ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(১)
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত।
عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا قَالَتْ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا اعْتَكَفَ أَدْنَى إِلَيَّ رَأْسَهُ فَأُرَجِّلُهُ، وَكَانَ لَا يَدْخُلُ البَيْتَ إِلَّا لِحَاجَةِ الإِنْسَانِ»: «هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ» - «سنن الترمذي ت شاكر»
তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ইতিকাফে বসতেন, তিনি তাঁর মাথা আমার দিকে ঝুঁকিয়ে দিতেন আর আমি তা আঁচড়িয়ে দিতাম। তিনি মানবীয় প্রয়োজন ছাড়া ঘরে প্রবেশ করতেন না। - ইবনু মাজাহ ৬৩৩, ১৭৭৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮০৪ [আল মাদানী প্রকাশনী] এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/1795
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
ইতিকাফ স্থল থেকে বের হলেই কেবল ইতিকাফ ফাসিদ হয়ে যায়। যদি কেউ ইতিকাফ স্থল থেকে বের না হয়, তবে স্ত্রীর সাথে মুবাইলে কথা বলে, এমনকি স্বামী স্ত্রী সূলভ কথাও হয়ে যায়, তাহলে এজন্য ইতিকাফ ফাসিদ হবে না। তবে ইতিকাফ বসে এভাবে কথা বলা সওয়াবকে কমিয়ে দিতে পারে। সুতরাং এত্থেকে বেচে থাকাই কাম্য।
(২) ইতিকাফ স্থলে বসেই কথা বলে থাকলে এজন্য ইতিকাফ ফাসিদ হবে না। তবে অযথা অনর্থক কথা বললে ইতিকাফের সওয়াব বিনষ্ট হবে।
(৩) পুরো রুম বলকনি সহ ইতিকাফ স্থল নির্ধারণ করা যাবে। তবে যেই স্থানকেই ইতিকাফ স্থল হিসেবে নির্ধারণ করা হবে, সেই স্থানকে এই দশদিন যাবৎ মসজিদের সম্মান দিতে হবে।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/1275
(৪) ইতিকাফে বসে দাম্পত্য জীবনের গোপন বিষয়াবলী মনে আনা যাবে না। তবে কখনো এসে পড়লে এজন্য ইতিকাফ ফাসিদ হবে না।
(৫) দশ দিনের সুন্নতী ইতিকাফ ফাসিদ হলে একদিন একরাত রোযা সহ ইতিকাফ কাযা করতে হবে। চায় রমজানে হোক বা রমজানের বাহিরে।
(৬) প্রশ্নের বিবরণমতে (দিয়ানাতান) তালাক হবে না। আপনারা সংসার চালিয়ে যেতে পারবেন।