ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাযি-থেকে বর্ণিত তিনি বলেন-
ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﻋَﻤْﺮٍﻭ ﺭَﺿِﻲَ اﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻨْﻬُﻤَﺎ ﻗَﺎﻝَ: ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ - ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ -( «ﻛَﺘَﺐَ اﻟﻠَّﻪُ ﻣَﻘَﺎﺩِﻳﺮَ اﻟْﺨَﻼَﺋِﻖِ ﻗَﺒْﻞَ ﺃَﻥْ ﻳَﺨْﻠُﻖَ اﻟﺴَّﻤَﺎﻭَاﺕِ ﻭَاﻷَْﺭْﺽَ ﺑِﺨَﻤْﺴِﻴﻦَ ﺃَﻟْﻒَ ﺳَﻨَﺔٍ)ﺭَﻭَاﻩُ ﻣُﺴْﻠِﻢٌ.
আল্লাহ তা‘আলা প্রত্যেক মানুষের তাক্বদীর লিপিবদ্ধ করেছেন আসমান-যমীন সৃষ্টির ৫০ হাজার বছর পূর্বে এবং তিনি যার ভাগ্যে যা লিপিবদ্ধ করেছেন তাই ঘটবে।(ছহীহ মুসলিম, মিশকাত হাদীস নং/৭৯)।
সু-প্রিয় পাঠকবর্গ ও প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
জন্ম মৃত্যুর মত বিয়ে শাদী ইত্যাদি সবকিছুই নির্ধারিত রয়েছে।তাকদীরে লিপিবদ্ধ রয়েছে।তাকদীরে যার সাথে বিয়ের কথা লিখিত রয়েছে,তার সাথেই বিয়ে হবে।হ্যা তাকদীরে যা লিখা রয়েছে,তা দু'আর মাধ্যমে পরিবর্তনও হয়ে যেতে পারে।শত চেষ্টা করলেও কাউকে বিয়ে করা যাবে না, যদি না তাকদীরে লিখা থাকে বা আল্লাহর হুকুম হয়।তাকদীর আল্লাহ লিখে রেখেছেন।এবং পরবর্তীতে আল্লাহ তাকদীরকে পরিবর্তনও করে দিতে পারেন।
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আল্লাহর হুকুম ব্যতিত কোনো কিছুই হয় না।সুতরাং কারো বিবাহকে আটকানো যাবে না। হ্যা আল্লাহর হুকুম থাকলে দেড়িতে হয়তো বিয়ে হবে। তবে কারো বিয়ে আটকিবে না।কোনো মানুষ বা জ্বীন কারো বিয়েকে আটকাতে পারবে না। তাই বিয়ে বন্ধের তাবিজ ব্যবহার না করাই উচিৎ। হ্যা, কারো আকিদা বিশ্বাস ঠিক থাকলে,এবং কুরআন সুন্নাহ দ্বারা চিকিৎসা হলে, তখন তাবিজ ব্যবহারের রুখসত থাকবে বা কোনো তদবিরের রুখসত থাকবে।
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
বিয়ে বন্ধ আছে। এমনটা নিশ্চিত কোনো বিষয় নয়। তাছাড়া বিয়ে বন্ধ করার কারো কোনো শক্তি নেই। তাকদীরে যা লিখিত আছে সেটাই হবে। আল্লাহর কাছে সাহায্য চান। তাহাজ্জুদ নামায পড়ে আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করুন।