আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
67 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (2 points)
edited by
একজনের হয়ে প্রশ্নটি করছি
আসসালামু আলাইকুম
মেসেজে আমি আমার স্বামীকে ঝগড়ার সময় বলেছি আমি তোমার সাথে থাকব না। তোমার সাথে সম্পর্ক রাখতে চাইনা আমাকে তালাকের অধিকার দাও। আমার স্বামীও তখন বলেছে তুমি কি সত্যি অধিকার চাও?? আমি বলেছি হ্যাঁ চাই। তখন সে বলে আমি তোমাকে তোমার নিজের উপর তালাক নেওয়ার অধিকার দিলাম কিন্তু তোমাকে তালাক দিলাম না।  আবার বলেছে কাবিননামার ১৮ নাম্বার অনুচ্ছেদে আমি অধিকার দিয়েছিলাম না সেটাও এখন দিলাম শুধু তুমি চাওয়ার জন্য। কাজী একা একা এখানে লিখে দিয়েছিলেন স্বামী দীর্ঘদিন না থাকলে আর ভরণপোষণ না দিলে তালাকের অধিকার পাবে মেয়ে। এক্ষেত্রে আমার স্বামী আজকে বলেছে তোমাকে এ বিষয়ে স্বাধীনতা দিলাম সিদ্ধান্ত নেওয়ার। আরও বলেছে  তোমার বাবা মায়ের ও ছাড়ানোর  অধিকার থাকলো  যদি তারা চায়।  পরবর্তীতে আমি মনে মনে বলেছি অধিকার চাইনা আমি৷ আর তাকে বলেছি তুমি অধিকার দিলে কেনো? আমি নিজের উপর তালাক নেইনি। সে জিজ্ঞেস করলেও বলেছি না তালাক নেইনি।  এরপর আরো কথাবার্তায় আমার স্বামী বলেছে তোমার সাথে থাকবোনা হয়তো। হয়তো তালাক দিবো তোমাকে৷ ছেড়ে দিবো তোমাকে।
এখন আমার প্রশ্ন আমাদের কি এসব কথা দ্বারা তালাক পতিত হয়েছে কিনা? আর আমি তালাকের অধিকার তাকে পরে ফিরিয়ে দিয়েছি এটা বলে, তোমাকে আমার তালাক নেওয়ার অধিকার ফিরিয়ে দিলাম। সেও বলেছে আমি ফিরিয়ে নিলাম। এখন প্রশ্ন এই অধিকার ফিরিয়ে নেওয়া কি সঠিক হয়েছে কিনা?আর তার বলা তোমার বাবা মা চাইলেও ছাড়িয়ে নিতে পারে  বিষয়ে প্রশ্ন এই অধিকার ফিরিয়ে নেওয়ার উপায় কি?। আমার বাবা মা  আমাদের বিয়ের বিষয় কিছু জানেনা। আমরা কাজি অফিসে  এবং মসজিদে ৮ জন সাক্ষীসহ বিয়ে করেছি ।  তাই তালাকের অধিকার দেওয়া বিষয়ে আমার বাবা মা জানেন না। পরবর্তীতে আমার স্বামী বলেছে তাদের দেওয়া অধিকার ও ফিরিয়ে নিলাম এক্ষেত্রে তাদের থেকে অধিকার ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে কিনা? তাদের এসব বিষয়ে জানানোর পরিস্থিতি ও নেই যে তাদের  জানিয়ে অধিকার ফিরিয়ে নিবে।সেক্ষেত্রে অধিকার ফিরিয়ে নেওয়ার উপায় কি?
by (2 points)
এ সমস্ত কথা আমাদের মেসেজে হয়েছে। 

1 Answer

0 votes
by (805,290 points)

ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
তাফবীযে তালাক তথা স্ত্রীকে তালাকের অধিকার দেওয়ার পর আর ফিরিয়ে নেওয়া যাবে না। তথা স্বামী আর ফিরিয়ে নিতে পারবে না। তবে কাউকে তালাকের উকিল বানানো হলে তাকে সেই দায়িত্ব থেকে বরখাস্ত করা যাবে।

الدر المختار شرح تنوير الأبصار  (3 / 332):
"(ولايملك ) الزوج (الرجوع عنه) أي عن التفويض بأنواعه الثلاثة لما فيه من معنى التعليق". فقط واللہ اعلم

وف البحر الرائق
(قوله: ولا يملك الرجوع) أي ولا يملك الزوج  الرجوع عن التفويض سواء كان لفظ التخيير أو بالأمر باليد أو طلقي نفسك لما قدمنا أنه يتم بالملك وحده من غير توقف على قبول وأنه تمليك فيه معنى التعليق فباعتبار التمليك تقييد بالمجلس باعتبار التعليق لم يصح الرجوع عنه ولا عزلها ولا نهيها، وفي جامع الفصولين، والخانية لو صرح بوكالتها فقال: وكلتك في طلاقك كان تمليكا كقوله طلقي نفسك اهـ.
بناء على أن الوكيل من يعمل لغيره وهذه عاملة لنفسها حتى لو فوض إليها طلاق ضرتها أو فوض أجنبي لها طلاق زوجته كان توكيلا فملك الرجوع منه لكونها عاملة لغيرها ولا يقتصر على المجلس، (البحرالرائق ٣/٣٥٣)

এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/7229

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
প্রশ্নের বিবরণমতে ঐ স্ত্রী তালাক গ্রহণের অধিকার তো পাবে, তবে সেই অধিকার আর ফিরিয়ে নেয়া যাবে না। এবং ফিরিয়ে দেওয়াও যাবে না। হ্যা, স্ত্রীর তালাক গ্রহণ না করার সুযোগ অবশ্যই থাকবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by (2 points)
যাদের উকিল বানানো হয়েছিল তারা সে বিষয়ে অবগত না হওয়ায় শুধু মৌখিকভাবে তাদের থেকে অধিকার বাতিল করলাম বললেই  অধিকার বাতিল হয়ে যাবি নাকি তাদের জানানো লাগবে?
by (805,290 points)
অধিকার পাওয়া হলে সেটাকে গ্রহণ করার বা না করার এখতিয়ার স্ত্রীর থাকে। তবে অধিকার বাতিল করা যাবে না। 

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...