আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
36 views
in হালাল ও হারাম (Halal & Haram) by (11 points)
১।আসসালামু আলাইকুম  IOM এ যে নতুন সার্ভিস চালু করা হয়েছে এখানে কিভাবে প্রশ্ন লিখার সাথে সাথে উত্তর আসতাছে চ্যাটজিপিটির মত এটা ক্লিয়ার করবেন।কিভাবে বুজব যে সঠিক উত্তরি আসতাছে কারন চ্যাটজিপিটি ত অনেক ভুল উত্তর থাকে

২।আল্লাহর গুনবাচক নাম আছে যেগুলার মাজে কিছু নাম আল্লাহর ব্যতিত কাউকে ডাকলে শিরক হয়।যেমন: খলিক্ব,কুদ্দুস,রহমান, আহাদ আরও কিছু নাম আছে এইগুলার যে অর্থ আছে সেই অর্থ গুলা বা এই নামের গুনাবলি গুলা যদি আল্লাহর সমান মনে না  বা বিশ্বাস না করে কেউ সেচ্ছায় আব্দুল ব্যবহার ব্যতিত ডাকে তবে কি ঈমান চলে যাবে বা শিরক হবে?

৩।সিজদায় চোখ খোলা রাখব না বন্ধ রাখব?

1 Answer

0 votes
by (764,700 points)
জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم

(০১)
এ সংক্রান্ত জানতে IOM এর হটলাইনে ফোন দিতে পারেন।

তালাকের প্রশ্নের জন্য আপনার জেলার নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিভাগে যোগাযোগ করার পরামর্শ থাকবে। 

ওয়াসওয়াসা জনিত প্রশ্ন না হলে,এবং বিশেষ প্রয়োজনীয় প্রশ্ন হলে সেক্ষেত্রে নিম্নোক্ত লিংকে গিয়ে প্রশ্ন করতে পারেনঃ-

(০২)
উক্ত প্রশ্নের জবাব জানুনঃ-

(০৩)
রাসুলুল্লাহ সাঃ নামাজে দৃষ্টি সিজদার স্থানে রাখতেন। 

আয়েশা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,

إنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه و سلم كانَ إِذَا صَلَّى، طَأْطَأَ رَأْسَهُ وَرَمَى بِبَصَرِهِ نَحْوَ الأَرْضِ

“রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সালাতে দাঁড়াতেন, তখন মাথাটা নিচু করে ঝুঁকিয়ে রাখতেন এবং দৃষ্টি নিক্ষেপ করতেন জমিনের দিকে”।
[মুসতাদরাক হাকেম, হাদিস নং ১/৪৭৯। ]

অপর এক হাদিসে বর্ণিত,

دَخَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْكَعْبَةَ مَا خَلَفَ بَصَرُهُ مَوْضِعَ سُجُودِهِ حَتَّى خَرَجَ مِنْهَا

“রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কা‘বা ঘরে প্রবেশ করেন, বের না হওয়া পর্যন্ত তার দৃষ্টি সেজদার স্থান হতে অন্য দিকে ফেরান নি”।
[এ ইমাম হাকেম মুস্তাদরাকে বর্ণনা করেন]

★শরীয়তের বিধান মতে চোখ বন্ধ করে নামায পড়া মাকরূহে তানজিহী। তবে যদি চোখ বন্ধ করলে বেশি খুশুখুজু আসে, তাহলে মাকরূহ হবে না।
তবে সর্বক্ষেত্রেই চোখ খুলা রেখে সেজদার স্থানের দিকে তাকিয়ে নামায পড়া সুন্নত। আর চোখ বন্ধ রাখলে এ সুন্নত তরক হয়ে যায়। তাই চোখ খুলা রাখাই উত্তম। বাকি নামাযের খুশুখুজু নষ্ট হলে জায়েজ আছে। কোন সমস্যা নেই।

وفى الدر المختار- (وَتَغْمِيضُ عَيْنَيْهِ) لِلنَّهْيِ إلَّا لِكَمَالِ الْخُشُوعِ

ثُمَّ الظَّاهِرُ أَنَّ الْكَرَاهَةَ تَنْزِيهِيَّةٌ، كَذَا فِي الْحِلْيَةِ وَالْبَحْرِ، وَكَأَنَّهُ لِأَنَّ عِلَّةَ النَّهْيِ مَا مَرَّ عَنْ الْبَدَائِعِ، وَهِيَ الصَّارِفُ لَهُ عَنْ التَّحْرِيمِ (قَوْلُهُ إلَّا لِكَمَالِ الْخُشُوعِ) بِأَنْ خَافَ فَوْتَ الْخُشُوعِ بِسَبَبِ رُؤْيَةِ مَا يُفَرِّقُ الْخَاطِرَ فَلَا يُكْرَهُ، بَلْ قَالَ بَعْضُ الْعُلَمَاءِ إنَّهُ الْأَوْلَى، وَلَيْسَ بِبَعِيدٍ حِلْيَةٌ وَبَحْرٌ (رد المحتار، كتاب الصلاة، مكروهات الصلاة-1/645)
সারমর্মঃ
চোক বন্ধ রাখা মাকরুহে তানযিহি।
কিন্তু খুশু খুজুর পূর্ণতার জন্য চোখ বন্ধ রাখলে মাকরুহ হবেনা।

বাদায়ে’গ্রন্থে এসেছে,

وَيُكْرهُ أَنْ يُغْمِضَ عَيْنَيْهِ فِي الصَّلَاةِ؛ لِمَا رُوِيَ عَنْ النَّبِيِّ – صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ – أَنَّهُ نَهَى عَنْ تَغْمِيضِ الْعَيْنِ فِي الصَّلَاةِ؛ وَلِأَنَّ السُّنَّةَ أَنْ يَرْمِيَ بِبَصَرِهِ إلَى مَوْضِعِ سُجُودِهِ وَفِي التَّغْمِيضِ تَرْكُ هَذِهِ السُّنَّةِ؛

চোখ বন্ধ করে নামায পড়া মাকরূহ। কেননা রাসূল ﷺ চোখ বন্ধ করে নামাজ পড়া থেকে নিষেধ করেছেন। আর সুন্নাত হল, সেজদার স্থানের দিকে তাকিয়ে নামায পড়া। চোখ বন্ধ রাখলে এই সুন্নাত তরক হয়ে যায়। (বাদায়ে’ ১/২১৬)

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,
সিজদায় চোখ খোলা রাখা সুন্নাত। সুতরাং চোখ বন্ধ রাখবেননা।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...