আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ।
২০২২ সালে একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার জন্য আমি আমার খালাতো ভাইয়ের স্ত্রীর কাছ থেকে একটি রূপার সেট (তাদের ভাষ্যমতে প্রায় ৫ ভরি) ধার নিয়েছিলাম। সেটটি আমি ব্যবহার করিনি, যেভাবে নিয়েছিলাম সেভাবেই প্যাকেট করা অবস্থায় ছিল। পরবর্তীতে বাসা পরিবর্তনের কারণে বিষয়টি আমার মনে ছিল না, তাই তখন সেটটি ফেরত দেওয়া সম্ভব হয়নি।
২০২৪ সালে বিষয়টি মনে পড়লে আমি আমার স্বামীর মাধ্যমে সেটটি ফেরত পাঠাই। আমার স্বামী তাদের বাসার নিচে গিয়ে সরাসরি আমার খালাতো ভাইয়ের হাতেই সেটটি দিয়ে আসেন। কিন্তু কিছুদিন আগে আমার খালাতো ভাই ফোন করে জানতে চান কেন এখনো তাদের সেটটি ফেরত দেওয়া হয়নি এবং দ্রুত সেটটি ফেরত দিতে বলেন। তখন আমার স্বামী তাকে জানান যে, তিনি ইতোমধ্যে সেটটি তার হাতেই দিয়ে এসেছেন। কিন্তু তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন এবং দাবি করেন যে তার কাছে কোনো সেট দেওয়া হয়নি।
বর্তমানে তারা বিভিন্ন জায়গায়—রাস্তা-ঘাটে, আত্মীয়-স্বজনের বাসায় গিয়ে এবং ফোন করে—আমাকে ও আমার স্বামীকে অপমান ও অপদস্থ করছেন। আমি পর্দা করি, তাই আমাকে কটূক্তি করে বলা হচ্ছে যে, ঘরে বসে হুজুর সেজে চুরি করলে হবে না, রাস্তায় নেমে চুরি করতে। এতে আমি মানসিকভাবে খুব কষ্ট পাচ্ছি।
এদিকে বর্তমানে আমার আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ। এই মুহূর্তে নতুন করে সেই রূপার সেট বা তার বর্তমান মূল্য পরিশোধ করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। উল্লেখ্য, সেটটি তারা ২০০৫ সালে কিনেছিলেন, তখন রুপার দাম অনেক কম ছিল; কিন্তু বর্তমানে এর মূল্য অনেক বেশি।
প্রশ্ন: এমন পরিস্থিতিতে শরীয়তের দৃষ্টিতে আমার করণীয় কী?