আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
12 views
ago in পবিত্রতা (Purity) by (4 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ, উস্তায।
আমাদের বাসার সামনের রাস্তায় ড্রেন বড় করার কাজ চলতেসে। এজন্য বাসার সামনে ও পাশে বেশ বড় বড় গর্ত করা হয়েছে। আর আমরা আমাদের বাসায় ব্যবহারের জন্য সরকারি সাপ্লাই এর লাইনের পানি ইউস করি। গতকাল বিকাল থেকে বাথরুমের ট্যাপের পানি থেকে কিছুটা দুর্গন্ধ পাচ্ছি। দুর্গন্ধ টা অনেকটা ড্রেনের পানির মতো। তাই এবিষয়ে খোজ নেয়ার পর আশঙ্কা করতেসি যে ড্রেনের কাজ করার সময় লোকেরা সম্ভবত আমাদের বাসার পানির লাইনের পাইপে কোনো লিকেজ করে ফেলেছে, যার জন্য ড্রেনের পানি আমাদের পাইপে প্রবেশ করেছে। এটা শুধু ধারণা করা হচ্ছে, ১০০% নিশ্চিত হতে কিছুটা টাইম লাগবে। পানি সম্পূর্ণ পরিষ্কার ই আছে, কিন্তু পানিতে বেশ দুর্গন্ধ।
এমতাবস্থায়, বাসায় তো আমাদের এই পানিই ব্যবহার করতে হচ্ছে। উক্ত পানি কি অপবিত্র হিসেবে গণ্য হবে যদি তাতে কিছুটা ড্রেনের পানি মিশে গিয়ে থাকে? এই সমস্যার সমাধান করতে যদি বিলম্ব হয়, তাহলে আমাদের করণীয় কি? আমাদের নিয়মিত পানির প্রয়োজন মেটানোর বিকল্প কোনো ব্যবস্থাও নেই। এই পানি ব্যবহার করে যে যে নামাজ পড়েছি সেগুলা কি আদায় হয়েছে?

1 Answer

0 votes
ago by (765,510 points)
জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم 

আল্লাহ তায়ালা বলেছেন

وثيابك فطهر

কাপড় পবিত্র রাখো,,,
(সুরা আল মুদ্দাচ্ছির ০৪)

https://www.ifatwa.info/2677 নং ফাতাওয়ায় বর্ণনা করা হয়েছে যে,

ইবনে আবেদীন শামী রাহ লিখেন,

(قوله: وطين شارع)طين الشوارع عفو وإن ملأ الثوب للضرورة ولو مختلطا بالعذرات وتجوز الصلاة معه.................أقول: والعفو مقيد بما إذا لم يظهر فيه أثر النجاسة كما نقله في الفتح عن التجنيس

প্রয়োজনের ধরুণ রাস্তার মাঠি ক্ষমাযোগ্য। যদিও কাপড় মাঠি দ্বারা লেপ্টে যাউক না কেন এবং যদিও সেই মাঠি নাজাসত দ্বারা মিশ্রিত হউক না কেন।এদ্ধারা নামায বিশুদ্ধ হবে।তবে যদি  নাজাসতের চিন্থ দৃশ্যমান থাকে,(এক দিরহামের বেশী হলে)তাহলে নামায বিশুদ্ধ হবে না।(রদ্দুল মুহতার-১/৪২৪) 

শরীয়তের বিধান মতে সাধারণ অবস্থায় রাস্তার কাদা পাক। তা কাপড়ে লাগলে কাপড় নাপাক হবে না। তবে যদি কাদায় নাপাকি দেখা যায় কিংবা নাপাকির গন্ধ অথবা রং প্রকাশ পায় তবে তা নাপাক। এটি কাপড়ে লাগলে ঐ জায়গা ধুয়ে নিতে হবে। 

আলআশবাহ ওয়ান নাযাইর ১/১৯৯; ফাতাওয়া বাযযাযিয়া ৪/২৩; ফাতহুল কাদীর ১/১৮৬; আততাজনীস ১/২৫৯।

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই,
প্রশ্নে উল্লেখিত পানিতে নাপাকির চিহ্ন বা গন্ধ পেলে সেই পানিকে নাপাক হিসেবে ধরবেন। অন্যথায় সেই পানি পাক হিসেবে ধরবেন।

এমতাবস্থায় সেই পানিতে নাপাকির চিহ্ন বা গন্ধ না পাওয়া গেলে সেই পানি ব্যবহার করে যে যে নামাজ পড়েছেন,সেগুলো আদায় হয়েছে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...