আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
82 views
in ওয়াসওয়াসা by (5 points)
ইমদাদুল হক উস্তাযের কাছে,,,

আমি ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত।
আইওএম এর ওয়াসওয়াসা কোর্সটি বন্ধ।এটি করা যাচ্ছেনা।দয়া করে কোর্সটি চালু করার অনুরোধ রইল।

আমার প্রশ্ন

০১/ প্রস্রাব পায়খানা করার পর পানি ব্যবহারের সময় প্যানে, এক পায়ে পানির ফোটা পড়ে।এই পানি ব্যবহারের প্রথম দিকের পানি না পরের দিকের পানি বুঝতে না পারলে এই পানি কে কি আমি পাক ধরতে পারব?যেহেতু আমি নিশ্চিত না।

০২/ পায়ে যদি নাপাকী লাগে তাহলে আমি ২/৩ মগ পানি ঢেলে বের হয়ে যাব নাকি ১ মগ পানি ঢেলে অপেক্ষা করব সেই পানি গুলা সব যাওয়া পর্যন্ত। আবার ২ মগ ঢালব। অর্থাৎ যতক্ষন আগের পানি পায়ে লেগে লেগে প্রবাহিত হতে থাকে সেটা যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করে পরে আবার আরেক মগ ঢালব? এভাবে ঢালব?

কিন্তু এভাবে পাক করতে গেলে তো অনেক কঠিন হয়ে যায়।কারন মেঝে তো ভেজা ই থাকে।পানি সব গুলা গিয়েছে কিনা তা ও তো আমি বুঝতে পারবনা।

০৩/মূলত বদ্ধ জায়গা যেমন গোসল খানায় পায়ের নাপাকী পরিষ্কার করতে কিভাবে করব?

ডিটেইল বললে মুনাসিব হয় আমার জন্য।

০৪/ ওয়াসওয়াসার কারনে আমার জীবন অনেক কঠিন হয়ে গিয়েছে।ফিকহ এর মাসয়ালা আমার অনেক কঠিন লাগতেসে পান নাপাকীর ক্ষেত্রে।আমি জীবন সহজ করার জন্য অন্য মাজহাবের রুলস ফলো করলে যেমন,পানির রঙ গন্ধ যতক্ষন পর্যন্ত পরিবর্তন হচ্ছেনা কম পানি হলেও পানি নাপাক হবেনা যদি ধরি তাহলে কি আমি গুনাহগার হব?

আমার সারাদিন মনে অশান্তি লাগে পাক নাপাকি নিয়ে।
আসলেই কি পাক নাপাকের মাসয়ালা এরকম জটিল।নাকি আমি বিষয় টাকে জটিল করে বুঝতেসি জানালে মুনাসিব হয়।

আমি এজন্য আমলে ইবাদতে কোন মনযোগ দিতে পারতেসিনা।

1 Answer

0 votes
by (806,640 points)


বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।

আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে।
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না ।
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন।
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।
https://idaars.com/courses/waswasa/

বিঃদ্র
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 258 views
0 votes
1 answer 258 views
...