আসসালামু আ'লাইকুম।
আমাকে ছোট থেকে পরিবার থেকে ইসলাম বোঝায়নি, নামাজ রোজার গুরুত্ব শেখায়নি, জোরও করেনি৷ পড়ালেখার উপরে সব জোর করেছে।
আমি প্রায় সংশয়বাদী ছিলাম, আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস করলেও নানা কুফরি জিনিস অজান্তে বিশ্বাস করতাম৷ যদিও কখনো নাস্তিক হইনি।
এরপরে ২০ বছর বয়সে দ্বীনের বুঝ পেয়ে নামাজ শুরু করি।
১২ বছর বয়সে আমার নামাজ ফরজ হয়।
এখন দেখা যায় অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যা সহ নানা কারণে নতুন করে আবার নামাজ কাজা হতে থাকে। যেহেতু পিরিয়ডের নিয়ম বারবার বদলায়।
আগেরগুলো পড়ব দূরের কথা, নতুন করে আরো কাজা হয়।
এত হতাশ লাগে এত প্রেশার লাগে যে বারবার মনে হয় কেউ যদি মেরেধরে হলেও অন্তত নামাজগুলো পড়াত।
নতুন করে আরো গুনাহ করতে থাকি পুরনোগুলোর মাফ পাওয়া তো দূরের কথা।
এর উপরে ওয়াসওয়াসার প্রচন্ড সমস্যা সব নামাজের সময়ই হয়, এজন্য নামাজ পড়া আরো কঠিন লাগে৷ দেখা যায় সুন্নত ওয়াজিব ছেড়ে দিচ্ছি।
এইমুহুর্তে যদি মারা যাই পরিবারের এত টাকা কাফফারা দেয়ার সামর্থ্য আছে কীনা কে জানে।
এখন যদি সাধ্যমত কাজাগুলো সহ সুন্নত সহ পড়তে থাকি আর এই দুয়া করি যে-
"আল্লাহ যেন কাজাগুলো আদায় করে শেষ করা পর্যন্ত আমার আয়ু রাখেন, আর না রাখলে যতটুকু নামাজ সীমিত আয়ুতে শেষ করতে পারি ততটুকু বাদে বাকি নামাজ মাফ করে দেন"
এটা কি করা যাবে?
পরিবারকে বলে রেখেছি কাজা নামাজের জন্য টাকা দেয়ার কথা।