আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
51 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (4 points)
সম্মানিত মুফতি সাহেব,


আসসালামু আলাইকুম। আমি একটি বিষয়ে অত্যন্ত মানসিক দুশ্চিন্তা ও ওয়াসওয়াসার (সন্দেহ) মধ্যে আছি। অনুগ্রহ করে হানাফী মাযহাবের আলোকে সমাধান দিলে কৃতজ্ঞ হব। আমার সামনে বিয়ে কি সপ্তার মধ্যে উত্তর দরকার অনেক


ঘটনার বিবরণ:


১. আজ থেকে প্রায় ৬ বছর আগে (যখন আমার বয়স ছিল ১৬ বছর) অন্য দেশের এক ছেলের সাথে আমার ইন্টারনেটে পরিচয় হয়। আমাদের মধ্যে দীর্ঘ সময় মেসেজ ও অডিও কলে যোগাযোগ ছিল। আমরা কখনো ভিডিও কলে কথা বলিনি এবং বাস্তবে আমাদের কোনোদিন দেখাও হয়নি।


২. আমাদের মধ্যে মেসেজে সহবাসের মতো অশালীন কথা ও ছবি আদান-প্রদান হয়েছে কিন্তু নুডস না এবং আমরা একে অপরকে স্বামী-স্ত্রী বলে সম্বোধন করতাম।


৩. আমার অস্পষ্ট মনে পড়ে যে, আমরা কি কখনো অডিও কল বা মেসেজে তিনবার 'কবুল' বলেছিলাম কি না। কিন্তু আমি নিশ্চিত নই। আমার মনেহয় যদি এমন হয়ে থাকে তাহলে হয়তো সেখানে তার কয়েক বন্ধু উপস্থিত ছিল, কিন্তু আমার পাশে কোনো সাক্ষী ছিল না। আমি সম্পূর্ণ একা ছিলাম এবং আমার 'কবুল' সরাসরি শোনার মতো কোনো মানুষ সাক্ষী আমার পাশে ছিল না। কিন্তু আমার মনে এইটা আসে যে যদি ছেলে পাশে যে বন্ধু ছিল তারা তো আমার কথা শুনেছে বা মেসেজ দেখেছে বা আমার মেসেজ যদি ছেলে টা তার বন্ধুদের পরে শুনিয়ে থাকে বা অডিও কল হলে তারা যদি আমার কথা শুনে থাকে বা যদি কবুল বলতে ওর বন্ধু রে শিখিয়ে দিয়ে থাকে তারপর আমরা বলে থাকি


৪. বর্তমানে ৬ বছর পর আমি সেই ছেলেকে জিজ্ঞেস করলে সে জানায় যে, আমার মনে পড়ে না যে আমরা এইগুলা বলেছিলাম আমাদের মধ্যে কোনো বিয়ে হয়নি এইভাবে বিয়ে হয় না এবং সে এমন কিছু বলেনি। তবুও মনের খটকা দূর করতে আমি তাকে 'ডিভোর্স' বা 'তালাক' বলতে বলি এবং সে তা বলেছে।


এমতাবস্থায় আমার প্রশ্নসমূহ হলো:


১. উকত অবস্থায় দুই দেশে থাকা অবস্থায় শুধু মেসেজ বা অডিও কলে এভাবে 'কবুল' বললে কি আমাদের মধ্যে শরীয়তসম্মত কোনো 'নিকাহ' বা বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে?


২. যেহেতু আমাদের কোনোদিন সশরীরে দেখা হয়নি এবং কোনো শারীরিক মিলন বা বাস্তব নির্জনবাস (খালওয়াতে সহিহা) ঘটেনি, শুধু মেসেজের এর মাধ্যমে সহবাস হয়েছে এইসব কথা হয়েছে , তাই এই পরিস্থিতিতে তালাকের পর আমার ওপর কি কোনো ইদ্দত পালন করা ওয়াজিব?


৩. আমি কি এখন ইদ্দত ছাড়াই ১০ দিন পর অন্য কোথাও নতুন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারব? এবং আমার কি ঐটা বিয়ে এ হয় নি


আমার এই বিবরণ অনুযায়ী বলেচেন বিয়ে হয় নাই এখন এইটা একটু বলেন সামনে আমার বিয়ে হুজুর তাই প্রশ্ন করছি বিবরণ অনুযায়ী ওই সময় আমার পাশে মানুষ ছিল কি না আমার মনে নাই। মানুষ থাকলে ও আমার আম্মু ও বোন থাকতে পারে কিন্তু আমি মোবাইল এ কি করেছি তারা দেখে নাই বা শুনে নাই তাহলে কি কিসু হবে বিয়ে কি হয় নি ঐটা জানাবেন প্লীজ আমার এক সপ্তাহ পর আমার বিয়ে


উক্ত বিবরণ অনুযায়ী বলেছেন যে সাক্ষী থাকা লাগবে তাহলে

আমাকে একটু বিস্তারিত বলেন দোয়া করে


১. এখারে সাক্ষী বলতে কী বুঝিয়েছেন হুজুর সাহেব


2, ওই ছেলের পাশে তো ওর বন্ধুরা ছিল বা থাকতে পারে ৪-৫ জন বন্ধু বা এর থেকে বেশি বন্ধু থেকে থাকে কারণ আমি তো জানি না বা ওর যদি শিখায় দিয়ে থাকে কবুল বলতে ছেলেকে তাহলে যদি অডিও কল এ কবুল বলে থাকি এবং ওরা আমার কথা শুনে থাকে বা যদি মেসেজ এ বলে থাকি যদি তারা আমার ওই মেসেজ দেখে থাকে বা ওই ছেলে যদি উচ্চস্বরে আমার মেসেজ পরিয়ে শুনিয়ে থাকে বা ওর বন্ধু দের সাথে যদি কোনো ভাই থেকে থাকে কারণ আমি তো জানি না তাহলে কি বুঝাচ্ছেন একটু দোয়া করেন একটু বিস্তারিত বলেন হ্জুর আমার সামনে বিয়ে 1 সপ্তাহ পর দোয়া করে বলেন

1 Answer

0 votes
by (805,140 points)

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।

আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে।
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না ।
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন।
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।
https://idaars.com/courses/waswasa/

বিঃদ্র
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...