আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
70 views
in সাওম (Fasting) by (7 points)
আসসালামু আলাইকুম।

এক্ষেত্রে কিছু ব্যাপার জানার ছিলো: মলমের পরিমাণ লালার চেয়ে কম বা বেশি ছিল তা জানা নাই, তবে মলমের পরিমান কম ছিল যেহেতু আগেই হাত পরিষ্কার করা হয়েছিল। কোন স্বাদ অনূভূত হয়নি কিন্তু সামান্য পেট ব্যাথা করেছিল, যা এই মলমের কারণে আগেও হয়েছিল।

এক্ষেত্রে কি করনীয়?

1 Answer

0 votes
by (764,700 points)
জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم

সুফিয়ান সাওরী রহ. বলেন, ‘রোযা অবস্থায় কুলি করতে গিয়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে গলার ভেতর পানি চলে গেলে রোযা ভেঙ্গে যাবে এবং তা কাযা করতে হবে। (মুসান্নাফে আবদুর রাযযাক: ৭৩৮০)

https://www.ifatwa.info/1199 নং ফাতাওয়ায় উল্লেখ রয়েছে যে,
রোযাবস্থায় ভেসলিন বা লিজেল ব্যবহার করাতে কোনো সমস্যা নাই। কেননা তা সাধারণত গলা দিয়ে পাকস্থলীতে গিয়ে প্রবেশ করে না।তবে হ্যা যদি তা এত অধিক পরিমাণে হয় যে, তা মূখের লালার সাথে মিলিত হয়ে আধিক্যতার সাথে পাকস্থলীতে গিয়ে প্রবেশ করে, তাহলে তখন রোযা ভঙ্গ হয়ে যাবে।

ঠিক তেমনিভাবে নামাযেও কোনো সমস্যা হবে না।তবে লালার চেয়ে ভেসলিনের আধিক্য থাকলে এবং গিলে ফেললে তখন নামায ফাসিদ হয়ে যাবে।
যেমন ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়ায় বর্ণিত রয়েছে-
وَلَوْ ابْتَلَعَ دَمًا بَيْنَ أَسْنَانِهِ لَمْ تَفْسُدْ إذَا كَانَتْ الْغَلَبَةُ لِلرِّيقِ. كَذَا فِي السِّرَاجِ الْوَهَّاجِ.
যদি দাতের মাড়ি থেকে রক্ত নির্গত হয়ে লালার সাথে মিলিত হয়ে যায় এবং গিলে ফলে তাহলে ততক্ষণ পর্যন্ত নামায ফাসিদ হবে না যতক্ষণ লালার আধিক্য থাকবে।(ফাতাওয়ায়ে হহিন্দিয়া-১/১০২)

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই,

প্রশ্নে উল্লেখ রয়েছেঃ- "কোন স্বাদ অনূভূত হয়নি কিন্তু সামান্য পেট ব্যাথা করেছিল, যা এই মলমের কারণে আগেও হয়েছিল"

ইতিপূর্বেও মলম আপনার পেটে যাওয়ার পর পেট ব্যথা করেছিল, এর দ্বারা নিশ্চিত হওয়া যায় যে মলম আপনার পেটে গিয়েছে।

সুতরাং মলম পেটে যাওয়া সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ায় আপনার উক্ত রোজা ভেঙ্গে গিয়েছে।

পরবর্তীতে এর কাজা আদায় করে নিতে হবে। এক্ষেত্রে কাফফারা আবশ্যক হবেনা। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...