আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
42 views
in সালাত(Prayer) by (19 points)
আসসালামু আলাইকুম।
আমি ঢাকায় একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করি। কোম্পানিতে কাজের চাপ কম, ইবাদাতের সময় পাওয়া যায় আলহামদুলিল্লাহ। কিন্তু ভবিষ্যতে কোম্পানির বন্ধ হয়ে যাওয়ার একটা ক্ষীণ আশঙ্কা করি এবং তাহলে আমার বিকল্প ভালো কোন চাকরি পাওয়াটাও দুষ্কর হয়ে যাবে। এছাড়া কাজের চাপ না থাকায় অন্য চাকরির তুলনায় এখানে বেতনও অপেক্ষাকৃত কম। তাই আমি ঠিক করি একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ থেকে একটি এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করবো। কিন্তু এক্ষেত্রে ভর্তি প্রক্রিয়া অনেক কঠিন ও প্রস্তুতিসাপেক্ষ। তবে ভর্তি হতে পারলে কর্পোরেট সেক্টরে ভালো বেতনে চাকরি পাওয়া সহজ হবে। অনেক দিক চিন্তা করে ইস্তিখারার সিদ্ধান্ত নেই। নামাজের পর কুরআন খুলে বসতেই উক্ত আয়াতটি আমার সামনে চলে আসে, "তোমাদেরকে যে রিযক দিয়েছি তাত্থেকে উত্তমগুলো আহার কর, আর এতে বাড়াবাড়ি করো না, করলে তোমাদের উপর আমার ‘আযাব সাব্যস্ত হয়ে যাবে। আর আমার ‘আযাব যার উপর সাব্যস্ত হয় সে তো ধ্বংসই হয়ে যায়।" -সূরা তাহা আয়াত ৮১।

আমার প্রশ্ন হলো, এটি কি আল্লাহর পক্ষ থেকে কোন ইশারা হতে পারে? এখন আমার করণীয় কী একটু মেহেরবানি করে জানাবেন ইন শা আল্লাহ। জাযাকাল্লাহু খাইরান

1 Answer

0 votes
by (805,980 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
যখন কারো সামনে কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এসে উপস্থিত হবে।এবং সে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না যে, সে এ বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত নিবে।তাহলে এমন পরিস্থিতে তার জন্য উচিৎ ইস্তেখারা করা তথা ভালো দিক কে অন্বেষণ করা।অবশ্যই ইস্তেখারা, নামাযের মাধ্যমেই করবে। ইস্তেখারার পদ্ধতি সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাঃ এক হাদীসে বলেন, দুই রা'কাত নামায পড়ে বিশেষ মনোযোগের সাথে (নিম্নে উল্লেখিত) দু'আ পড়বে।তাহলে হয়তো তার মন কোনো এক দিকে ধাবিত হবে,বা সে স্বপ্নযোগে কোনো এক ইশারা পাবে।  এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1472


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
ইস্তেখারার অর্থ হল, সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে রাব্বে কারীমের মদদ আর সাহায্য কামনা করা। সেটা হয়তো স্বপ্নের মাধ্যমে কাউকে ইঙ্গিত দেয়া হতে পারে আবার কারো অন্তরে সেদিকে টান অনুভব সৃষ্টি করা হতে পারে। যতদিন না মন কোনো এক দিকে ধাবিত হচ্ছে ততদিন আপনি ইস্তেখারা করবেন। আপনি নুতুন চাকুরীর তালাশে যেতে পারেন। কোন চাকুরী গ্রহণ করবেন? সেটা ইস্তেখারার দ্বারা নির্ধারণ করে নিবেন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...