আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
63 views
in সাওম (Fasting) by (31 points)
আস্সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।

আমার শেষ হায়েয হয়েছিল রমজানের ১০দিন আগে।১ম রমজানের আগের দিন রাতে ফরজ গোসল করেছি।১ম রমজান থেকে রোজা রেখেছি।এখন আজকে (১৩ রমজান) যোহরের ওয়াক্তে হায়েয হয়েছে। এখন মাগরিবের আগে আমি পানাহার করবো কি না।আমি যতটুকু জানি এক হায়েয থেকে অপর হায়েযের মধ্যে পবিত্রতার সময় ১৫ দিন।আমার তো ১৫ দিন পূর্ণ হয়নি।এখন এটা হায়েয হিসেবে গণ্য হবে নাকি ইস্তিহাযা?

(উল্লেখ্য যে কয়েক মাস যাবত আমার হায়েযের সময় বেশি পরিবর্তন হচ্ছে এবং এজন্য ডাক্তার দেখানোর প্রয়োজন মনে করছি)

উত্তরটি দ্রুত দিলে উপকৃত হতাম।

1 Answer

0 votes
by (809,370 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
দুই হায়েযের মাঝখানে পাক থাকার মুদ্দৎ কমের পক্ষে পনের দিন, আর বেশীর কোন সীমা নাই। অতএব, যদি কোন মেয়েলোকের কোন কারণবশতঃ কয়েক মাস যাবৎ হায়েয বন্ধ থাকে, তবে যতক্ষণ পর্যন্ত ঋতুস্রাব না হইবে, ততক্ষণ পর্যন্ত সে পাক থাকিবে।

(১৩) মাসআলাঃ 
যদি কোন মেয়েলোকের তিন দিন তিন রাত রক্ত দেখা যায়, তারপর ১৫ দিন পাক থাকে; আবার তিন দিন তিন রাত রক্ত দেখে, তবে আগেকার তিন দিন তিন রাত এবং পনের দিনের পর তিন দিন তিন রাত হায়েয ধরিবে। আর মধ্যকার দিন পাক থাকার সময়।
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/7474

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
যেহেতু ১৫ দিনের পূর্বেই রক্তস্রাব শুরু হয়েছে, তাই এই রক্তস্রাব ইস্তেহাযা হিসেবে গণ্য হবে। আপনি রোযা রাখবেন ও নামায পড়বেন। ১৫ দিন পরও যদি রক্তস্রাব জারি থাকে, এবং তিনদিন তিনরাত পর্যন্ত স্থায়ী থাকে, তাহলে তখন এই রক্তস্রাবকে হায়েয হিসেবে বিবেচনা করা হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 175 views
...