আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
51 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (28 points)
edited by
আসসালামু আলাইকুম,

আমাকে সাহায্য করুন প্লিজ


ঘটনা ১ঃ

জানুয়ারি মাসে প্রচন্ড ঝগড়া হয় আমার স্বামীর সাথে তখন সে মুখে শুধু তালাক বলে। পরে সে বলে ভুল হয়ে গেছে বলে মাফ চায় এবং আমি তালাক তুলে নিলাম বলে।

নোটঃ উনি বিদেশে থাকেন।
ঘটনা ২ঃ

গত ৩ তারিখে আমাদের মধ্যে আবার ঝগড়া হয় তখন এক পর্যায় নেটওয়ার্ক জনিত সমস্যার জন্য আমি কিছু কথা শুনতে পাইনি, আমার মনে আশংকা হয় সে এই সময় তালাক উচ্চারণ করেছে কিনা। আমি আমার স্বামীকে জিজ্ঞাসা করলাম তুমি কি এবার কিছু উচ্চারণ করেছো? সে বল্লো অবশ্যই করেছি। আমি বল্লাম আমি কিছু শুনি নাই। সে বল্লো ৩য় টা এখনই বলে দিবো নাকি পরের মাসে বলবো? আমি বললাম এখন আমাদের সম্পর্কটা ধারালো ছুরির উপরে আছে। এই ছুরির উপর হাটা মানে নিজেকে রক্তাক্ত করে মেরে ফেলা। কারন এক বছরে তুমি রাগ সামলাতে না পেরে ২ বার উচ্চারণ করেছো। আমি সম্পর্কে থাকবো না। একমাস পর আমি কল করলে ৩য় টা বলে দিয়ো। এরপর আমি আমার স্বামীকে সকল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে ব্লক করে দেই। পরক্ষনেই সে আল্লাহর কসম কেটে বলে আমি তালাকের উদ্দেশ্যে কিচ্ছু উচ্চারণ করি নি। শুধুমাত্র তোমাকে ভয় দেখানোর জন্য এবং আমার প্রতি তোমার ধারণা এবং রিয়েকশন দেখার জন্য মিথ্যা বলেছি যে আমি উচ্চারণ করেছি, কিন্তু আমার মনে এমন কিচ্ছু ছিলো না আর আমি ঐই রকম কোন কথা উচ্চারণ ও করিনি । এরপর আমি আমার স্বামীর সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেই। সে অনেক কল দেয় আমি সাড়া দেই নি। ৩ দিন পরে সে ম্যাসেজ দিয়ে বলে "আল্লাহ হাফেজ, আর ২ তারিখে কল দিতে হবে না।"এই ম্যাসেজ টা দেয়ার উদ্দেশ্য ছিলো আমি যেন নিজ থেকে যোগাযোগ করি সেই জন্য, তালাকের উদ্দেশ্যে বা তালাক উচ্চারণ করেছেন এমন উদ্দেশ্য ছিলো না।


আমার প্রশ্ন হলো আমার উপর কয় তালাক পতিত হয়েছে?

1 Answer

0 votes
by (805,980 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
ইয়াকিন বিশ্বাস ব্যতিত কোনো হুকুম প্রমাণিত হয়না। যেমন ইতিপূর্বে একটি মূলনীতি আমরা উল্লেখ করেছি যে, আল্লামা ইবনে নুজাইম রাহ,লিখেন,
اﻟْﻘَﺎﻋِﺪَﺓُ اﻟﺜَّﺎﻟِﺜَﺔُ: اﻟْﻴَﻘِﻴﻦُ ﻻَ ﻳَﺰُﻭﻝُ ﺑِﺎﻟﺸَّﻚِّ - ﻭَﺩَﻟِﻴﻠُﻬَﺎ ﻣَﺎ ﺭَﻭَاﻩُ ﻣُﺴْﻠِﻢٌ ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﺭَﺿِﻲَ اﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻨْﻪُ ﻣَﺮْﻓُﻮﻋًﺎ {ﺇﺫَا ﻭَﺟَﺪَ ﺃَﺣَﺪُﻛُﻢْ ﻓِﻲ ﺑَﻄْﻨِﻪِ ﺷَﻴْﺌًﺎ ﻓَﺄَﺷْﻜَﻞَ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﺃَﺧَﺮَﺝَ ﻣِﻨْﻪُ ﺷَﻲْءٌ ﺃَﻡْ ﻻَ ﻓَﻼَ ﻳَﺨْﺮُﺟَﻦَّ ﻣِﻦْ اﻟْﻤَﺴْﺠِﺪِ ﺣَﺘَّﻰ ﻳَﺴْﻤَﻊَ ﺻَﻮْﺗًﺎ، ﺃَﻭْ ﻳَﺠِﺪَ ﺭِﻳﺤًﺎ} 
ভাবার্থঃ তৃতীয় উসূল,ঈয়াক্বিন(দৃঢ় বিশ্বাস)সন্দের দ্বারা খতম হয় না। [তথা কারো কোনো বিষয় সম্পর্কে দৃঢ় বিশ্বাস থাকলে, সে বিষয় সম্পর্কে বিপরিত কোনো সন্দেহের উদ্রেক হলে পূর্ব বিশ্বাসের কোনো ক্ষতি হবে না।অর্থাৎ নতুন করে জন্ম নেয়া সন্দেহ অগ্রহণযোগ্য ]
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/293

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
প্রশ্নের বিবরণমতে আপনাদের ২ তালাক পতিত হয়েছে। এখন আপনারা সংসার চালিয়ে যেতে পারবেন। কোনো সমস্যা হবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...