আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
96 views
in সালাত(Prayer) by (4 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।

আমি নিয়মিত মসজিদে ২০ রাকাত তারাবিহ আদায় করি। তবে তারাবিহর পরে জামাতে বিতর পড়ি না। আমি রাতে তাহাজ্জুদ/কিয়ামুল লাইলের সময় আলাদা করে ৩ রাকাত বিতর আদায় করি এবং দোয়া কুনুতসহ কুরআন ও হাদিসে বর্ণিত অন্যান্য দোয়া পড়ি।

১) এভাবে তারাবিহ জামাতে পড়ে পরে রাতে আলাদা করে বিতর পড়া কি শরীয়তসম্মত?

২) আমাদের নিকটবর্তী একটি মসজিদে ২০ রাকাত তারাবিহ আদায় করা হয়। এটি একটি সাধারণ সুন্নি মসজিদ, সম্ভবত জামায়াতে ইসলামী পরিচালিত। রমযানের শেষ ১০ দিনে সেখানে কিয়ামুল লাইলের পর ৩ রাকাত বিতর জামাতে আদায় করা হয়। তারা কুনুত পড়ার সময় দুই হাত উঠিয়ে দোয়া করে (সৌদি আরবের নিয়মের মতো)।

আমি কি শেষ ১০ দিনে তাদের সাথে কিয়ামুল লাইল ও বিতর জামাতে আদায় করতে পারি?

জাযাকুমুল্লাহু খাইরান

1 Answer

0 votes
by (763,260 points)
জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم

https://ifatwa.info/41730/ নং ফতোয়াতে উল্লেখ রয়েছেঃ- 
রমজানে বিতর নামাজ জামা'আতের সহিত পড়ার কথা হাদীস শরীফে এসেছেঃ-

عن عبد العزيز بن رفيع قال كان ابى بن كعب يصلى بالناس فى رمضان بالمدينة عشرين ركعة ويوتر بثلاثة

হযরত আব্দুল আজীজ বিন রফী থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ হযরত উবায় বিন কাব রাঃ লোকদেরকে রমজান মাসে মদীনা মুনাওয়ারায় বিশ রাকাত তারাবীহ এবং তিন রাকাত বিতির নামায পড়াতেন। {মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা-২/৩৯৩}

عن سعيد بن ابى عبيد ان على بن ربيعة كان يصلى بهم فى رمضان خمس ترويحات ويوتر بثلاث

হযরত সাঈদ বিন আবু উবায়েদ থেকে বর্ণিত। হযরত আলী বিন রাবীয়া পাঁচ তারবিহা তথা বিশ রাকাত তারাবীহ এবং তিন রাকাত বিতির জামাতের সাথে পড়তেন। {মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা-২/৩৯৩}

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই,
রমজানে বিতর নামাজ জামাতের সাথে পড়তেই হবে,এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।
কেহ জামাতে বিতর না পড়ে রাতে তাহাজ্জুদের পর পড়তে পারেন,এতেও কোনো সমস্যা নেই।

আবার জামাতে বিতর পড়ার পর রাতে তাহাজ্জুদও পড়তে পারে।   
এতেও তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় হবে।

তবে যে ব্যাক্তি রাতে তাহাজ্জুদ নামাজ নিশ্চিত পড়বে,তার জন্য তাহাজ্জুদের শেষে বিতর পড়াই উত্তম। 

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই,
(০১)
এভাবে তারাবিহ জামাতে পড়ে পরে রাতে আলাদা করে বিতর পড়াও শরীয়তসম্মত। 
এতে কোনো সমস্যা নেই।

(০২)
প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে এভাবে কিয়ামুল লাইল জামাত করে পড়া মাকরুহ।
সেই জামাতে অংশগ্রহণ করাও মাকরুহ।

বিস্তারিত জানুনঃ- 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by
reshown

সম্মানিত মুফতি সাহেব মাকরুহে তাহরিমি না মাকরুহে তানযিহি হবে জানতে চাচ্ছিলাম 

by (763,260 points)
কিতাবে এক্ষেত্রে শুধু মাকরুহ লেখা রয়েছে। তাহরীমী বা তানযিহী কোনটি উল্লেখ নেই।

তবে ইসলামী স্কলারগন বলেন যে যেখানে মাকরুহে তাহরিমি বা তানযিহি কোন কিছুই উল্লেখ থাকে না, সেখানে মূলত মাকরুহে তাহরিমি উদ্দেশ্য হয়ে থাকে।

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...