আসসালামু আলাইকুম ওস্তাদ। খোলামেলা প্রশ্নের জন্য প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।জরুরী প্রশ্ন,একটু ভালো করে বুঝে উত্তর দিয়েন ইনশাআল্লাহ। এগুলো জানার জন্য আমার আর কোন বিশ্বস্ত সোর্স নেই দেখে অপারগ হয়ে এখানেই প্রশ্নগুলো করা।জাযাকাল্লাহু খয়রন।
মেয়েদের লজ্জাস্থান স্বাভাবিক ভাবেই কিছুটা আদ্র থাকে।এখানে কিছু অবস্থা বর্ণনা করছি।
(১)যোনিপথের ছিদ্রমুখ শুকনো থাকে(যা দেখে বুঝা যায় জরায়ু দিয়ে কিছু বের হয়নাই),কিন্তু এর দুপাশের যে লোমবিহীন পাপড়ির মতো ভাঁজ(ল্যাবিয়া মাইনোরা) ছিদ্রকে ঢেকে রাখে সেটার ভিতরের দিকে পিচ্ছিল ভিজা ভাব থাকে,আংগুল দিয়ে ধরলে শুধু বুঝা যায় আর দেখা যায় স্বচ্ছ সাদা পিচ্ছিল একটা তরল।কিন্তু এটা কখনই লজ্জাস্থানের বাইরের লোমশ চামড়ার ভাঁজ(ল্যাবিয়া মেজরা) তে আসে না।
মানে এটা সবসময় ভিতরের চামড়ার ভাজেই জমে থাকে।কখনও আবার থাকে না।এটা থাকলে বা না থাকলে টেরও পাওয়া যায় না হাত দিয়ে চেক করা ছাড়া।
এর পরিমান কখনও বেশি,কখনও কম হয়,কখনও থাকেই না। এর কারণে কি অজু ভেঙে যায়? এটা প্রায় সবসময় জমে থাকে অল্প বা বেশি পরিমাণে।কিন্তু বাইরের চামড়ায় আসেই না।
আর এই আদ্রভাব কি নাপাক নাকি স্বাভাবিক?
(২)মেয়েদের ওদীর বৈশিষ্ট্য কি?
প্রস্রাবের পর ভালো করে পানি দিয়ে ধোয়ার পরও প্রস্রাবের ছিদ্র আর মাসিকের ছিদ্রের আশেপাশে পিচ্ছিল ভাব থাকে,হাত দিয়ে ধরলে স্বচ্ছ সাদা পানির মতো পিচ্ছিল তরল দেখা যায় প্রায় সবসময়।এটা কি নাপাক?
যদি নাপাক হয় তাহলে এর থেকে বাঁচতে করনীয় কী?কারন আবার ধুইলেও পরে আবার সেই পিচ্ছিল পদার্থ সাথে সাথে বের হয়ে যায়।
(৩) সাদাস্রাব বের হলে সেটা চেনা যায়।কিন্তু ঐ ওয়াটারি পিচ্ছিল পদার্থটা প্রাকৃতিকভাবেই দিনে-রাতের বেশিরভাগ সময় কম বা বেশি পরিমানে জমেই থাকেই ছিদ্রের আশেপাশে।
মনি,মযি,সাদাস্রাব এগুলার বৈশিষ্ট্য আমি জানি।আমার প্রশ্ন হল যদি মযি আর সাদাস্রাব শুধু লজ্জাস্থানের ভিতরের চামড়ার ভাজেই থাকে,বাইরের চামড়াতে না যায় বা শরীরে বা কাপড়ের কোথাও না লাগে তাহলে কি না ধুয়ে শুধু টিস্যু দিয়ে মুছে পবিত্র হওয়া যাবে?
(৪)মেয়েদের মাসিকের ছিদ্র আর প্রস্রাবের ছিদ্র তো আলাদা।শুধু এই ২ ছিদ্র কিছু বের হলেই অজু ভেঙে যাবে?নাকি ছিদ্র থেকে বের হয়ে লজ্জাস্থানের বাইরের লোমশ চামড়ার ভাজ পর্যন্ত আসা শর্ত?