১। নিজেকে দ্বীনদার ও আমলদার মনে হলে করনীয় কী?
২৷ রিয়া থেকে বাচঁার জন্য আমল গোপন রাখার জন্য মিথ্যা বলা জায়েজ কিনা? যেমন কেউ আমাকে জিজ্ঞাসা করলো তাহাজ্জুদ পড়িনা- আমি বললাম না তেমন পড়তে পরিনা। যদিও লাস্ট ১৫দিন নিয়মিত পড়েছি কিন্তু সারাজীবনের হিসাবে তো সত্য । আবার কেউ রাত্রিজাগরণের কথা জিজ্ঞাসা করলে তাহাজ্জুদ বা ইবাদতের কথা বলে দুনিয়াবি কোন কাজের কথা বললাম, যেমন পড়াশোনা করেছি ।
৩। হিংসার গুনাহ থেকে বাঁচায় উপায় কী? যার প্রতি হিংসা আসে তার উলটো আরো উন্নতির দোয়া করি এবং মানুষের কাছে তার প্রসঙসা করি৷ এতটুকুই কী যথেষ্ট?
৪৷ আমার মাঝে মাঝে মনে হয় আমি যে সত্যিই ঈমানদার এর প্রমান কী? আমার মাঝে লুকায়িত কোন কুফর নাই যে এর ই বা প্রমান কী? বা আমি সংশয়বাদী নই অর্থাৎ যদি পরকাল থাকে তাহলে কী হবে এই ভয়ে ইবাদত করছি এমনটা যে নয় তার ই বা প্রমান কী? (এমনটা মনে হওয়ার কারন রমজান বাদে অন্য ১১মাসের বেশীর ভাগ সময় আমি হেদায়াতের উপর অটল থাকতে পারিনা, অনেক বছর ধরে দোয়া করে আসছি তবুও কেনো জানিনা রমজান শেষ হওয়ার কিছু দিনের মধ্যেই পথভ্রষ্ট হয়ে যাই)