আস-সালাামু আলাইকুম।
আমি যদ্দুর দেখেছি, আলেমগণ আত্মিক,/দ্বীনি উন্নতি,/দ্বীনের উপর টিকে থাকা ইত্যাদির জন্য দুটো পন্থার কথা বলেন। তাবলীগ বা কোন নেককার ব্যাক্তির সোহবত।
1) নেককার ব্যাক্তির সোহবত বলতে কি কাউকে পীর/ইসলাহি মুরব্বি মানা বোঝায়? ইসলাহী মুরব্বি আর পীর কি একই জিনিস?
2) "আমি কাউকে ইসলাহী মুরব্বি মানি" এর অর্থ কী?
কাউকে পীর/ইসলাহী মুরুব্বি মানার মানে কি এই যে, উনি আমাকে আত্মিক/দ্বীনি উন্নতির জন্য নির্দেশনা,/আমল দিবেন এবং আমি তা (সম্পূর্ণরূপে) মেনে চলবো/চলার চেষ্টা করব? এর মানে অন্যকিছু হলে সেটা কী?
3) পীর/মুরুব্বি মানা কি মূলত বায়াত গ্রহণ? বায়াত কি হতেই হবে?
4) বায়াত হওয়ার অর্থ কী? অর্থাৎ বায়াত হয়ে যাওয়ার পর থেকে আমার কী করতে হবে?
5) হক্কানি পীর চেনার উপায় কী?
6) ৬ তসবিহ, 3000 (বা কম/বেশি)বার "আল্লাহ" "আল্লাহ" বলা, অন্তরে জিকির জারি করা এসব কি শরীয়ত সম্মত?
7) আমাদের এলাকায়(ময়মনসিংহ) "খানকায় হোসাইনিয়া মাদানিয়া"য় "মাহবুবুল্লাহ কাসেমী" নামে একজন শায়খ রয়েছেন৷ উনার প্রশংসা শুনেছি। কিছু দ্বীনি ভাই উনার কাছে বায়াত আছেন, আমাকেও হতে উৎসাহ দিয়েছেন (for my own betterment)৷ উনার সম্পর্কে একটু যদি বলতেন। বিশেষত উনার কাছে বায়াত হওয়ার বিষয়টা৷
8) As a student, যেটাই করি (তাবলীগ,/বায়াত হওয়া) সেটার সমস্ত নিসাব(নিয়ম-কানুন) মেনে চলতে হবে কি?
9) আমি মূলত তাবলীগের সাথে যুক্ত। এখন বায়াত হওয়াও কি ঠিক হবে? আমলী দুর্বলতার দরুণ তাবলীগের কাজও ঠিকমতো করা হচ্ছে না৷
10) তাবলীগ করা বা বায়াত হওয়া বা নেককার ব্যক্তির সোহবত ইত্যাদি সাথে দুনিয়া ও আখিরাতের সফলতার সম্পর্ক কীরূপ?
আমি যদি জাহান্নাম থেকে বেঁচে জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা পেতে চাই(উম্মত হিসেবে যে পর্যন্ত যাওয়া যায় আরকি) তাহলে এগুলোর আবশ্যকতা কীরূপ?