আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
42 views
in পবিত্রতা (Purity) by (5 points)
আসসালামু আলাইকুম
১.ঝুম বৃষ্টিতে ভেজা একটা কুকুর আমার সামনে এসে গা ঝাড়া দেওয়ায় তার গায়ের পানির ফোটা এসে আমার গায়ের কাপড়ে পড়ে। এই পানির ফোটা কি পাক নাকি নাপাক?
২. আমার কাপড় ও তখন বৃষ্টির পানিতে ভেজা ছিল। আমার হাতে আরও কিছু জিনিসেও ওই পানি লাগে। প্রচুর বৃষ্টি হওয়ার সব জিনিসই ভেজা ছিল। কতটুকু নাপাকি ছড়িয়ে পড়েছে তা আন্দাজ করতে পারছিনা। এমতাবস্থায় করনীয় কি

1 Answer

0 votes
by (769,290 points)
জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم

হাদীস শরীফে এসেছে, আবু হুরায়রা রযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
 إِذَا وَلَغَ الْكَلْبُ فِي الإِنَاءِ فَاهْرِقْهُ ثُمَّ اغْسِلْهُ ثَلاثَ مَرَّاتٍ 

যখন কুকুর পাত্রে মুখ দেয় তখন পাত্রের বস্তুটি ফেলে দাও, তারপর পাত্রটি তিনবার ধুয়ে নাও। (দারাকুতনী ১৬৫) 

★শরীয়তের বিধান মতে কুকুরের লালা নাপাক কিন্তু কুকুরের শরীর নাপাক নয়। সুতরাং কুকুর যদি কারো শরীর অথবা কাপড় ছুঁয়ে দেয় তাহলে তা নাপাক হবে না। আর যেহেতু কুকুরের লালা নাপাক তাই যদি কাপড়ে, শরীরে বা অন্য কোনো জিনিসে লালা লেগে যায় তবে তা নাপাক হয়ে যাবে। অন্যথায় নাপাক হবে না। এছাড়া কুকুরের শরীরে তরল নাপাক লেগে থাকলে সেক্ষেত্রেও তা স্পর্শ করলে কাপড় নাপাক হয়ে যাবে। (আলবাহরুর রায়েক ১/১০১ ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/৪৮ আদ্দুররুল মুখতার ১/২০৮)
.
★সুতরাং কোথায় শুধু কুকুর শুয়ে/বসে থাকলে সেই স্থান নাপাক হবেনা। 
এক্ষেত্রে কুকুরের গায়ে নাপাকি লেগে থাকলে এবং তাহা সেই জায়গায় প্রকাশ পেলে তথা নাপাকির আলামত গন্ধ/চিহ্ন পাওয়া গেলেই কেবল সেই স্থান নাপাক হবে।
,
আরো জানুনঃ 

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই,
(০১)
প্রশ্নের বিবরন মতে আপনার কাপড়ে নাপাকির আলামত (গন্ধ/চিহ্ন) পাওয়া গেলে সেই স্থান নাপাক হবে,অন্যথায় নাপাক হবেনা।

(০২)
এক্ষেত্রে আগে নিশ্চিত হন যে আপনার কাপড়ে নাপাকের কোন চিহ্ন বা গন্ধ পাওয়া গিয়েছে কিনা!

যদি পাওয়া যায় সেক্ষেত্রে যেসব স্থান ভিজে গিয়েছে, সেসব স্থানে নাপাকির আলামত পাওয়া গেলে সেসব স্থানকেও নাপাক হিসেবে ধরবেন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...