বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
আল্লাহ তা'আলা বলেন,
وَكُلُواْ وَاشْرَبُواْ حَتَّى يَتَبَيَّنَ لَكُمُ الْخَيْطُ الأَبْيَضُ مِنَ الْخَيْطِ الأَسْوَدِ مِنَ الْفَجْرِ ثُمَّ أَتِمُّواْ الصِّيَامَ إِلَى الَّليْلِ
আর পানাহার কর যতক্ষণ না কাল রেখা থেকে ভোরের শুভ্র রেখা পরিষ্কার দেখা যায়। অতঃপর রোযা পূর্ণ কর রাত পর্যন্ত।(সূরা বাকারা-১৮৭)
আল্লাহ তা'আলা আরো বলেন,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَطِيعُوا اللَّهَ وَأَطِيعُوا الرَّسُولَ وَلَا تُبْطِلُوا أَعْمَالَكُمْ
হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর, রসূলের (সাঃ) আনুগত্য কর এবং নিজেদের কর্ম বিনষ্ট করো না।(সূরা মুহাম্মাদ-৩৩) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/1959
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) যেহেতু সাহরির শেষ সময় ৪:৪৫। এবং খাওয়া শেষ হওয়ার পরও দেখা যায় যে, ৪:৪৫ বাজে। তাই রোযা হয়ে গেছে। এমতাবস্থায় কাযা কাফফারা কিছুই করতে হবে না।
(২) ইশার নামাযের পর পর প্রথম রাতেই সুন্নত ও বিতিরের মাঝে তাহাজ্জুদের নিয়তে দুই-চার রাকাত নামায পড়া যাবে। হ্যা, সর্বোত্তম হল, রাতের শেষাংশে তাহাজ্জুদ পড়া অতঃপর সুন্নত পড়া।
(৩) একজনের ওপর কুরবানি ওয়াজিব। কিন্তু সে কুরবানি দেয়ার জন্য নিজে সম্পূর্ণ টাকা না দিয়ে কিছু টাকা অন্যের কাছ থেকে নেয়। যেমন, কুরবানির জন্য বিশ হাজার টাকা লাগবে। সে পনের হাজার নিজে দিল, আর পাঁচ হাজার অন্য একজনের কাছ থেকে নিল। এই টাকাটা সে ধার হিসেবে না, বরং সাহায্য হিসেবে নিয়েছে। এইভাবে কুরবানি আদায় হবে যদি ঐ ব্যক্তি সন্তুষ্টচিত্তে এই সাহায্য করে থাকে।