আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
103 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (10 points)
আসসালামু আ'লাইকুম। আমি একজন মেয়ে, জীবনে প্রথমবার আম্মুর অনুমতি নিয়ে সুন্নত ইতেকাফ করছি বাসায় একটা রুমে।এর আগে নফল ইতেকাফ করতাম।এই প্রথম ১০ দিনের নিয়তে বাসায় একটা পুরো রুম এ ইতেকাফ করি যেখানে বাথরুম সহ এটাচ।আজকে একটা ঘটনা ঘটে এখন বুঝতে পারছিনা আমার ইতেকাফ ফাসিদ হয়ে গেছে কিনা।

১)আমি যে রুমে বসি সেখানে ভাইয়া আম্মু ভাবি এসে আমার সাথে একই থালে ইফতার করে যায় এতে কি ইতেকাফ ফাসিদ হবে?

২)আমার ভাইয়ের ছেলে ৮ মাস বাসায় আম্মু আর ভাবী কাজের বেশি জরুরত হলে বাবুকে আমার কোলে দিয়ে যায়,আমি দোয়া যিকির করার পাশাপাশি বাবুকে কোলে রাখি,ঘুম পারায়,মাঝে মাঝে আদর করি এ কারণে কি ইতেকাফ ফাসিদ হয়ে যাবে?

৩)আমি ৩ দিন সাধারণ গোসল করিনাই যেহেতু এটা বারণ। আমি ইস্তেঞ্জা করার সময় কাপড় নিয়ে যায় একটু গায়ে পানি ঢেলে আসি এতে কি ইতেকাফ ফাসিদ হবে?

৪)যখন বিশ্রাম নেয়,মোবাইল এ বিভিন্ন স্কলারের ইসলামিক পোস্ট পড়ি,তাদের ওয়াজ শুনি এতে কি ইতেকাফ নষ্ট হবে?

৫)আজকে যে ঘটনা টা ঘটেছে সেটা বলছি,আজকে ভাইয়ার ঢাকার শশুড়বাড়ি থেকে চট্টগ্রাম এ আমাদের বাসায় ইফতার এর ডালা পাঠানো হয়েছে এর আগে আমরা পাঠিয়েছিলাম।তো আজকে আমাদের বাসায় ডালা পাঠানোর পর ভাইয়ারা ডালা আমার রুমে নিয়ে আসে একসাথে ইফতার করবে বলে।আমি তখনো কোনো কথা বলিনি জাস্ট ছবি তুলে দিতে হয়েছিলো তাই দিয়েছি এতে কি ইতেকাফ ভেংগে গেছে?

৬)বিপত্তি বাধলো তারপরে,ডালা যে পেইজ থেকে পাঠিয়েছে সে পেইজ থেকে ভুলে অন্যডালা পাঠিয়ে দিয়েছে মানে আমাদের এখানে ৪ জন এর ডালার জায়গায় ৮ জন এর ডালা পাঠানো হয়েছে।এগুলা নিয়ে ঝামেলা হয়।আমি মাঝে ২ এক লাইন কথা বলি জাস্ট এর মধ্যে ভাইয়ারা বার বার আসা যাওয়া করে। আর অন্যদিকে ডালা টা আবার ফেরত পাঠানোর জন্য পেকেজিং করতে হয় এখন পেকেজিং করার সময় আমার হেল্প লাগছিলো,আমি মুখে কোনো কথা না বলে পেকেট করতে লাগলাম, পেকেট করা শেষে,পরিস্থিতি ঠান্ডা করতে দুই তিন লাইন কথা হয় যে,"থাক বাদ দেন ভাইয়াকেও গরম হতে বারণ করেন,খাবার আমাদের টা আসলে এটা ফেরত দিয়ে দিব" এও টাইপ্সের।এরপর আমি ইফতার করি আর আর নামাজ দোয়া কোরআন পড়ি, বাবুকে এর মধ্যে ঘুমও পাড়িয়ে দেয়।এসব এর কারণে কি আমার ইতেকাফ ভেংগে গেছে? সওয়াব পাবোনা?

৭) ঘটনা এখানেই শেষ হলেও হতো,হয়নি। অইদিকে যিনি পেইজ ওনার ভাইয়ার সাথে মিস বিহেভ করে,ওনার দোষ উনি শিকার করতে চাচ্ছেন না। আমার ভাইকে গজব দেয় অথচ ওনার সুবিধার জন্য আমরা পেকেজিং সহ করে দেয় কারণ রোযার দিন, অন্য মানুষ গুলোও ত ইফতার করার জন্য বসে আছে যদিও ঘটনা ঘটতে ঘটতে প্রায় ৬.৩০টা বেজে গেছে।অইদিকে পেইজ ওউনার ভাইয়াকে পুলিশ নিয়ে আসার হুমকি দেয় এসব কথা সব আমার রুম এর বাইরে হচ্ছে আমার এখান থেকে শোনা যাচ্ছে।আধা ঘন্টা পর ঝামেলা মিটলে।আমাদের জন্য যে ডালা আসার তা আসে,এবং আবার ভাইয়ারা আমার রুমে নিয়ে আসে একসাথে খায়।এসময় ভাবি আর ভাইয়া ঘটনা বলছিলো এখানে পুরো দোষটাই মহিলার,আমি বললাম,"বাদ দেন আজকে ক্বদ রের রাত ওর কথা না বলায় ভালো, আমরা কেমন এটা ওই মহিলা কে জাহির না করলেও হবে।আল্লাহ সব দেখছে আল্লাহর কাছে পরিষ্কার থাকলেই হলো!" এটুকুই বলেছি আর ডালার একটা ছবি তুলে রাখতে বলেছি।আর ওই মহিলা যেহেতু ভাইয়াকে মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছিলো wp এ আমি ঝগড়া এড়িয়ে ওনাকে কয়েকটা লাইন লিখেছি, আপনার যাকে আনার আনেন আমি তার সামনে এক্সপ্লেইন করবো আপনাকে জাহির করব না আমি কেমন।বাস এটুকুই মোট কথা সব আমার ইতেকাফ এর রুমে ঘটে আমি বের হয়নি যা বলার এখানেই বলেছি। এরপর সবাই খাওয়া দাওয়া শেষে আমার রুম থেকে চলে যায়,এখন আমার দুশ্চিন্তা হচ্ছে,এই যে দুনিয়াবি কাজে আমার অংশগ্রহণ,কথোপোকথন।আমার কি ইতেকাফ ভেংগ্র গেছে??? আমি কি সওয়াব থেকে বঞ্চিত হলাম?

৮)যদি ইতেকাফ ভেংগে যায়,আমি কাযা আদায় কখন করবো? একেবারে রমজান এর শেষে? নাকি কালকে অথবা পরশু এর কাযা আদায় করতে পারব?মানে রমজানের ভিতত কাযা আদায় করার নিয়ম আছে?

আর আরেকটা প্রশ্ন আমার ইতেকাফ এ ঢুকার পর থেকে খালি মনে হচ্ছে আমার আমল কিছুই হচ্ছেনা আমার এগুলা লোক দেখানো হচ্ছে কিছুই হচ্ছেনা অথচ আমি সব কিছু করার ট্রাই করে গেছি এমন্টা মনে হবার কারণ? এটা কি শয়তান এর ধোকা?খালি মনে আসতেসে,ইবাদাত করে কি হবে,আল্লাহর কাছে চেয়ে কি হবে?নাউযুবিল্লাহ।

বড় হয়ে যাওয়ার জন্য আফওয়ান।আমি বুঝতে পারিনি এমন কিছু হবে।
by
৯) আরেক্ট প্রশ্ন বাকি ছিলো,পরে মহিলাটার সাথে আমার মেসেঞ্জার এ, ওনার পেইজের কমেন্ট এ কথা মানে লিখে,উনি ওপেন লি মানে পাবলিকলি মিথ্যা অপবাদের মিথ্যা ঘটনা সাজিয়েছেন।আমি সেটার সত্যতা ওনাকে বলেছি উনি মানতে নারাজ,এরপর উনি ব্যান করে দেয় আমাকে।এগুলো আমি আমার রুম থেকেই করেছি,কয়েক বার মেসেজ আদান প্রদান হয়েছে?আমার ইতেকাফ মনে হচ্চে ভেংগে গেছে,আসলে ওনার মিথ্যা অপবাদ দেখে সবাই অনেক কষ্ট পেয়েছে আজকে উত্তর দিয়ে ফেলেছি এখন আফসোস হচ্ছে।আমাকে একটু জানান আমার কি কাযা আদায় করতে হবে? এই রমজান এ করতে পারব? সেক্ষেত্রে কি একবার বের হয়ে আবার ইতেকাফ এর নিয়ত এ বসতে হবে? আমার আজকের রাত টা শেষ করে দিলো।এজন্য আমি ইতেকাফ নিয়ে আতংকে থাকতাম।কারণ ঘরে ইতেকাফ করা মানে সব ঘটনার সাক্ষী থাকা।এখন মেয়ে হয়ে ঘরে করা ছাড়াও উপায় নাই।আমাকে একটু জানাবেন প্লিজ।

1 Answer

0 votes
by (769,290 points)
জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم 

ইতেকাফরত অবস্থায় বান্দা নিজেকে আল্লাহর ইবাদতের জন্য দুনিয়ার অন্যান্য সকল বিষয় থেকে আলাদা করে নেয়। ঐকান্তিকভাবে মশগুল হয়ে পড়ে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের নিরন্তর সাধনায়। এতেকাফ ঈমান বৃদ্ধির একটি মূখ্য সুযোগ। সকলের উচিত এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজের ঈমানী চেতনাকে প্রাণিত করে তোলা ও উন্নতর পর্যায়ে পৌছেঁ দেয়ার চেষ্টা করা।
কুরআনুল কারিমে বিভিন্নভাবে ইতেকাফ সম্পর্কে বর্ণনা এসেছে। আল্লাহ্ তায়ালা বলেন, আমি ইবরাহীম ও ইসমাইলকে আদেশ করলাম, তোমরা আমার গৃহকে তাওয়াফকারী, এতেকাফকারী ও রুকু-সেজদাকারীদের জন্য পবিত্র করো। (বাকারাহ-125)
আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন, তোমরা মসজিদে এতেকাফ কালে স্ত্রীদের সাথে মেলামেশা করো না। (বাকারাহ-187)
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অসংখ্য হাদীস এতেকাফ সম্পর্কে বর্ণিত হয়েছে, তার মধ্য হতে কিছু হাদীস নিচে উল্লেখ করা হল:
রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমজানের শেষ দশ দিন এতেকাফ করতেন। (বুখারি-2025)
রসুলুল্লাহ (সাঃ) রমজানের শেষের দশকে এতেকাফ করেছেন, ইন্তেকাল পর্যন্ত। এরপর তাঁর স্ত্রী গণ এতেকাফ করেছেন। (বুখারি-2026)
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রতি রমজানে দশ দিন এতেকাফ করতেন, তবে যে বছর তিনি পরলোকগত হন, সে বছর তিনি বিশ দিন এতেকাফে কাটান। (তিরমিযী-808)

উত্তম হল নফল ইবাদত বেশী বেশী করা। যেমন সলাত আদায়, কুরআন তিলাওয়াত, যিকির-আযকার, তাসবীহ-তাহলীল তথা সুবহানাল্লাহ, আল-হামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার, তাওবাহ-ইস্তেগফার, দু‘আ, দুরূদ ইত্যাদি ইবাদতে সর্বাধিক সময় মশগুল থাকা। 

তাছাড়া শরীয়া বিষয়ক ইলম চর্চা করা।
পার্থিব ব্যাপারে কথাবার্তা বলা, অনর্থক গল্পগুজব ও আলোচনা থেকে বিরত থাকা উচিত, তবে পারিবারিক কল্যাণর্থে বৈধ কোন বিষয়ে অল্পস্বল্প কথাবার্তা বলার মধ্যে কোন দোষ নেই।

আরো জানুনঃ- 

হাদীস শরীফে এসেছেঃ

حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ بَقِيَّةَ، أَخْبَرَنَا خَالِدٌ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، - يَعْنِي ابْنَ إِسْحَاقَ - عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا قَالَتِ السُّنَّةُ عَلَى الْمُعْتَكِفِ أَنْ لاَ يَعُودَ مَرِيضًا وَلاَ يَشْهَدَ جَنَازَةً وَلاَ يَمَسَّ امْرَأَةً وَلاَ يُبَاشِرَهَا وَلاَ يَخْرُجَ لِحَاجَةٍ إِلاَّ لِمَا لاَ بُدَّ مِنْهُ وَلاَ اعْتِكَافَ إِلاَّ بِصَوْمٍ وَلاَ اعْتِكَافَ إِلاَّ فِي مَسْجِدٍ جَامِعٍ

ওয়াহব  ইবন  বাকীয়্যা ......... আয়েশা  (রাঃ)  হতে  বর্ণিত।  তিনি বলেন,  ই‘তিকাফের  জন্য  সুন্নাত  এই  যে,  সে  যেন  কোন  রোগীর  পরিচর্যার  জন্য  গমন  না  করে,  জানাযার  নামাযে  শরীক  না  হয়,  স্ত্রীকে  স্পর্শ  না  করে  এবং  তার  সাথে  সহবাস  না  করে।  আর  সে  যেন  বিশেষ  প্রয়োজন  ব্যতীত  মসজিদ  হতে  বের  না  হয়।  রোযা  ব্যতীত  ই‘তিকাফ  নেই  এবং  জামে  মসজিদ  ব্যতীত  ই‘তিকাফ  শুদ্ধ  নয়।

(আবু দাউদ ২৪৬৫)

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ النُّفَيْلِيُّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى، قَالَا: حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلَامِ بْنُ حَرْبٍ، أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ بْنُ أَبِي سُلَيْمٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ قَالَ النُّفَيْلِيُّ - قَالَتْ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَمُرُّ بِالْمَرِيضِ، وَهُوَ مُعْتَكِفٌ، فَيَمُرُّ كَمَا هُوَ، وَلَا يُعَرِّجُ يَسْأَلُ عَنْهُ،

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ই‘তিকাফরত অবস্থায় রোগীর কাছে যেতেন এবং তাকে দেখেই চলে যেতেন, সেখানে (অবস্থান করে) তাকে কিছু জিজ্ঞেস করতেন না। ইবনু ঈসা (রহ.)-এর বর্ণনায় রয়েছেঃ ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ই‘তিকাফ অবস্থায় রোগী দেখতে যেতেন।

(আবু দাউদ ২৪৭৩. মিশকাত (২১০৫)।

★এতেকাফকালীন রাসুল মসজিদে সকলের থেকে আলাদা করে একটি তাঁবু-সদৃশ টানিয়ে দেওয়ার আদেশ দিতেন। সকল হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে তাতে তিনি আল্লাহর একান্ত সান্নিধ্য যাপন করতেন। অন্তরের যাবতীয় একাগ্রতা ও মনোযোগ, আল্লাহর জিকির, বিনয়-বিনম্রতার সাথে নিজেকে তার দরবারে সমর্পণ যেন হয় অন্তরের একমাত্র চিন্তা ও ধ্যান—এ উদ্দেশ্যেই রাসুল নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে একান্ত সময় যাপন করতেন। 

আবু সাইদ রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন : রাসুল এক তুর্কি তাঁবুতে এতেকাফে বসলেন, যার প্রবেশমুখে ছিল একটি চাটাইয়ের টুকরো। তিনি বলেন : রাসুল সে চাটাইটি হাতে ধরে একপাশে সরিয়ে রাখলেন এবং মুখমন্ডল বের করে মানুষের সাথে কথোপকথনে নিয়োজিত হলেন। [ইবনে মাজা : ১৭৭৫।]

https://www.ifatwa.info/17520 নং ফাতাওয়ায় উল্লেখ রয়েছে যে,
ইতিকাফের শর্ত ২ টি। যথা
ক. নিয়ত করা।
খ. মসজিদে অবস্থান করা।

ইতিকাফের শর্ত পূরণের জন্য আবশ্যকীয় হলো,
ক. মুসলমান হওয়া
খ. জ্ঞান থাকা
গ. বড় নাপাকী থেকে পবিত্র থাকা, গোসল ফরয হলে গোসল করে নেয়া।
ঘ. মসজিদে ই‘তিকাফ করা।

ইতিকাফ যে সকল কারণে ভঙ্গ হয়ে যায় তা হলো :
১. স্বেচ্ছায় বিনা প্রয়োজনে মাসজিদ থেকে বের হলে।
২. কোন শিরক বা কুফরী কাজ করলে।
৩. পাগল বা বেঁহুশ হয়ে গেলে।
৪. নারীদের হায়েয-নিফাস শুরু হয়ে গেলে।
৫. স্ত্রীসহবাস বা যে কোন প্রকার যৌনসম্ভোগ করলে।

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন, 

(০১)
প্রশ্নের বিবরণ মতে আপনার ইতেকাফ ফাসিদ হবেনা।

২) এ কারণে ইতেকাফ ফাসিদ হয়ে যাবেনা।

৩) এতে আপনার ইতেকাফ ফাসিদ হবেনা।

৪) এতে ইতেকাফ নষ্ট হবেনা।

৫) এতে  ইতেকাফ ভেংগে যায়নি।

৬) ইতকাফের রুমে থেকে এগুলো করলে এসব এর কারণে আপনার ইতেকাফ ভেংগে যায়নি। আপনি ইতেকাফের ছওয়াব পাবেন।

৭) ইতেকাফের রুমে থেকে এগুলো করলে এসব এর কারণে আপনার ইতেকাফ ভেংগে যায়নি। আপনি ইতেকাফের ছওয়াব পাবেন।

৮) প্রশ্নের বিবরন মতে আপনার ইতেকাফ যেহেতু ভেঙ্গে যায়নি, তাই সেটির কাজা আদায়ের প্রয়োজনীয়তা নেই।

(০৯)
ইতেকাফের রুমে থেকে এগুলো করলে এসব এর কারণে আপনার ইতেকাফ ভেংগে যাবেনা।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by
জাঝাকুমুল্লাহু খইরন দ্রুত উত্তর দেওয়ার জন্য

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 485 views
...