আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
58 views
in সাওম (Fasting) by (13 points)
১) গত রমযানে এক-দুইদিন এমন হয়েছে যে, সাহরির একদম শেষ সময়ে খাওয়া শেষ হয়েছে। যেমন, সাহরির শেষ সময় ৪:৪৫। খাওয়া শেষ হওয়ার পর দেখি ৪:৪৫ বাজে। এমতাবস্থায় কি সেই রোযা হয়েছে? যদি না হয়ে থাকে, তাহলে‌ এরকম একদিনের জন্য কি কাযা হিসেবে একটাই রোযা রাখতে হবে নাকি প্রতিটার জন্য ষাট (৬০) টা রোযা রাখতে হবে?

২)‌ ইশার নামাযের‌ পর পর প্রথম রাতেই সুন্নত ও বিতিরের মাঝে তাহাজ্জুদের নিয়তে কি দুই-চার রাকাত নামায পড়া যায়?

৩) একজনের ওপর কুরবানি ওয়াজিব। কিন্তু সে কুরবানি দেয়ার জন্য নিজে সম্পূর্ণ টাকা না দিয়ে কিছু টাকা‌ অন্যের কাছ থেকে নেয়। যেমন, কুরবানির জন্য বিশ হাজার টাকা লাগবে। সে পনের হাজার নিজে দিল‌ আর পাঁচ হাজার অন্য একজনের কাছ থেকে নিল। এই টাকাটা সে ধার হিসেবে না, বরং সাহাজ্য হিসেবে নিয়েছে। এইভাবে কি কুরবানি আদায় হবে?

1 Answer

0 votes
by (807,270 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
আল্লাহ তা'আলা বলেন,
وَكُلُواْ وَاشْرَبُواْ حَتَّى يَتَبَيَّنَ لَكُمُ الْخَيْطُ الأَبْيَضُ مِنَ الْخَيْطِ الأَسْوَدِ مِنَ الْفَجْرِ ثُمَّ أَتِمُّواْ الصِّيَامَ إِلَى الَّليْلِ
আর পানাহার কর যতক্ষণ না কাল রেখা থেকে ভোরের শুভ্র রেখা পরিষ্কার দেখা যায়। অতঃপর রোযা পূর্ণ কর রাত পর্যন্ত।(সূরা বাকারা-১৮৭)

আল্লাহ তা'আলা আরো বলেন,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَطِيعُوا اللَّهَ وَأَطِيعُوا الرَّسُولَ وَلَا تُبْطِلُوا أَعْمَالَكُمْ
হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর, রসূলের (সাঃ) আনুগত্য কর এবং নিজেদের কর্ম বিনষ্ট করো না।(সূরা মুহাম্মাদ-৩৩) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1959


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) যেহেতু সাহরির শেষ সময় ৪:৪৫। এবং খাওয়া শেষ হওয়ার পরও দেখা যায় যে, ৪:৪৫ বাজে। তাই রোযা হয়ে গেছে। এমতাবস্থায় কাযা কাফফারা কিছুই করতে হবে না।

(২) ইশার নামাযের পর পর প্রথম রাতেই সুন্নত ও বিতিরের মাঝে তাহাজ্জুদের নিয়তে দুই-চার রাকাত নামায পড়া যাবে। হ্যা, সর্বোত্তম হল, রাতের শেষাংশে তাহাজ্জুদ পড়া অতঃপর সুন্নত পড়া।

(৩) একজনের ওপর কুরবানি ওয়াজিব। কিন্তু সে কুরবানি দেয়ার জন্য নিজে সম্পূর্ণ টাকা না দিয়ে কিছু টাকা অন্যের কাছ থেকে নেয়। যেমন, কুরবানির জন্য বিশ হাজার টাকা লাগবে। সে পনের হাজার নিজে দিল, আর পাঁচ হাজার অন্য একজনের কাছ থেকে নিল। এই টাকাটা সে ধার হিসেবে না, বরং সাহায্য হিসেবে নিয়েছে। এইভাবে কুরবানি আদায় হবে যদি ঐ ব্যক্তি সন্তুষ্টচিত্তে এই সাহায্য করে থাকে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 194 views
0 votes
1 answer 257 views
...