আসসালামু আলাইকুম। আশা করি ভালো আছেন। সবগুলো প্রশ্নের উত্তর দিলে উপকৃত হতাম।
১) তখন আমার রোজা ফরজ ছিল কিন্তু ঐদিন সেহরিতে উঠতে না পারায় রোজা রাখতে পারেনি। জানতাম না রোজা রাখতেই হবে। নাবালেগ থাকাকালীন সময় আমি কিছু রোজা রেখেছিলাম। এখন এক্ষেত্রে আমার কাজা আসবে নাকি কাফফারা আসবে বা আগে যে নাবালেগ থাকাকালীন রোজা রেখেছিলাম তাতেই হয়ে যাবে?
২) রোজার মাসে শুধু রোজা থাকাকালীন অর্থাৎ সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত দান করলে কি ৭০ গুণ সওয়াব হবে?
৩) রোজামাসে সন্ধ্যার পরেও দান করলে কি ৭০ গুণ বেশি সওয়াব হবে?
৪) এক সময় পাক পবিত্রতার বিষয়গুলি এত মানা হতো না এবং জানাও ছিল না তেমন। বারান্দার দরজায় কখনো নাপাক লেগেছিল কি তা জানিনা। তবে বারান্দা থেকে ভেজা কাপড় আনতে অনেক সময় দরজায় লাগে। আবার দরজাটা কাঠের। দরজাটা কাঠের হওয়ায় কি ধরে নেব এটায় কখনো নাপাক লাগলেও দরজা শুষে নিয়েছে? গন্ধ শুকেছিলাম নাপাকির গন্ধ পাই নি। তবে বুঝতেছিনা ভেজা কাপড় এটাতে লাগাতে কি গন্ধ চলে গিয়েছে?
৫) সেদিন কাপড় বাহির থেকে আনার সময় কিছু কাপড় ভেজা ছিল অনেকটা। যা দরজা, পর্দাতে এবং অন্য একজন ব্যক্তি আনতে ছিল আমার কাপড় যা তার গায়ে লাগছিল। ঐ ব্যক্তি পাক-পবিত্রতা নিয়ে কম সচেতন, তবে সালাত পরে। এখন আমার এ কাপড় কে পাক ধরবো?
জাযাকাল্লাহু খাইরান