আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
141 views
in সালাত(Prayer) by (22 points)
১)আমার এক আত্মীয় বয়স্ক।৮০+বয়স। আইসিইউ তে ছিলেন। ২দিন তেমন হুশ ছিলেন না। এরপর হুশ আসছে। কিন্তু কন্ডিশন এত খারাপ যে নামাজ পড়ার মত অবস্থা নাই। এখন উনার নামাজের কাফফারা কিরকম হবে?.

২)কসর নামাজের বিধান কি? শুধু ২রাকাত ফরজ পড়লে হবে? নাকি সুন্নাত আর নফলও আদায় করতে হবে?

1 Answer

0 votes
by (765,300 points)
জবাবঃ-
بسم الله الرحمن الرحيم 

(০১)
হাদীস শরীফে এসেছেঃ  
হযরত ইবনে রাযি থেকে বর্ণিত রয়েছে,

 ﻋﻦ ﺍﺑﻦ ﻋﺒﺎﺱ ، ﻋﻦ ﺍﻟﻨﺒﻲ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻗﺎﻝ : " ﻳﺼﻠﻲ ﺍﻟﻤﺮﻳﺾ ﻗﺎﺋﻤﺎ ، ﻓﺈﻥ ﻧﺎﻟﺘﻪ ﻣﺸﻘﺔ ﺻﻠﻰ ﺟﺎﻟﺴﺎ ، ﻓﺈﻥ ﻧﺎﻟﺘﻪ ﻣﺸﻘﺔ ﺻﻠﻰ ﻧﺎﺋﻤﺎ ﻳﻮﻣﺊ ﺑﺮﺃﺳﻪ ، ﻓﺈﻥ ﻧﺎﻟﺘﻪ ﻣﺸﻘﺔ ﺳﺒﺢ "

অসুস্থ ব্যক্তি দাড়িয়ে দাড়িয়ে নামাজ পড়বে।যদি দাড়াতে কষ্ট হয়,তাহলে বসে বসে নামায পড়বে।যদি বসে বসে নামায পড়তে কষ্ট হয়,তাহলে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে তার মাথা দ্বারা ইশারা করে সে নামায আদায় করবে।যদি তারপরও তার কোনো প্রকার কষ্ট হয়,তাহলে সে যিকির করবে।(এ'লাউস-সুনান-৭/১৭৪)

যে ব্যক্তি বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার কারণে সর্বশেষ ইশারার মাধ্যমেও নামায আদায় করতে অক্ষম।এবং সুস্থতার আশা প্রায় গৌণ।এমন ব্যক্তি শরীয়তের বিধি-বিধানের মুকাল্লাফ নয়।অর্থাৎ ঐ ব্যক্তির যিম্মা থেকে নামায-কে ক্ষমা করে দেয়া হয়েছে। (ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়্যাহ-৭/৫৪৫,কিতাবুল ফাতাওয়া-৩/৪০৮)

যদি বেহুশ অবস্থায় কারো পাঁচ ওয়াক্ত নামায বা তার চেয়ে বেশী নামায কা'যা হয়ে যায়,তাহলে উনি আর শরীয়তের মুকাল্লাফ থাকবেন না। তবে যদি পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের পূর্বেই হুশ চলে আসে,তাহলে উনি শরীয়তের মুকাল্লাফ থাকবেন। যথাসম্ভব নামায আদায়ের চেষ্টা করবেন,নতুবা কাফফারা আদায়ের অসিয়ত করে যাবেন।নিজ জীবদ্দশায় নামাযের কাফ্ফারা আদায় করা সমুচিত নয়।(কিতাবুন-নাওয়াযিল-৫/৫১১)(ফাতাওয়ায়ে দারুল উলূম দেওবন্দ-৪/২৫৪)অক্ষম ব্যক্তির নামায সম্পর্কে জানতে ভিজিট করুন- https://www.ifatwa.info/1411

বিস্তারিত জানুনঃ- https://ifatwa.info/8484/

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন,

প্রশ্নে উল্লেখিত ব্যক্তি যদি পাঁচ ওয়াক্তের বেশি বেহুশ হিসেবে থাকে, তাহলে বেহুঁশ থাকা অবস্থার নামাজগুলির কাজা আদায় করতে হবে না।

অন্যান্য নামাজগুলি তাকে অবশ্যই আদায় করতে হবে।

আসুস্থতার দরুন কোনক্রমে নামাজ আদায় করতে না পারলে সেক্ষেত্রে সে নামাজগুলির ফিদইয়াহ আদায় করতে হবে।

(০২)
এক্ষেত্রে চার রাকাত বিশিষ্ট ফরজ নামাজ গুলি দুই রাকাত আদায় করতে হবে।

সুন্নত নামাজ এর কোন বাধ্যবাধকতা নেই, তবে ওলামায়ে কেরামগণ বলেন, সময় সুযোগ পেলে সুন্নত নামাজ আদায় করে নেওয়া উত্তম।

নফল আদায় করতে হবেনা।

বিস্তারিত জানুনঃ- 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by
নামাজের ফিদইয়া কিভাবে দিতে হবে? প্রতি ওয়াক্ত নামাজের জন্য কতটুকু ফিদয়া দিতে হবে?
 উনি মারা গেলে তবেই দিতে হবে? নাকি জীবিত অবস্থায় দেয়া যাবে? 
by (765,300 points)
প্রতি নামাজের ফিদইয়া হল একটি সদকায়ে ফিতর সমপরিমাণ টাকা দেয়া।

তিনি মারা গেলে তবেই দিতে হবে।  জীবিত অবস্থায় দেয়া যাবেনা।

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 315 views
0 votes
1 answer 603 views
0 votes
1 answer 64 views
...