আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
57 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (15 points)
আসসালামু আলাইকম শায়খ
আমার শাশুড়ি আমার উপর অনেক অন্যায় ব্যবহার করেছে,মিথ্যা অপবাদ,দিনের পর দিন জুলুম করে মানসিক শারিরীক ভাবে অসুস্থ করে দিছে,েএতোটাই ছলনাময়ী যে বার বার অন্যায় করার পর ও এমন ভান করে সবার সামনে যেনো সে কোন অন্যায়ই করেনি,
এখন আমি বাবার বাড়ি চলে আসছি,এবং আমি তার সাথে কথা বলি নাহ,যে এতো যন্ত্রনা দেয়, মুখোশ পড়ে বসে থাকে তার সাথে কথা বলাটাও নিজেকে শাস্তি দিয়া মনে হয়, কথা বল্লেই সে ছলনা করবে, সবাইর সামনে এক রুপ ধরে পিছনে আমার প্রতি জুলুম করছে,এতোটা মানসিক যন্ত্রণা দিয়েছে যে আমি অসুস্থ হয়ে গিয়েছিলাম কষ্টে কষ্টে, এখন আমি যদি তার সাথে দীর্ঘদিন না কথা বলি তাহলে কি গুনাহ হবে? সেতো আমার ভালোচায় নি, বলা যায় শত্রুর থেকে কম ক্ষতি করেনি, কম ক্ষতি করে নি,তার ক্ষতি থেকে বাঁচতে আমি যদি না কথা বলি এবং তার দিয়া কস্টের কারনে আমি তাকে ঘৃনা করি
তাই কথা যদি না বলি তাতে কি গুনাহ হবে যেহেদু কথা বল্লে ক্ষতির সম্ভবনা রয়েছে?

1 Answer

0 votes
by (805,980 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
আল্লাহ্ তা‘আলা যালিমদের জন্য জাহান্নামে কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা রেখেছেন। যা তাকে গ্রহণ করতেই হবে।

আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
«إِنَّا أَعْتَدْنَا لِلظَّالِمِيْنَ نَارًا، أَحَاطَ بِهِمْ سُرَادِقُهَا، وَإِنْ يَّسْتَغِيْثُوْا يُغَاثُوْا بِمَاءٍ كَالْـمُهْلِ يَشْوِيْ الْوُجُوْهَ، بِئْسَ الشَّرَابُ، وَسَاءَتْ مُرْتَفَقًا»
‘‘আমি যালিমদের জন্য জাহান্নাম প্রস্ত্তত রেখেছি। যার বেষ্টনী তাদেরকে পরিবেষ্টন করে থাকবে। তারা পানি চাইলে তাদেরকে দেয়া হবে গলিত ধাতুর ন্যায় পানি। যা তাদের মুখমণ্ডল পুড়িয়ে দিবে। এটা কতই না নিকৃষ্ট পানীয় এবং সে জাহান্নাম কতই না নিকৃষ্ট আশ্রয়’’। (কাহ্ফ : ২৯) 

মুল্লা আলী কারী রাহ লিখেন,
وَأَجْمَعَ الْعُلَمَاءُ عَلَى أَنَّ مَنْ خَافَ مِنْ مُكَالَمَةِ أَحَدٍ وَصِلَتِهِ مَا يُفْسِدُ عَلَيْهِ دِينَهُ أَوْ يُدْخِلَ مَضَرَّةً فِي دُنْيَاهُ يَجُوزُ لَهُ مُجَانَبَتُهُ وَبُعْدُهُ، وَرَبَّ صَرْمٍ جَمِيلٍ خَيْرٌ مِنْ مُخَالَطَةٍ تُؤْذِيهِ.
উলামাগণ একমত যে, কারো সাথে কথা বললে বা মিলিত হলে যদি তার দ্বীন নষ্ট হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা বা তার দুনিয়া তার জন্য কষ্টকর হবে বলে ধারণা হয়, তাহলে এমন মানুষ থেকে দূরে থাকার জায়েয রয়েছে।অনেক সম্পর্ক বর্জন বা দূরত্ব এমন রয়েছে যা মিলিত হওয়ার চেয়ে অনেক উত্তম।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/61503

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
প্রশ্নের বিবরনমতে যেহেতু শাশুড়ি নির্যাতন করে থাকে, তাই তার থেকে দূরত্বে থাকার রুখসত থাকবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...