আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
82 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (1 point)
বিয়ে হয়েছে ৫ মাস এর কাছাকাছি। এখন আমি দেড় মাসের প্রেগন্যান্ট। আমার স্বামী এক প্রকার জুলুম, অপবাদ দিয়েই আমাকে ডিভোর্স দিবে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমি অনেক চেষ্টা করেও তাকে এই সিদ্ধান্ত থেকে টলাতে পারিনি। তিনি ডিভোর্স দেওয়ার কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ দর্শাতে পারেন নি।তার কথা আমাকে এখন তার আর ভালো লাগেনা। এমতাবস্থায় আমার বাচ্চাটা রাখা কি জরুরী? বাচ্চার ব্যাপারে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। জানাবেন দয়া করে। জাযাকুমুল্লাহু খইরন।

1 Answer

0 votes
by (805,980 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
চার মাসের পর ব্রণের মধ্যে রুহ চলে আসে, এজন্য চার মাসের পর ব্রণকে নষ্ট করা প্রাণ হত্যার নামান্তর। সুতরাং চার মাসের পর ব্রণ হত্যা নাজায়েয ও হারাম। চার মাসের পরবর্তী ব্রণকে হত্যা করলে গুররা তথা ৫০০ দিরহাম বা ১৩১ ভড়ি স্বর্ণের মূল্য দিয়ত হিসেবে স্ত্রীর পরিবারের উপর ওয়াজিব হবে। (স্ত্রীর পরিবার স্বামীকে দিবে) তবে স্বামীর অনুমতি সাপেক্ষে হলে তখন স্ত্রীর পরিবারের উপর ওয়াজিব হবে না। বরং শুধুমাত্র তাদের তথা স্বামী স্ত্রী উভয়ের গোনাহ হবে।

জন্মনিয়ন্ত্রণ ও গর্ভপাত সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-https://www.ifatwa.info/2022

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
যদি স্বামীর পক্ষ থেকে ডিভোর্স দেওয়াটা প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায়, তাহলে সন্তান নিয়ে ভবিষ্যতে ঝামেলায় পড়তে হবে বলে যদি মনে হবে, তাই গর্ভপাত করাতে পারবেন। কেননা ১.৫ মাসের বাচ্চার তে রুহ এখনো আসেনি।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...