেখাইছি যে তাইলে নিয়ে নেও যেহেতু আমি ভালো না। কিন্তু এর মানে এই না যে দিয়ে দিছি।যে কারনে দুইবার বলার কারনে আমি এমন নিয়তও করিনি যে ২ বার দিছি কারন আমি তো দেয়ার নিয়তে বা দিলাম দিচ্ছি নিয়তে বলিনি।এর আগে কোনো কেনায়া বাক্য বললে মনে মনে (আসতাগফিরুল্লাহ বা তালাক না) বলতাম কারন যাতে নিয়ত না হয়।আমার স্ত্রীও বলেনি যে নিলাম বা গ্রহন করলাম।সে বলেছে আমার মন যখন তোমার থেকে উঠে তখন আমিই নিয়ে নেবো। এর পর মনে ভয় ঢুকে যে আমার কথায় হয়ে গেলো না তো।এতে কি পতিত হবে?

.

আপনি ফতোয়া দিলেন+
.
শায়েখ জাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারে গেছিলাম স্ত্রীকে নিয়ে হুজুর বলছে যে হয়নি তবে স্ত্রী অধিকার পেয়েছে নিজের উপর নেয়ার।

.

.
। কিন্তু তবুও মনে ওয়াসওয়াসা আসে আমি সত্যি বললাম তো? আমি এভাবেই বলছি তো?অজান্তে কিছু হয়ে গেলো না তো, রাগের মাথায় অনেক কিছু মনেও নেই। এখন মনে হয় আমি জেনাকার, হয়তো সম্পর্ক হারাম এই সেই। যখনি সন্দেহ আসে আবার ভাবতে বসি কি বলছিলাম, কোন কথায় বলছিলাম কি করছিলাম, ইচ্ছে থাকলে তো আমি মনে মনে আসতাগফিরুল্লাহ বা (তালাক না) এমনটা বলতাম। মনে হচ্ছে আমি জেনাকার, ওয়াইফ হালাল তো। এখন কি করবো?
.
জাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারের মুফতির কাছে ওই ঘটনার দিনই সাথে সাথে লিখিত নিয়ে যাই ও কথা বলি এবং তিনি আমাকে ও আমার স্ত্রীকে প্রশ্ন করেন, তিনি আমার আমার স্ত্রীর থেকে জানতে চান যে সে গ্রহন করলাম বা নিলাম বা দিলাম বলেছে কিনা? সব মিলিয়ে তিনি ফতোয়া দেন সমস্যা হয়নি সতর্ক থাকবেন ভবিষ্যতে। এখন আমি আবার ভাবতে বসি সব ঠিক আছে তো? আবার ঘটনা ভাবতে বসি কি কি হয়েছিলো, কি কি বলছিলাম সব মনে পড়ে না, আবার ফের ভাবতে বসি, নামাজ পড়তে গেলে মনে চিন্তা আসে নিজের উপর তুই তো জেনাকার নামাজ পড়ে কি লাভ? এখন পাগল হয়ে যাচ্ছি আমি কি করবো? ডাক্তার দেখাতে গেলেও এমন হয় আমার

1 Answer

0 votes
by (764,700 points)
بسم الله الرحمن الرحيم 

ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা  কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।

আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। 

বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । 

এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপরে ভরসা রেখে বলছি যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। 

আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। 

আল্লাহ আমাদের সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুন। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...