আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
62 views
in হালাল ও হারাম (Halal & Haram) by (9 points)
মেডিকেল স্টুডেন্ট এর ক্ষেত্রে শুধু লিখিত পরীক্ষা দিয়ে মূল্যায়ন করা হয় না।সাথে ospe,viva,clinical case,অনেক গুলো ধাপ পার করে মেধার মূল্যায়ন হয়। এগুলো তে নিজের যোগ্যতায় দিতে হয় একা একা।তো লিখিত পরীক্ষায় এমন অনেক সময় হয় প্রশ্ন এর উত্তর আমার জানা কিন্তু অল্প হিন্টস এর জন্য আমি মনে করতে পারছি না।অথবা ওই ক্লু পেলে আমি পুরো প্রশ্নের উত্তর নিজেই লিখতে পারব।এমন না উত্তর গুলো আমার অজানা। মেডিকেল স্টুডেন্ট সবাই ভালো মতো পড়েই এক্সাম হল এ যায়।এ অবস্থায় ছোট খাটো hints বা clue কারো থেকে নেওয়া যাবে নাকি?

2.অনেক সময় আছে স্যার ম্যাডাম এমসিকিউ বা কিছু উত্তর বলে দেন , সেগুলো সব স্টুডেন্ট এর জন্য উন্মুক্ত। এ অবস্থায় আমি না শুনলে আমার চেয়ে কম যোগ্যতা থাকলেও তারা আমার আগে চলে যাবে। তখন কি স্যার ম্যাডাম এর hints শোনা ঠিক হবে?

1 Answer

0 votes
by (805,290 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
মানুষ পরীক্ষায় নকল করে সাধারণত নিজ পরিবারবর্গ বা বন্ধুবান্ধবকে খুশী করার জন্য। নিজের ব্যক্তিত্বকে সমাজে প্রতিষ্টিত করার জন্য।অথচ হাদীসে বর্ণিত রয়েছে, হযরত আয়েশা রাযি থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন,
ﻋﻦ ﻋﺎﺋﺸﺔ ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻬﺎ ﻗﺎﻟﺖ : ﻗﺎﻝ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ : ( ﻣﻦ ﺍﻟﺘﻤﺲ ﺭﺿﺎ ﺍﻟﻨﺎﺱ ﺑﺴﺨﻂ ﺍﻟﻠﻪ ﺳﺨﻂ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺃﺳﺨﻂ ﻋﻠﻴﻪ ﺍﻟﻨﺎﺱ )
যে ব্যক্তি মানুষের সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে আল্লাহর অসুন্তুষ্টিকে অগ্রাধিকার দেয়,আল্লাহ তার উপর অসন্তুষ্ট হবেন,এবং মানুষদেরকেও তার উপর অসন্তুষ্ট করে দেবেন।(সহীহ ইবনে হিব্বান-২৭৬) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/539

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) পরীক্ষায় নকল করা বা নকল করতে কাউকে সাহায্য করা সবই হারাম। মেডিকেল পরীক্ষায় উত্তর জানা থাকা সত্বেও কারো কাছ থেকে কোনো প্রকার ইশারা ইঙ্গিত গ্রহণ করা, হিন্টস জেনে নেওয়া কোনোটাই জায়েয হবে না। 

(২) সকল ছাত্রদের উদ্দেশ্যে কোনো শিক্ষক পরীক্ষা হলে কিছু বলে দিলে, যদি সেটা উক্ত শিক্ষা কেন্দ্রের অন্তর্গত পরীক্ষা হয়, তাহলে সেই হিন্টস গ্রহণ করা নাজায়েয হবে না। তবে যদি সেটা অন্তর্গত পরীক্ষা না হয়, বরং বোর্ড কর্তৃক সারা দেশ ব্যাপী কেন্দ্রীয় পরীক্ষা হয়, তাহলে গ্রহণ করা যাবে না। কেননা তখন এটা সম্মিলিত নকল হিসেবে ধরে নেওয়া হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...