জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
(০১)
হাদীস শরীফে এসেছেঃ
حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ بَقِيَّةَ، أَخْبَرَنَا خَالِدٌ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، - يَعْنِي ابْنَ إِسْحَاقَ - عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا قَالَتِ السُّنَّةُ عَلَى الْمُعْتَكِفِ أَنْ لاَ يَعُودَ مَرِيضًا وَلاَ يَشْهَدَ جَنَازَةً وَلاَ يَمَسَّ امْرَأَةً وَلاَ يُبَاشِرَهَا وَلاَ يَخْرُجَ لِحَاجَةٍ إِلاَّ لِمَا لاَ بُدَّ مِنْهُ وَلاَ اعْتِكَافَ إِلاَّ بِصَوْمٍ وَلاَ اعْتِكَافَ إِلاَّ فِي مَسْجِدٍ جَامِعٍ
ওয়াহব ইবন বাকীয়্যা ......... আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ই‘তিকাফের জন্য সুন্নাত এই যে, সে যেন কোন রোগীর পরিচর্যার জন্য গমন না করে, জানাযার নামাযে শরীক না হয়, স্ত্রীকে স্পর্শ না করে এবং তার সাথে সহবাস না করে। আর সে যেন বিশেষ প্রয়োজন ব্যতীত মসজিদ হতে বের না হয়। রোযা ব্যতীত ই‘তিকাফ নেই এবং জামে মসজিদ ব্যতীত ই‘তিকাফ শুদ্ধ নয়।
(আবু দাউদ ২৪৬৫)
ইতিকাফ যে সকল কারণে ভঙ্গ হয়ে যায় তা হলো :
১. স্বেচ্ছায় বিনা প্রয়োজনে মাসজিদ থেকে বের হলে।
২. কোন শিরক বা কুফরী কাজ করলে।
৩. পাগল বা বেঁহুশ হয়ে গেলে।
৪. নারীদের হায়েয-নিফাস শুরু হয়ে গেলে।
৫. স্ত্রীসহবাস বা যে কোন প্রকার যৌনসম্ভোগ করলে।
বিস্তারিত জানুনঃ-
★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই,
“মসজিদের সীমানা হলো ওই জায়গা যা নামাজের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। অজুর জায়গা সাধারণত মসজিদের বাইরে হয়ে থাকে।
.
সাধারণত মসজিদের পুরো বাউন্ডারিকেই মসজিদ বলা হয়। কিন্তু মসজিদের পুরো বাউন্ডারি মসজিদের শরয়ি সীমানা হওয়া আবশ্যক নয়। বরং শরিয়তের দৃষ্টিতে মসজিদের সীমানা ওইটুকুই, যেটুকু স্থানকে নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদ প্রতিষ্ঠাতা ওয়াকফ করার সময় মসজিদ হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন।
জমিনের কোনো অংশ শরয়ি মসজিদ হওয়া এক জিনিস এবং মসজিদের প্রয়োজনে ওয়াকফ করা আরেক জিনিস।
কারণ, প্রতিটি মসজিদেই এমন কিছু জায়গা থাকে, যা মসজিদের বিভিন্ন প্রয়োজনে ওয়াকফ করা হয়। যেমন অজুখানা, ইস্তিঞ্জাখানা, গোসলখানা, ইমাম সাহেবের হুজরা ইত্যাদি। এসব জায়গা শরয়ি মসজিদের অন্তর্ভুক্ত নয়।”
★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই,
প্রশ্নের বিবরন উক্ত সিড়ি যেহেতু মসজিদের শরয়ি সীমানার অন্তর্ভুক্ত নয়,তাই সেখানে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া আসা যাবেনা।
জামাতে নামাজ আদায় করা যেহেতু বিশেষ প্রয়োজনের অন্তর্ভুক্ত, সুতরাং আপনি জামাতে অংশগ্রহণ করার জন্য ইকামতের আগ দিয়ে মসজিদের নিচ তলায় আসতে পারেন।
উল্লেখ্য যে নামাজে আপনার মসজিদের নিচতলা পূর্ণ হয়ে যায়, সেই নামাজে আপনি উপর তলা হতেই জামাতে অংশগ্রহণ করবেন।
(০২)
প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে এতে ইতিকাফ ভেঙে যাবেনা বা গুনাহ হবেনা।