আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,
ইস্তিগফার এর মাধ্যমে অনেক নেকি অর্জন ও দোয়া কবুল এর অব্যর্থ হাতিয়ার হিসেবে একটি লিখা পেলাম, যেইটা নিচে দিচ্ছি।
এইটা সঠিক কি না, জানাবেন প্লিজ। আর কিভাবে, কি তরতীবে আমল করতে হবে ও দোয়া করতে হবে, সেইটাও জানাবেন প্লিজ।
লেখাটি হলো:
=========
দোয়া
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ وَلِلْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ وَالْمُسْلِمِينَ وَالْمُسْلِمَاتِ الْأَحْيَاءِ مِنْهُمْ وَالْأَمْوَاتِ
১. কোটি কোটি সওয়াব অর্জনের সুযোগ
রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, "যে ব্যক্তি মুমিন নর-নারীর জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবে, আল্লাহ তাআলা তাকে প্রত্যেক মুমিন পুরুষ ও মহিলার বিনিময়ে একটি করে নেকি দান করবেন"।
বর্তমানে পৃথিবীতে এবং অতীতে যত কোটি মুমিন গত হয়েছেন, এই দোয়াটি পড়লে আপনি তাদের প্রত্যেকের সংখ্যার সমান সওয়াব পাবেন ।
২. দোয়া কবুল হওয়ার মাধ্যম
হাদিসে বর্ণিত আছে, যে ব্যক্তি প্রতিদিন ২৭ বার মুমিন নর-নারীর জন্য ইস্তিগফার করবে (এই দোয়াটি পড়বে), সে ওইসব ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত হবে যাদের দোয়া আল্লাহ কবুল করেন এবং যাদের উসিলায় জমিনবাসী রিজিক ও বৃষ্টি লাভ করে
৩. দুশ্চিন্তা ও বিপদ থেকে মুক্তি
যেকোনো ইস্তিগফার বা ক্ষমা প্রার্থনার একটি বড় গুণ হলো এটি মানুষের দুশ্চিন্তা দূর করে, বিপদ থেকে বের হওয়ার পথ করে দেয় এবং অকল্পনীয় উৎস থেকে রিজিকের ব্যবস্থা করে দেয় ।
৪. পিতা-মাতার জন্য সর্বোত্তম উপহার
এই দোয়ায় নিজের পাশাপাশি পিতা-মাতার জন্য ক্ষমা চাওয়া হয়েছে । ইসলামে পিতা-মাতার মৃত্যুর পরও তাদের আমলনামায় সওয়াব পৌঁছানোর অন্যতম মাধ্যম হলো সন্তানের করা দোয়া
দোয়া:
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِلْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ
হাদিসের বর্ণনা:
হজরত আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন— "যে ব্যক্তি প্রতিদিন ২৭ বার (অন্য বর্ণনায় ২৫ বার) মুমিন নর-নারীর জন্য ইস্তিগফার করবে, সে ওইসব ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত হবে যাদের দোয়া কবুল করা হয় এবং যাদের অছিলায় পৃথিবীবাসীকে রিজিক ও বৃষ্টি প্রদান করা হয়।" (আল-মুজামুল কাবীর, তাবারানি: হাদিস ৬১১; মাজমাউজ জাওয়ায়েদ: হাদিস ১০/২১০)
আমলের সওয়াব:
অন্য একটি হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, যে ব্যক্তি সব মুমিন নর-নারীর জন্য এই দোয়াটি পড়বে, সে যতজন মুমিনের জন্য দোয়া করেছে প্রত্যেকের বিনিময়ে একটি করে নেকি লাভ করবে। (তাবারানি)
ওয়াস্সালামু-আলাইকুম।