আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
52 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (11 points)
ٱلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَتُ اللّٰهِ وَبَرَکَاتُُهُ

আমি আনম্যারিড,স্বপ্নের ব্যাখা জানতে চাচ্ছিলাম।

ইউনিভার্সিটির হস্টেলের মতো পরিবেশ। বিল্ডিং এর ভেতর কিছুটা অন্ধকার। আমার সাথে আরো দুই তিনজন মেয়ে । স্বপ্ন অনুযায়ী তাদের সাথে ভালো সম্পর্ক এবং তারা ম্যারিড বা এ্যংগেজড।সেই জায়গায় যাওয়ার মূল উদ্দেশ্য দ্বীনের সাথে জরিত। সেখানে আরো তিনজন যুবকের সাথে পরিচয় হয়।কথা সাক্ষাৎ হয় না তবে তাদের সম্পর্কে জানা হয় কাজের সুবাদে।এবং আমি কালো হিজাব নিকাবে ছিলাম।
এখানে মিশন এমন যে আমরা সবাই বিশস্ত থাকবো মেয়েরা মেয়েদেরই ভিতরের কাজ সামলাবে আর ছেলেরা বাহিরের পরিবেশ এবং একে অপরের মূল পরিচয় সম্পর্কে বাহিরের কাওকে জানাবো না। নতুবা ইসলাম বিরোধী রা ধরে নিয়ে সরাসরি খু ন করবে।

ওই তিন যুবকের আগেও একজন ছিল যিনি শহীদ হন কোন আর্মির হাতে, দ্বীন সম্পর্কিত কাজের জন্য। তিন যুবকের প্রত্যেকেই সাহসী। তার মধ্যে একজনকে আর্মিরা খুঁজছে যে চরম বুদ্ধিমান ও সাহসী।আসল নাম ও ছবির জন্য তাকে সঠিকভাবে সনাক্ত করে ধরতে পারছে না।
প্রতিদিন ই এমন তাদের নির্ঘুম রাত কাটে, ক্লান্ত শরীর থাকে।আমরাও যারা মেয়েদের মাঝে দেখাশোনায় ব্যাস্ত থাকি তারাও সারাদিন জীবন মরনের ভয়ে থাকি। কেও দরজা নক করলে খোজ চাইলে আতকে উঠি।ছমছমে পরিবেশ আর্মিদের যাওয়া আশা আছেই এরপর গোলাগুলি আর ধ্বংসস্তূপ।

পরবর্তীতে সেই সাহসী যুবকের সাথে আমার বিয়ে হয়। যেহেতু এখানে ছেলে মেয়ে আলাদা জায়গায় থাকে আর ভিতরের মেয়েদের দেখাশোনার দায়িত্বে আমরা আছি তাই হাজবেন্ডের সাথে সেভাবে প্রাইভেট টাইম বা স্পেস মিলে না এবং কথাও হয় নি।
এরপর একদিন এইসব যুদ্ধ অনেকটা শিথিল হয়। অনেকে নিজের বাড়ি চলে যায়।তাই আমি আলাদা রুম সাজাই। এত যুদ্ধের পর কিছুটা আনন্দের জন্য। আমার সাথে অন্য মেয়েরাও আমাকে আনন্দের সাথে সাহায্য করে।স্বপ্ন অনুযায়ী হাজবেন্ড ফ্রেশ হয়ে আসতে আসতে খুব তড়িঘড়ি করে লাল জামা পড়ি আর সেও শুনে খুশি যে আমি আয়োজন করছি।কিন্তু সে খুব ক্লান্ত আর চোখে শতবছরের ঘুম।আর আমিও নবিজির সেই হাদিসের কথা খুব দৃঢ় ভাবে স্মরণ করে রেডি হচ্ছিলাম। যে স্ত্রী তার স্বামীর খুশির জন্য সুন্দর করে যতক্ষণ সাজে ততক্ষণ সোয়াব লেখা হয়। এরপর ঘুম ভেঙে যায়।
আমি দ্বীনের ফরজ সুন্নত বিধান পালন করি আলহামদুলিল্লাহ। এবং এই স্বপ্নে নিজেকে রেগুলার কালো হিজাব নিকাবেও দেখেছি।স্বপ্ন সম্পর্কিত রিসেন্ট এমন কোন ঘটনা ঘটে নি আর আমার বিয়ে হয়েছে হাজবেন্ড আছে এমন স্বপ্ন আমি এর আগে কখনো দেখিনি।

আমার অধিকাংশ স্বপ্ন সত্যি হয় আলহামদুলিল্লাহ,আল্লহুম্মা বারিক। এই স্বপ্নের ব্যখা কি হতে পারে ওস্তায ? উত্তম ব্যাখা ও পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করুন।

1 Answer

0 votes
by (805,980 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
خير لنا و شر علي أعدائنا والحمدلله رب العالمين
(ভালো আমাদের জন্য,খারাপ আমাদের শত্রুদের জন্য,সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তা'আলার।)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّه عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَال: (الرُّؤْيَا ثَلاثٌ : فَبُشْرَى مِنَ اللَّهِ ، وَحَدِيثُ النَّفْسِ ، وَتَخْوِيفٌ مِنَ الشَّيْطَانِ فَإِنْ رَأَى أَحَدُكُمْ رُؤْيَا تُعْجِبُهُ فَلْيَقُصَّ إِنْ شَاءَ وَإِنْ رَأَى شَيْئًا يَكْرَهُهُ فَلا يَقُصَّهُ عَلَى أَحَدٍ وَلْيَقُمْ يُصَلِّي ) 
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ স্বপ্ন তিনি প্রকার। (১) আল্লাহর পক্ষ থেকে সুসংবাদ, (২) বান্দার মনের খেয়াল এবং (৩)শয়তানের পক্ষ থেকে ভীতি প্রদর্শনমূলক কিছু। অতএব তোমাদের কেউ পছন্দনীয় কিছু স্বপ্নে দেখলে তা ইচ্ছা করলে অপরের কাছে ব্যক্ত করতে পারে। আর সে অপছন্দনীয় কিছু স্বপ্নে দেখলে যেন তা ব্যক্ত না করে এবং উঠে নামায পড়ে।( সহীহ বুখারী-৭০১৭) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/734


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
স্বপ্নটি ভালও কল্যাণকর। আপনার পছন্দমত পাত্রের সাথেই আপনার বিয়ে হবে ইনশাআল্লাহ। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...