আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
85 views
in পবিত্রতা (Purity) by (10 points)
আসসালামু আলাইকুম ওস্তাদ। খোলামেলা প্রশ্নের জন্য প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।জরুরী প্রশ্ন,একটু ভালো করে বুঝে উত্তর দিয়েন ইনশাআল্লাহ। এগুলো জানার জন্য আমার আর কোন বিশ্বস্ত সোর্স নেই দেখে অপারগ হয়ে এখানেই প্রশ্নগুলো করা।জাযাকাল্লাহু খয়রন।
মেয়েদের লজ্জাস্থান স্বাভাবিক ভাবেই কিছুটা আদ্র থাকে।এখানে কিছু অবস্থা বর্ণনা করছি।
(১)যোনিপথের ছিদ্রমুখ শুকনো থাকে(যা দেখে বুঝা যায় জরায়ু দিয়ে কিছু বের হয়নাই),কিন্তু এর দুপাশের যে লোমবিহীন পাপড়ির মতো ভাঁজ(ল্যাবিয়া মাইনোরা) ছিদ্রকে ঢেকে রাখে সেটার ভিতরের দিকে পিচ্ছিল ভিজা ভাব থাকে,আংগুল দিয়ে ধরলে শুধু বুঝা যায় আর দেখা যায় স্বচ্ছ সাদা পিচ্ছিল একটা তরল।কিন্তু এটা কখনই লজ্জাস্থানের বাইরের লোমশ  চামড়ার ভাঁজ(ল্যাবিয়া মেজরা) তে আসে না।
মানে এটা সবসময় ভিতরের চামড়ার ভাজেই জমে থাকে।কখনও আবার থাকে না।এটা থাকলে বা না থাকলে টেরও পাওয়া যায় না হাত দিয়ে চেক করা ছাড়া।
এর পরিমান কখনও বেশি,কখনও কম হয়,কখনও থাকেই না। এর কারণে কি অজু ভেঙে যায়? এটা প্রায় সবসময় জমে থাকে অল্প বা বেশি পরিমাণে।কিন্তু বাইরের চামড়ায় আসেই না।
আর এই আদ্রভাব কি নাপাক নাকি স্বাভাবিক?
(২)মেয়েদের ওদীর বৈশিষ্ট্য কি?
প্রস্রাবের পর ভালো করে পানি দিয়ে ধোয়ার পরও প্রস্রাবের ছিদ্র আর মাসিকের ছিদ্রের আশেপাশে পিচ্ছিল ভাব থাকে,হাত দিয়ে ধরলে স্বচ্ছ সাদা পানির মতো পিচ্ছিল তরল দেখা যায় প্রায় সবসময়।এটা কি নাপাক?
যদি নাপাক হয় তাহলে এর থেকে বাঁচতে করনীয় কী?কারন আবার ধুইলেও পরে আবার সেই পিচ্ছিল পদার্থ সাথে সাথে বের হয়ে যায়।
(৩) সাদাস্রাব বের হলে সেটা চেনা যায়।কিন্তু ঐ ওয়াটারি পিচ্ছিল পদার্থটা প্রাকৃতিকভাবেই দিনে-রাতের বেশিরভাগ সময় কম বা বেশি পরিমানে জমেই থাকেই ছিদ্রের আশেপাশে।
মনি,মযি,সাদাস্রাব এগুলার বৈশিষ্ট্য আমি জানি।আমার প্রশ্ন হল যদি মযি আর সাদাস্রাব শুধু লজ্জাস্থানের ভিতরের চামড়ার ভাজেই থাকে,বাইরের চামড়াতে না যায় বা শরীরে বা কাপড়ের কোথাও না লাগে তাহলে কি না ধুয়ে শুধু টিস্যু দিয়ে মুছে পবিত্র হওয়া যাবে?
(৪)মেয়েদের মাসিকের ছিদ্র আর প্রস্রাবের ছিদ্র তো আলাদা।শুধু এই ২ ছিদ্র কিছু বের হলেই অজু ভেঙে যাবে?নাকি ছিদ্র থেকে বের হয়ে লজ্জাস্থানের বাইরের লোমশ চামড়ার ভাজ পর্যন্ত আসা শর্ত?

1 Answer

0 votes
by (808,740 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(১) লজ্জাস্থানের ভিতরে যদি তরল কিছু থাকে, তাহলে সেই তরল পাক এবং এদ্বারা অযু ভঙ্গ হবে না।
’’ سیجیٔ أن رطوبۃ الفرج طاھرۃ عندہ۔ (در) قولہ:(الفرج)أی الداخل ، أما الخارج فرطوبتہ طاھرۃ باتفاق ۔۔۔ یدل علی الاتفاق کونہ لہ حکم خارج البدن  فرطوبتہ کرطوبۃالفم والأنف والعرق الخارج من البدن‘‘ (ردالمحتار:۱/۳۰۵، مطلب في رطوبۃ الفرج ، کتاب الطھارۃ)

(২) প্রশ্নের বিবরণমতে এটাকে কিছু মনে করা যাবে না। বরং এটা ঘামের মতই। এদ্বারা অজু ফাসিদ হবে না।

(৩) লজ্জাস্থানের ভিতরে থাকলে এদ্বারা কাপড় নাপাক হবে না। এবং অজুও ফাসিদ হবে না।

(৪) ছিদ্র থেকে বের হয়ে লজ্জাস্থানের বাইরে আসলেই কেবল অজু ভঙ্গ হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...