আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
43 views
in যাকাত ও সদকাহ (Zakat and Charity) by (1 point)
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ উস্তায ,
প্রশ্ন ১.  নাবালেক মেয়ের ৩-৪ ভরি স্বর্ণ ও ২ ভরি রূপা আছে, যেহেতু সেই বাচ্চা নিজে মালিক কিন্তু প্রাপ্ত বয়ষ্ক না হওয়ায় বুঝিয়ে দেয়া হয়নি, বাবা মার কাছে হেফাজতে আছে, সেক্ষেত্রে সেগুলোর যাকাত বাবা মার দিতে হবে?
উল্লেখ বাচ্চার মার ও ৫-৬ ভরি স্বর্ণ+ মজুদ টাকা আছে, তার এই যাকাতের সঙ্গে কি মেয়ের স্বর্ণ ও রূপার যাকাতও দিতে হবে?
প্রশ্ন ২. আমার মা আমার জন্য স্বর্ণ বানিয়েছেন ১ বছর হয়েছে, আমাকে মালিক করে দিয়েছেন, ২ ভরি+ স্বর্ণ এবং ১ ভরি রূপা আছে, সেক্ষেত্রে আমাকে যাকাত দিতে হবে? আমার কোনো আর্নিং সোর্স নেই! সম্পূর্ণ বাবা মার উপর ডিপেন্ডেবল। সেক্ষেত্রে আমি কি করবো?

1 Answer

0 votes
by (807,660 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
সোনা, রূপা,টাকা,এবং ব্যবসায়িক মালে যাকাত আসে, যদি তা নেসাব পরিমাণ হয়।
স্বর্ণের নেসাবঃ৭.৫ ভড়ি।
রূপার নেসাবঃ৫২.৫ ভড়ি।
এখানে একটি বিষয় লক্ষণীয় যে, কারো কাছে শুধুমাত্র স্বর্ণ বা শুধুমাত্র রূপা থাকলে সেটার নেসাব পূর্ণ হলেই যাকাত আসবে, অন্যথায় যাকাত আসবে না। তবে হ্যাঁ, যদি কারো নিকট স্বর্ণ এবং রূপা অথবা টাকা এভাবে থাকে যে, কোনোটিরই নেসাব পূর্ণ হয়নি, তাহলে এক্ষেত্রে রূপার নেসাবকেই মানদন্ড ধরে নেয়া হবে। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/121

যাকাত ওয়াজিব হওয়ার জন্য শর্ত হল, নেসাব পরিমাণ মালের মালিক হওয়ার পর বৎসরের শুরু থেকে নিয়ে বৎসরের শেষ পর্যন্ত নেসাব পরিমাণ মালের মালিক থাকা। এবং বৎসরের মধ্যখানে উক্ত মাল সম্পূর্ণরূপে নিঃশেষ না হয়ে যাওয়া। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/70964

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) নাবালকের মালে যাকাত আসে না।
(২) বাচ্চার মায়ের ৫/৬ ভড়ি স্বর্ণের সাথে প্রয়োজন অতিরিক্ত টাকাও আছে। তাই যাকাত ফরয হবে।
(৩) আপনার ২ ভড়ি স্বর্ণ এবং এক ভড়ি রূপা রয়েছে,  আপনাকে যাকাত দিতে হবে। যাকাত দেয়ার মত কিছু না থাকলে গহেনা বিক্রি করে যাকাত দিতে হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...