আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
86 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (3 points)
আসসালামু আলাইকুম
অনেকটা বাধ্য হয়েই এত বিস্তারিতভাবে নিজের সমস্যা এর কথা বলতে হচ্ছে। দয়া করে আমার বিষয়গুলো পড়ে উপযুক্ত সমাধান দিবেন।
১। আমার সর্বপ্রথম যেই সমস্যা এর কথা উল্লেখ করতে চাই সেটা হল চোখ, অন্তর এবং যৌনাঙ্গ এর গুনাহ। আমি প্রচন্ডভাবে বীর্যপাত এ আসক্ত বিগত ৯ বছর ধরে এবং তা অসাস্থ্যকর মাত্রায় অতিরিক্ত বেশি বার ও হয়ে থাকে। এ পর্যন্ত অন্তত প্রায় ৫০-১০০ বার এর বেশি চেষ্টা করেছি ছেড়ে দেওয়ার কিন্তু ব্যর্থ হয়েছি। হয় হাত দ্বারা না হিয় বালিশ দ্বারা আমার এই গুনাহ হয়।
এক পর্যায়ে আমি কিছু অত্যন্ত নোংরা বিষয় পড়ি এবং তা আমার অন্তর এ গেথে যায়। যখনি আমি বিরত থাকার নিয়ত করি আমাকে ৩-৪ দিন পর সেসব চিন্তা আক্রমণ করে এবং বীর্যপাত অপ্রতিরোধ্য হয়ে যায়। রমজান মাস এও আমার কিছু দিন পরিপূর্ণ বিরত থাকা বা দমন করে রাখার পরেও আবার একি গুনাহ তে লিপ্ত হয়ে যাই এক রাতে এবং প্রতিনিয়ত রাতে টানা চোখ এর গুনাহ হচ্ছে, যেন আমি প্রচন্ডভাবে আসক্ত। অনেক দুয়া এর পরেও আমি এটা থেকে বের হওয়ার তাউফিক পাই নি।


২। আমি এখন ছাত্র, এবং সম্পূর্ণ জেনারেল লাইন এর। আমার জীবন এর দিন গুলো প্রচন্ড ব্যস্ততা এবং পেরেশানি তে কাটে। ভবিষ্যত এর প্রতিটা বিষয় নিয়ে দুশ্চিন্তা হয় এবং সাফল্য না পাওয়ার অভাবে হতাশা কাজ করে। ফলে দ্বীন এ সময় দেওয়া অনেক কম হয় এবং ওই গুনাহ তে আবার যদি আসক্ত হয়ে উঠি (যা রমজান বাদে বছরের প্রায় ৯০ ভাগ সময়) তাহলে আমি ইসলাম থেকে সম্পুর্ণ দূরে সরে যাই। খালি আমার ন্যুনতম ইমান টুকু বেচে থাকে কোনো আমল থাকে না বাকি।


৩। একবার গুনাহ হয়ে গেলে আমাকে সেটা প্রতিনিয়ত তাড়া করে বেরায়, একধরনের আসক্তি এবং বার বার সেখানে ফিরে যাওয়ার তীব্র আকাঙ্খা।
৪। আমি বিয়ে নিয়েও এখন আর ভাবতে পারি না। প্রথমত আমার মনে হয় নোংরা বিষয় পড়া বা দেখার কারণে অন্তর এতটা নষ্ট হয়ে গিয়েছে আমার যে বিয়ের পরেও হয়ত আমি এমনি থাকব। এটার ব্যপারে আমি জানতে চাই এরকম চিন্তা সঠিক কি না?  দ্বিতীয়ত আমার জীবনসঙ্গী ভালো হবে না এরকম একটা চিন্তা ও মাঝে মাঝে কাজ করে ভিতরে।

অথচ আমি প্রচন্ডভাবে আসক্ত বীর্যপাত এ। এবং আমার সম্পূর্ণ যৌবন কালটাই হারামভাবে নিজের আকাঙ্ক্ষা মেটানোর মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।


আমি সরাসরি অফলাইন এ কোনো আলেমে দ্বীন কে বলতে পারি না লজ্জায়। এবং আমি কারো সোহবত এও থাকতে পারি না হীনমন্যতায়।


আমার এসব বলার কারণ আমি মুক্তি চাই। সমাধান চাই। কিন্তু আমি পারি নি বিগত ৯ বছরে। অনেক চেষ্টা, অনেক পরামর্শ, অনেক প্রয়াস থাকা সত্বেও পারি নি। আমি জানি না কতটুকু সাধারণ পৌরুষ আচরণজনিত এবং কতটুকু নোংরা আসক্তিজনিত কারণে আমার এই অবস্থা। আমি যদি কখনো আর্থিকভাবে সামর্থ্যবান হয়েও থাকি জানি না বিয়ে করা আমার জন্য উচিত কাজ হবে নাকি অনুচিত কাজ।

দয়া করে আমার সমস্যাগুলোর যথাযথ সমাধান দিবেন, আমার ধারণাগুলোর যথাযথ ব্যখ্যা দিবেন কোনটা কতটুকু ঠিক এবং কতটুকু ভুল।


জাযাকাল্লাহ

1 Answer

0 votes
by (769,290 points)
জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم 

হাত বা অন্য কিছুর মাধ্যমে বীর্যপাত, স্বমৈথুন বা হস্তমৈথুন
করা কোরআন সুন্নাহ ও সুস্থ বিবেকের নির্দেশ মতে হারাম ও কবিরা গুনাহ।

আব্দুল্লাহ ইবন আমর ইবন আস রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন-
عبد الله بن عمرو بن العاص عن النبي صلى الله عليه وسلم سبعة لا ينظر الله عز وجل إليهم يوم القيامة ولا يزكيهم ويقول : ادخلوا النار مع الداخلين : الفاعل والمفعول به ، والناكح يده ، وناكح البهيمة ، وناكح المرأة في دبرها ، وناكح المرأة وابنتها ، والزاني بحليلة جاره ،والمؤذي لجاره حتى يلعنه
“সাত শ্রেণীর লোকের উপর আল্লাহ অভিশাপ বর্ষণ করেন, কিয়ামতের দিন এদের দিকে তাকাবেন না এবং এদেরকে জাহান্নামে প্রবেশের আদেশ দিবেন। এরা হল–সমকামী, হস্তমৈথুনকারী, জীবজন্তুর সাথে সঙ্গমকারী, স্ত্রীর সঙ্গে পুংমৈথুনকারী, কোন মহিলা ও তার কন্যাকে একসাথে বিবাহকারী, প্রতিবেশীর স্ত্রীর সাথে ব্যভিচারকারী এবং প্রতিবেশীকে এমন কষ্টদানকারী যে, যার কারণে সে তাকে অভিশাপ দেয় । তবে এরা যদি তাওবা করে তাহলে তারা সবাই হয়ত ক্ষমা পেতে পারে।” (বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান৭/৩২৯)

عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ: يَجِيءُ النَّاكِحُ يَدَهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَيَدُهُ حُبْلَى 
হযরত আনাস বিন মালেক রাঃ বলেন, কিয়ামতের ময়দানে হস্তমৈথুনকারী এমনভাবে উঠবে যে, তার হাত গর্ভবতী থাকবে। [শুয়াবুল ঈমান, বর্ণনা নং-৫০৮৭]

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই,
আপনি হতাশ হবেন না আপনার জন্য দ্বীনের পথে ফিরে আসার সুযোগ আছে। হতাশ হওয়ার কিছু নেই।

আপনিও যদি পরিপূর্ণভাবে লজ্জিত অনুতপ্ত হয়ে তওবা করে দ্বীনের পথে ফিরে আসেন সে ক্ষেত্রে আল্লাহ তায়ালা আপনাকে ক্ষমা করে দিবেন।

★আপনার প্রতি পরামর্শঃ-
https://ifatwa.info/9968 নং ফতোয়াতে উল্লেখ রয়েছেঃ- 
নিয়মিত নামায আদায় করতে হবে এবং আল্লাহর কাছে মুনাজাত করে, তাঁকে স্মরণ করে, তাঁর কিতাব তেলাওয়াত করে স্বাদ অনুভব করতে হবে। 

আল্লাহ্ তাআলা বলেন,

اتْلُ مَا أُوحِيَ إِلَيْكَ مِنَ الْكِتَابِ وَأَقِمِ الصَّلَاةَ إِنَّ الصَّلَاةَ تَنْهَى عَنِ الْفَحْشَاء وَالْمُنكَرِ وَلَذِكْرُ اللَّهِ أَكْبَرُ وَاللَّهُ يَعْلَمُ مَا تَصْنَعُونَ

আপনি আপনার প্রতি প্রত্যাদিষ্ট কিতাব পাঠ করুন এবং নামায কায়েম করুন। নিশ্চয় নামায অশ্লীল ও গর্হিত কার্য থেকে বিরত রাখে। আল্লাহর স্মরণ সর্বশ্রেষ্ঠ। আল্লাহ জানেন তোমরা যা কর। (সূরা আনকাবুত ৪৫)

একবার সাহাবারা রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে বলল, অমুক সাহাবী বিভিন্ন ধরনের খারাপ কাজে জড়িয়ে পড়েছে। রাসূলুল্লাহ ﷺ জিজ্ঞেস করলেন, সে কি এখনো নামাজ পড়ে? সবাই বলল, হ্যাঁ, পড়ে। রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন, সে যদি নামাজ পড়তে থাকে তাহলে নামাজ তাকে অবশ্যই একদিন খারাপ কাজ থেকে ফিরিয়ে নিয়ে আসবে। (মুসনাদে আহমাদ ২/৪৪৭)
,
★বেশি বেশি যিকির করতে হবে।
★মাঝে মাঝেই দাওয়াত ও তাবলিগের মেহনতে সময় লাগাতে পারেন।
★বেশির ভাগ সময় মসজিদে কাটানোর চেষ্টা করুন।
★নিজের ভিতর থেকে হতাশা সম্পূর্ন ভাবে দূর করে দিন। আলোর পথে আসুন।
★নিজ মহল্লার মসজিদের ইমাম সাহেব,মুয়াজ্জিন সাহেব থেকে সাজেশন নেওয়ার চেষ্টা করুন।
তাদেত সাথে ফ্রি হয়ে কিভাবে আমলের পথে চলা যায়,সেটা জানুন।
,
তাদেত সাথেই বেশিরভাগ সময় কাটানোর চেষ্টা করুন।   
★অসৎ সাথীদেত সাথে ঘুরাফেরা বন্ধ করুন।
,
★যেই জায়গা,যেই কাজ করলেই ঐ বিষয় গুলো মাথায় আসে,সেই জায়গায় যাওয়া সেই কাজ করা থেকে বিরত থাকুন।
,   
★হক্কানী শায়েখদের কাছে যান,তাদের দেওয়া সবক আদায় করতে পারেন।

★কোনোভাবেই একাকী থাকা যাবেনা।
কিভাবে কাহারো সাথে থাকা যায়,সেই ব্যবস্থা করুন।
 
বিশেষ করে একাকী রাত কোনোভাবেই কাটানো যাবেনা। 
আপনার রুমে অন্য কাহারো থাকা নিশ্চিত করুন।
প্রয়োজন মেসে থাকতে পারেন।  
হাদিসে এসেছে নবী ﷺ কোন পুরুষকে একাকী রাত কাটাতে নিষেধ করেছেন। (মুসনাদে আহমাদ ২/৯১)

ঘুমানোর সময় ইসলামী আদবগুলো মেনে চলতে হবে। যেমন ঘুমানোর দোয়াগুলো পড়া, ডান পার্শ্বে কাত হয়ে শোয়া, পেটের উপর ভর দিয়ে না-ঘুমানো; যেহেতু এ সম্পর্কে নবী ﷺ-এর নিষেধ আছে।

★কাছে মোবাইল বা কম্পিউটার  রাখা যাবেনা,সেটি অন্য ঘরে রেখে আসতে হবে।

যথাসম্ভব মাগরিবের পর থেকেই মোবাইল থেকে দূরে থাকতে হবে।
,
★রাতে খাবার খাওয়ার কমপক্ষে  এক দেড় ঘন্টা পর বিছানায় যাবেন।
,
★অনৈসলামিক কোনোকিছুই মোবাইল,কম্পিউটারে রাখা যাবেনা।
,
★নেটে এজাতীয় সাইটে কোনোভাবেই যাওয়া যাবেনা।   

★পাশাপাশি নবী নবী ﷺ-এর নির্দেশিত প্রতিকার পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে। সেটা হচ্ছে– রোযা রাখা। কেননা রোযা যৌন চাহিদাকে পরিশীলিত করে।

হস্তমৈথুন কারীরা অনেকে সাহস না পাওয়ার কারনে বিবাহ করতে ভয় পায়,আসলে তাদের অনেকেই বিবাহ করতে পারবে,তবে ভয় পাওয়া আর হাতুরি ডাক্টারদের কথা শুনে বিবাহের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ফেলে।
আমি বলবো যে এক্ষেত্রে বিবাহই করতে হবে।

যদি শতচেষ্টার পর কোনো কারণে বিয়ে করা অসম্ভব হয়,তাহলে যৌনক্ষমতাকে দমিয়ে রাখতে এক্ষেত্রে রোযা রাখাই নির্দিষ্ট। 

রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন,

(يَا مَعْشَرَ الشَّبَابِ ، مَنْ اسْتَطَاعَ مِنْكُمْ الْبَاءَةَ فَلْيَتَزَوَّجْ ، فَإِنَّهُ أَغَضُّ لِلْبَصَرِ ، وَأَحْصَنُ لِلْفَرْجِ ، وَمَنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَعَلَيْهِ بِالصَّوْمِ فَإِنَّهُ لَهُ وِجَاءٌ)

হে যুবকদের দল! তোমাদের মধ্যে যারা সামর্থবান,তারা যেন বিয়ে করে নেয়।কেননা বিয়ে চক্ষুকে নিচু রাখে এবং লজ্জাস্থানকে হেফাজত করে।আর যাদের বিয়ের সামর্থ্য নেই তারা যেন রোযা রাখে।কেননা রোযা ঢাল স্বরূপ।(সহীহ বোখারী-১৯০৫,সহীহ মুসলিম-১৪০০)

সুতরাং মাঝে মাঝে নফল রোজা রাখতে হবে। 
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, 

يَا مَعْشَرَ الشَّبَابِ ، مَنِ اسْتَطَاعَ الْبَاءَةَ فَلْيَتَزَوَّجْ ، ، وَمَنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَعَلَيْهِ بِالصَّوْمِ فَإِنَّهُ فَإِنَّهُ أَغَضُّ لِلْبَصَرِ وَأَحْصَنُ لِلْفَرْجِ
হে যুবক সম্প্রদায় ! তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহ করার সামর্থ্য রাখে, তারা যেন বিবাহ করে। কেননা, বিবাহ তার দৃষ্টিকে সংযত রাখে এবং যৌনতাকে সংযমী করে এবং যাদের বিবাহ করার সামর্থ্য নাই, সে যেন রোযা পালন করে। কেননা, রোযা তার যৌনতাকে দমন করে। (বুখারী,হাদীস নং-৪৯৯৬)

আরো জানুনঃ
,
সমাধানের পথে আসতে হবে,স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে হবে।

একটি ব্যায়াম করতে পারেন।
ক্যাগল ব্যায়াম,app এর মাধ্যমে এটি করলে আশা করা যায়,ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে,তাই app টি ডাউনলোড করতে হবে।   
,
পুরোপুরি হস্তমৈথুন ছেড়ে দিয়ে প্রতিদিন ১০-২০ মিনিট,টানা ৬ মাস এই ব্যায়াম করলে,আশা করা যায় আল্লাহর রহমতে এহেন দূর্বলতা থেকে রেহাই পাওয়া যাবে।
এটি পরিক্ষিত একটি ব্যায়াম।

সম্ভব হলে এই ব্যায়াম চালিয়ে যেতে  পারেন,অনেক অনেক উপকার পাওয়া যাবে,ইনশাআল্লাহ।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...