আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

+1 vote
6 views
ago in পবিত্রতা (Purity) by (5 points)
edited ago by
হুজুর আমার বয়স বেশি না। আমার ইদানীং অনেক বেশি শুচিবায়ু হচ্ছে। আমার শুধু ফরয গোসলে এই শুচিবায়ু টা হচ্ছে। এখন আমি কিভাবে ফরয গোসল করি পুরো নিয়ম টা ব্যাখ্যা করে বলছি দয়া করে পুরো টা পড়ে উত্তর দিয়েন-

আমি ১ বার প্রস্রাব করি আগে,তারপর ব্রাশ ও করি আবার মেসওয়াক ও করি কারন মনে হয় দাতের ফাকে খাবার লেগে থাকে।তারপর বাথরুম এর টেপ, বালতি, মগ ধুই কারন মনে হয় গোসলের আগে সব পাক করি। তারপর বাথরুম এর বাহিরে দাঁড়িয়ে বাথরুমে প্রবেশের দোয়া পড়ি, তারপর নিয়ত করি-আমি পবিত্রতা অর্জনের জন্য গোসল করার নিয়ত করলাম।পরে বিসমিল্লাহ বলে বাথরুমে ঢুকি,হাতে সাবান নিয়ে দলে ধুই, তারপর হাত অজুর মত তিন বার ধুই।তারপর আগে ২ পাশের উরু ৪-৭ বার পানি দিয়ে ধুই।কারন মনে হয় ৩ বার একটু পানি দিলে তো পাক হবে না।তারপর লজ্জাস্থান,অন্ডকোষ, মলদ্বার ধুই।তারপর বালতি তে পানি নিয়ে বাথরুমে পানি ঢালি কারন নাপাকি ট ফ্লোরে লেগেছে।তারপর সাবান দিয়ে  হাত ডলে ধুই ২ বার কারন হাতে  নাপাকি লাগে।ওযু করি তারপর। তারপর মাথায় তিনবার পানি দেই, প্রত্যেকবার চুলে আঙুল দ্বারা খিলাল করি। তারপর ডানে তিন বার পানি, বামে তিন বার পানি দেই, এখানেও প্রত্যেকবার শরীর ডোলে ধুই কিন্তু শুধু উপরের অঙ্গগুলোতে হাত বুলিয়ে দেই নিচের অঙ্গগুলোতে আর হাত দেই না । তারপর শাওয়ার ছেড়ে মাথা,  পিঠ,হাত, বগল, কান নাভি তে পানি দেই। তবে এই সময় কান, নাভি তে এতো ভালো করে পানি দেই না।পরে শরীরের উপরের অংশে সাবান দিয়ে ডলি। তারপর উপরের অংশ আবার ভালো করে ধুই পানি দিয়ে। এ সময় কান ও নাভিতে  ভালো করে পানি দিই আবার। তারপর লজ্জাস্থানে(লিঙ্গ ও মলদ্বার ও এর আশেপাশে)  সাবান দিয়ে অনেক পানি অনেকবার পানি দিয়ে ধুই,কয়েক বালতি পানি লাগে এই কাজেই, মনে হয় অন্ডকোষ ভিজে নি কারন অনেক ভাজ পিরে যায় অন্ডকোষ এ।তারপর উরু,  তে  সাবান দিয়ে দিই। এরপর টেপ ছেরে পা টা তে হাত না লাগিয়ে পানি দেই টেপের কাছে নিয়ে ধরে টেপ ছেরে রাখি কারন নাপাক ধোয়ার সময় নাপাকি তো গড়িয়ে পরেছিল,পরে পায়ে সাবান দেই।পরে আবার পুরো শরীর শাওয়ার ছেড়ে ধুই ।পরে বালতির পর বালতির পানি লাগে উরু, উরুর পিছনের জায়গা ধুতে কারন মনে হয় লম ভিজেনি।পরে পা ধুই।পায়ের লোম ও বেশি তাই পানি দিলেও মনে হয় ভিজে নাই তাই কয়েক বালতি পানি লাগে।পা আর উরু ধুইতে অনেক বালতী পানি দেই। পরে  বের হওয়ার আগে কয়েকবার কুলি করি,নাকে পানি দেই, কানে পানি দেই,নাভিতে পানি দেই, চোখের ভ্রুতে পানি দেই পরে শরীরে কয়েক মগ পানি দেই পরে ৩ বার, কারোন এত সময় লাগে যে দেহ প্রায় শুকিয়ে যায়।পরে অজুর মত পা ধুই নিচের যায়গাটা।পরে আমি ৩ বার পায়ে শেষ বার পানি দিয়ে বের হই।আমার এই গোসল করতেই ১ ঘন্টা লাগে বা এর ও বেশি লাগে কি কি করবো এখন এখানে কি কি ওয়াসওয়াসা রয়েছে। কি কি আমাকে ছাড়তে হবে। আমার উপরের কাহিনীটি পড়ে বলুন কি কি ছাড়তে হবে। আমার অবস্থা অনুসারে আমাকে ফরজ গোসল করার নিয়ম টি বলুন হাদিস থেকে রেফারেন্স লাগবে না। শুধু আমার দেওয়া অবস্থা অনুসারে নিয়মটি বলুন আমার ভাষায়। আপনারা যেভাবে করেন সেভাবেই শুধু বলেন আমার অবস্থা অনুসারে।আমাকে বলুন আমার এই পদ্ধতিতে কি কি ছআরতে হবে কি কি অকারনে করি আর আমার অবস্থা অনুসারে নিয়ম কি
হুজুর প্লিজ আমি বাচতে চাই, কান্না করি এখন এসবের জন্য

আমার রুকাইয়া করার কোনো অবস্থা এখন নেই এমন সময় নাই কেওকে বলতেও পারি না প্লিয বলেন।

Please log in or register to answer this question.

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...