আসসালামুয়ালাইকুম।
কয়েকটি বিষয়ে আমার প্রশ্ন ছিল যেগুলোর উত্তর জানা একটু জরুরী।
১। সাধারণত বলা হয়ে থাকে পাত্রী এর জ্ঞান, ইমান-আমল, দ্বীনদারিতা বেশি হলে কুফু মিলে না এটা কি সত্য?
২। কিন্তু কোনো ছেলে বা পুরুষ যদি আল্লাহ এর কাছে অধিক দ্বীনদার, আমলে অধিক আগ্রহী এবং উতসাহপ্রদানকারী, অধিক তাকওয়া যুক্ত কাওকে পাওয়ার জন্য দুয়া করে সেটা কি অনুচিত হবে? এক্ষেত্রে কি বৈবাহিক জীবনে অনেক সমস্যা হয়? যদি নিজের এবং নিজের প্রজন্মের দ্বীনদারিতার কথা বিবেচনা করে এমনটা করতে চায় কেও সমস্যা হবে কি?
৩। আমরা জানি যে আল্লাহ এর দরবারে চোখের পানি এর মর্যাদা অনেক বেশি; কিন্তু অনেক সময় পার্থিব কোনো কারণে চোখে পানি আসে; ব্যর্থতা থেকে, আনুসাংগিক চাপ থেকে, মানসিক অবসাদ থেকে ইত্যাদি কারণে। এমন সময় গুলোতে বা দুয়া এর সময় এমন কারণে যদি পানি আসে এবং আল্লাহ এর কাছে সাহায্য, ক্ষমা, বা কোনো পরকাল বা দুনিয়া বিষয়ক কিছু প্রার্থনা করা হয়, তাহলে কি সেই চোখের পানি এর আলাদা কোনো গুরুত্ব থাকবে?
৪। সাধারণত কখন ইস্তেখারা করা উচিত? সব বিষয়ে কি ইস্তেখারা করা যেতে পারে? এবং এর জবাব কি সবসময় পাওয়া যায় নাকি একটানা করতে হয়?
৫। আমার কোনো এক আত্মীয় ইসলামী ব্যাংক এ চাকরী করে। আমি তার ক্রয়কৃত খাবার গ্রহণ করে ফেলি মাঝেমাঝে খুবি অপারগ হয়ে কেননা সে বেশ কাছের আত্মীয়। আমার কি এক্ষেত্রে দুয়া এবং ইবাদত কবুল বন্ধ হয়ে যাবে?
৬। যদি এমনটা হয়ে যায় এবং এর পরিণতি এরকম হয় তবে এটা থেকে মুক্তি লাভ এর উপায় কি?
৭। যদি দীর্ঘদিন থেকে উপার্জনের জন্য দুয়া করে থাকি কিন্তু তাও কোনো ফলাফল না আসে সেক্ষেত্রে কি এরকম ধারণা করতে হবে যে আমার সময় আসে নি, কিংবা আমি প্রস্তুত না বা যোগ্য নই, আমার চেষ্টা করা হচ্ছে না কিংবা আল্লাহ হয়ত আমার দুয়া কোনো কারণে কবুল করছেন না?
৮। অন্যান্য দুয়া এর ক্ষেত্রেও কি একি ধারণা রাখতে হবে?
যাযাকাল্লাহ ;