ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
আল্লাহ তা'আলা বলেন,
إِنَّ الصَّلاَةَ كَانَتْ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ كِتَابًا مَّوْقُوتًا
নিশ্চয় নামায মুসলমানদের উপর ফরয নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে।(সূরা নিসা-১০৩)
পুরুষ-মহিলার সবার উপরই নির্দিষ্ট সময়ে নামায পড়া ফরয।সুতরাং সফরকালীন সময়ে পরিপূর্ণ পর্দা থাকা অবস্থায় মহিলারা যেকোনো জায়গায় নামায পড়তে পারবে।তবে প্রথমে মহিলাদের জন্য নির্মিত মসজিদ বা নামাযের স্থান কিংবা ফিৎনামুক্ত নির্জন জায়গা খুজতে হবে।যদি না পাওয়া যায়,তাহলে ফ্রি মিক্সিং পরিবেশ নয় এমন কোথাও নামায পড়তে হবে।যদি সেরকম কোনো জায়গাও খুজে না পাওয়া যায়,তাহলে পুরুষরা মসজিদ থেকে বের হওয়ার পর পুরুষদের মসজিদে গিয়ে নামায পড়া যাবে।যদি পুরুষদের বাহির হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা সম্ভব না হয়, তাহলে পুরুষদের সাথে পুরুষদের কাতারের পরবর্তী কাতারে শরীক হওয়া যাবে।
যদি সেরকমও কোনো জায়গা খুজে না পাওয়া যায়,তাহলে পূর্ণ পর্দার সাথে রেলস্টেশন, বাসস্টেশন, যাত্রীচাউনি ইত্যাদিতেও নামায পড়তে হবে।নামাযের কোনো মাফ নেই।এ ব্যাপারে শীতিলতাকে শরীয়ত কখনো বরদাশত করবে না।(কিতাবুন-নাওয়াযিল-৫/৫২৯)এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/1728
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আপনার আম্মুকে অবশ্যই নামায পড়তে হবে। প্রয়োজনে রোগীর সাথে দুইজন থাকতে হবে। অজু করা সম্ভব না হলে তায়াম্মুম করে নামায পড়তে হবে। সাথে করে জায়নামায নিতে হবে।