বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
দ্বিতীয় প্রকার তথা 'অস্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ' শরীয়ত সম্মত প্রয়োজন ব্যতীত মাকরুহে তানযিহি।তবে শরীয়ত সম্মত নিম্নোক্ত প্রয়োজনে বৈধ রয়েছে।
(ক)মহিলা এত দুর্বল যে, গর্ভধারণের বর্তমানে যোগ্যতা নেই।
(খ)মহিলা নিজ বাসস্থান থেকে এত দূর সফরে যেখানে স্থায়ীভাবে বসবাসের আপতত কোনো মনোবাসনা নেই।আবার নিজ বাসস্থানে আসতেও কয়েক মাস লেগে যাবে বা কয়েক মাসের প্রয়োজন।
(গ)স্বামী-স্ত্রীর পারস্পারিক সম্পর্ক চূড়ান্ত নিম্ন পর্যায়ের,এমনকি উভয়ের অন্তরে বিচ্ছেদের চিন্তাভাবনা চলছে।
(ঘ)পূর্বের বাচ্চার সু-সাস্থ্যর ক্ষতির আশঙ্কা থাকলে।
(ঙ)স্থান-কালের ফাসাদ অর্থাৎ দ্বীনী পরিবেশের চূড়ান্ত পর্যায়ের অবনতির ধরুন বাচ্চা বদ-আখলাক বা অসচ্চরিত্র এবং মাতাপিতার বে-ইজ্জতির কারণ হবে বলে আশঙ্কা করলে।
বিঃদ্রঃ
সম্পদ কমে যাবে বা বেশী সন্তান নিলে সমাজে লজ্জিত হতে হবে মনেকরে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ কখনো বৈধ হবে না। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/446
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
বিশেষ জরুরতে অস্থায়ীভাবে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণের রুখসত রয়েছে। তবে স্থায়ীভাবে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণের সুযোগ শরীয়তে নাই। হ্যা, যদি দু'জন মুসলিম ডাক্তার সন্তান নেয়া কারো জীবনের জন্য হুমকি বলে পরামর্শ প্রদাণ করে, এবং ভবিষ্যতে সুস্থ হওয়ার কোনো সম্ভাবনা না থাকে, তাহলে তখন স্থায়ীভাবে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ করার সুযোগ থাকবে।
প্রশ্নের বিবরণমতে বিষয়টা তত জটিল মনে হচ্ছে না, তাই আপনার বোনের জন্য স্থায়ীভাবে জন্মনিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করা জায়েয হবে না। ৩/৪ বছরের জন্যও জায়েয হবে না। হ্যা, সাময়িক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন।