আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
76 views
in সাওম (Fasting) by (11 points)
reshown by

প্রশ্ন ১: খাবারের সময় হাত কি রুম থেকে বের হয়ে ধুতে পারবো?(উল্লেখ্য: মা খাবার রুমেই দিয়ে যাবেন)

প্রশ্ন ২: আমি কি বাথরুমে গিয়ে ব্রাশ করবো নাকি বেসিনের সামনে করতে পারবো?(উল্লেখ্য: আমার রুম থেকে বের হলে প্রথমে ড্রইং রুম, তার ডান দিকে বাথরুম এবং বাম দিকে বেসিন রয়েছে)

প্রশ্ন ৩: ব্রাশ করার সময় কি বাসার সদস্যদের সাথে কথা বলা যাবে? যেহেতু নবীজি হাতে হাতে কুশল বিনিময় করতেন। যদি কথা বলা যায়, কতটুকু কথা বলা যাবে? মাকে কি বলতে পারবো যে—“এই খাবার দিও, ওটা দিও না”? অথবা কাউকে জিজ্ঞেস করতে পারবো কি সে ভালো আছে কিনা?

প্রশ্ন ৪: গরমে ঘাম হলে তো দুর্গন্ধ হবে। এই অবস্থায় কী করণীয়? এছাড়া চুলও ঘামে দুর্গন্ধ হয়ে যাবে।কয়দিন পরপর গোসল করতে পারবো? (আমি নফল ইতিকাফে বসবো ৯ দিনের জন্য, ইনশাআল্লাহ)

প্রশ্ন ৫: কেউ যদি ফোনে কল দেয়, তাহলে কি ১–২ মিনিট কথা বলা যাবে?

প্রশ্ন ৬: সকালে খালা এসে কি আমার রুমটা মুছে দিতে পারবে, নাকি আমাকে নিজেই মুছতে হবে? যদি নিজে মুছি, তাহলে আবার মুছার কাপড় শুকাতে বারান্দায় যেতে হবে বা সেটা ভিজাতে বাথরুমে যেতে হবে। ৯ দিনের শেষের ৪ দিন খালা আসবে না, তখন কি আমি নিজেই রুম মুছতে পারবো? প্রতিদিন না হলেও অন্তত ২ দিন কি মুছতে পারবো?

1 Answer

0 votes
by (814,620 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
وليس لها أن تعتكف في غير موضع صلاتها من بيتها وإن لم يكن فيه مسجد لا يجوز لها الاعتكاف فيه ولا تخرج من بيتها إذا اعتكف فيه قال - رحمه الله - (ولا يخرج منه إلا لحاجة شرعية كالجمعة أو طبيعية كالبول والغائط) لما روينا من الأثر عن عائشة - رضي الله عنها - ولما روي عنها أنها قالت «كان النبي - صلى الله عليه وسلم - لا يدخل البيت إلا لحاجة الإنسان إذا كان معتكفا» متفق عليه تريد البول والغائط هكذا فسره الزهري 
ঘরের মসজিদ ব্যতীত অন্যত্র এ'তেক্বাফ করা নারীদের জন্য জায়েয নয়।যদি ঘরে কোনো মসজিদ না থাকে তথা নামাযের জন্য নির্দিষ্ট কোনো জায়গা না থাকে।তাহলে উক্ত ঘরে এ'তেক্বাফ করা জায়েয  হবে না। যখন মহিলা কোনো কামরায় এ'তেকাফ শুরু করে দিবে তখন সে মহিলা আর ঐ কামরা থেকে বাহিরে যেতে পারবে না।তবে শরয়ী প্রয়োজনে যেমনঃ জুম্মার সালাত(এটা তখনকার বিধান যখন ফিৎনা ছিলনা), এবং প্রকৃতিগত প্রয়োজন যেমন প্রস্রাব পায়খানা ইত্যাদির জন্য ঐ কামরা থেকে বাহিরে যাওয়া যাবে।
যেমন হয়রত আয়েশা রাযি থেকে বর্ণিত রয়েছে- তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এ'তেক্বাফ অবস্থায় জরুরী প্রয়োজন ব্যতীত মসজিদ থেকে ঘরে আসতেন না।জরুরী প্রয়োজন বলতে প্রস্রাব-পায়খানা উদ্দেশ্য। (তাবয়ীনুল হাক্বাঈক্ব-১/৩৫০) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1275


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) খাবারের সময় হাতকে ইতিকাফ স্থলেই ধৌত করতে হবে। 

(২) আপনি ইতিকাফ স্থলেই ব্রাশ করবেন। বাথরুমে গিয়ে কুলি করে অজু করে নিতে হবে। বাথরুমে গিয়ে ব্রাশ করলে ইতিকাফ ফাসিদ হয়ে যাবে।

(৩) ব্রাশ করতেও যেতে পারবেন না। যা কিছু বলবেন ইতিকাফ স্থলে বসেই বলবেন।

(৪) ঘামের দুর্গন্ধ হলেও আপনি নিয়মতান্ত্রিক গোসল করতে পারবেন না। হ্যা, অতিদ্রুত কয়েক মগ পানি শরীরে দেয়া যাবে।

(৫) কেউ যদি ফোনে কল দেয়, তাহলে ইতিকাফ স্থলে বসে কথা বললে যদিও ইতিকাফ ফাসিদ হবে না তথাপি কলে কথা বলা ইতিকাফের উদ্দেশ্য পরিপন্থী কাজ।

(৬) সকালে খালা এসে আপনার রুম মুছে দিতে পারবে। চাইলে নিজেও মুছতে পারবেন।তবে কাপড় শুকানোর জন্য বারান্দায় যেতে পারবেন না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by (11 points)
1.ইতিকাফরত অবস্থায় কাপড়ে সামান্য নাপাকি লাগলে কি অজুর সময় বাথরুমে সেই অংশটুকু সাবান দিয়ে ধুয়ে আসতে পারব? নাকি নতুন কাপড় পরতে হবে? উল্লেখ্য, আমার ইতিকাফ রুম থেকে বাথরুম একটু দূরে।
2.

তারাতারি একটু গায়ে পানি ঢালা যাবে। এই সময়ে কি খুব তারাতারি মাথায় সামান্য একটু শ্যাম্পু দেওয়া যাবে কোনোভাবে ?চুল অনেক তেলতেলে হয়ে আছে।


by (814,620 points)
(২) অতিদ্রুত ধৌত করা সম্ভব হলে পারবেন। তবে বেশী সময় ব্যয় হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে তখন ধৌত করতে পারবেন না। বরং নতুন কাপড় পরিধান করতে হবে।
(২) শুধুমাত্র পানি ঢালা যাবে। শ্যাম্পু ইত্যাদি চুলে দেওয়া যাবে না।

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...