আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
47 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (30 points)
" তোমাকে তালাক দিলাম " এই কথাটা স্ত্রীকে বললে তালাক হয়ে যায় সেটা আমরা জানি। তাই সেই কথাটা বললে কেমন লাগতো এত ভয়ংকর কথা কিভাবে বলে সেটা বুঝার জন্য বাথরুমে গিয়ে এটা বলি *খুব সতর্কভাবে *আয়নার  সামনে দাড়িয়ে মনে মনে * ঠোট নড়ে * জিহবা নড়ে এক ফোটা গলার বা ঠোটেও আওয়াজ ও শুনি না* পরে নিজেই বলি হবে না কারন আলেম রাই বলছে মনে মনে হয় না। হঠাৎ সেই কথা মনে পড়তে আবার আয়নার সামনে একবারে কাছে গিয়ে বলি ( আওয়াজ টেস্ট করতেছি, ওই টাইপ, যেমন : ফালাক সুরা পড়লাম)  বলতে গিয়ে দেখি ( জিহবায় বাড়ি খাইলে তালুর সাথে হালকা যেই শব্দ হয় সেটা হইছেছে। এখন আগের  তালাকের কথায় তো তখন হয়তো আয়নার একেবারে সামনে গেলে হইতে পারতো। এখানে তালাক জাতীয় শব্দের আওয়াজ স্পষ্ট শুনি নাই। তবে সামনে গেলে আরো জিহবা বাড়ি খাওয়ার আওয়াজ হইতেও পারতো যেটা স্পষ্ট শব্দের না বা সা....  করলে হাওয়া সহ শব্দ না।
১ তালাকে হালকা আওয়াজ কানে আসার ক্ষেত্রে এ আই একবার এক কথা কয়, এখন যদি গলার আওয়াজ বা জিহবার শব্দের আওয়াজ না এসে শুধু ঢোক গিললে / ভাত খাইতে গেলে / বা ঠোটের লালা সরালে যে শব্দ আসে তা আসলে তালাল হবে?
২৷ উপরের পরিস্থিতি তে তো আরো সামনে গেলে শব্দ ( ১ নং এর মতো) শোনা যেতেও পারতো  তালাক হবে কিনা
## ঘটনা দুই। আমি মাঝে মাঝে কি করতাম সামনে একটা লোক আছে কল্পনা করে ওরে বুঝাইতাম মনে মনে এভাবে সরীহ শব্দ বললে তালাক হবে না ওরে বলার সময় হাল্কা আওয়াজ শুনছি কিনা মনে নাই কয়ভার বলছি তাও মনে নাই৷ ৩। এক্ষেতে হবে নাকি?
৪৷ বউ এর সামনেও মনে মনে বলছি। তবে শুধু ভাবছি একবার ঠোট লাড়ার সময় আওয়াজ আসে কিনা মনে নাই এটা কি আন্দাজে ধরবো?  প্রবল ধারনা মনে মনেই বলছি ১ নং এর আওয়াজ শিউর না। নীরব পরিবেশ ছিলো

1 Answer

0 votes
by (805,980 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
চার মাযহাব সম্পর্কিত সর্ববৃহৎ ফাতাওয়া গ্রন্থ,আল-মাওসু'আতুল ফেকহিয়্যায় বর্ণিত রয়েছে,
وَلَوْ حَدَّثَ نَفْسَهُ أَنَّهُ يُطَلِّقُ زَوْجَتَهُ، أَوْ يُنْذِرُ لِلَّهِ تَعَالَى شَيْئًا، وَلَمْ يَنْطِقْ بِذَلِكَ، لَمْ يَقَعْ طَلاَقُهُ، وَلَمْ يَصِحَّ نَذْرُهُ  لِقَوْل النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِنَّ اللَّهَ تَجَاوَزَ لأُِمَّتِي عَمَّا وَسْوَسَتْ - أَوْ حَدَّثَتْ - بِهِ أَنْفُسَهَا مَا لَمْ تَعْمَل بِهِ أَوْ تَكَلَّمْ. وَقَال قَتَادَةُ بَعْدَ أَنْ رَوَى الْحَدِيثَ: إِذَا طَلَّقَ فِي نَفْسِهِ فَلَيْسَ بِشَيْءٍ. وَقَال عُقْبَةُ بْنُ عَامِرٍ: لاَ يَجُوزُ طَلاَقُ الْمُوَسْوَسِ. وَعَلَّقَ ابْنُ حَجَرٍ عَلَى هَذَا الْقَوْل شَارِحًا لَهُ: أَيْ لاَ يَقَعُ طَلاَقُهُ؛ لأَِنَّ الْوَسْوَسَةَ حَدِيثُ النَّفْسِ، وَلاَ مُؤَاخَذَةَ بِمَا يَقَعُ فِي النَّفْسِ
যদি কেউ মনে মনে তার স্ত্রীকে তালাক দেয়, বা মনে মনে কোনো নযর করে,এবং এ নিয়ে কোনো কথা মুখ দ্বারা উচ্ছারণ না করে,তাহলে তালাক সাব্যস্ত হবে না।তার নযরও বিশুদ্ধ হবে না।যেমন রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন,নিশ্চয় আল্লাহ তা'আলা আমার উম্মতের ওয়াসওয়াসাকে ক্ষমা করে দেবেন,এবং মনের কথাকেও ক্ষমা করে দেবেন,যতক্ষণ না আমলে পরিণত করছে বা মুখ দ্বারা উচ্ছারণ করে বলছে।কাতাদাহ রাহ উক্ত হাদীসকে বর্ণনার পর বলেন,মনে মনে তালাক দিলে কোনো তালাকই পতিত হবে না।উকবাহ ইবনে আমির রাহ মনে করেন,ওয়াসওয়াসাগ্রস্ত লোকের তালাক পতিত হবে না।ইবনে হাজর রাহ উক্ত কথার ব্যখ্যা করে আরেকটু বাড়িয়ে বলেন,তালাক পতিত হবে না।কেননা ওয়াসওয়াসা হল,মনের কথা।আর মনের কথা দ্বারা তালাক পতিত হয় না।(আল-মাওসু'আতুল ফেকহিয়্যাহ-৪৩/১৪৮)

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
প্রশ্নের বিবরণমতে কোনো সমস্যা হবে না। তালাক হবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by
সমস্যা টা তো হইলো এমনে যখন টেস্ট করার সময় আওয়াজ না আসলেও টপ / তাপ হালকা সেটা পাইছি। কিন্তু আগের টায়  তো এখন কার মতো এই  জিহিবার বাড়ির আওয়াজ  আসতেও পারে শিউর তো না৷ 

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...