আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
73 views
in যাকাত ও সদকাহ (Zakat and Charity) by (6 points)
এক বিবাহিত মেয়ের যাকাতের পরিমাণ স্বর্ণ নেই (৬ ভরির মতো আছে)। তবে মাঝে মাঝে তার হাতে  কিছু অতিরিক্ত টাকা আসে। টাকাগুলো আসলেই তিনি একটি মাটির ব্যাংকে টাকাগুলো ফেলেন (হজ্জ্ব অথবা অন্য উদ্দেশ্যে)। তাই তার জমানো টাকার পরিমাণ তিনি জানেন না এবং বড় অংকের টাকা (হজ্জ্বে যেমন প্রয়োজন) না জমানো পর্যন্ত তিনি ব্যাংকে ভেঙে টাকা বের করতে চাচ্ছেন না, কারণ খরচ হয়ে যাবে বের করলেই। এগুলো ছাড়া তার কোনো অতিরিক্ত টাকা নেই।


বছরের নভেম্বর মাসের ১৫ তারিখ যাকাত হিসেবের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে টাকার পরিমাণ না জানায় যাকাত আসবে কি না এবং যাকাত আসলে কিভাবে তা নির্ধারণ হবে?

1 Answer

0 votes
by (814,710 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
সোনা, রূপা,টাকা,এবং ব্যবসায়িক মালে যাকাত আসে, যদি তা নেসাব পরিমাণ হয়।
স্বর্ণের নেসাবঃ৭.৫ ভড়ি।
রূপার নেসাবঃ৫২.৫ ভড়ি।
এখানে একটি বিষয় লক্ষণীয় যে, কারো কাছে শুধুমাত্র স্বর্ণ বা শুধুমাত্র রূপা থাকলে সেটার নেসাব পূর্ণ হলেই যাকাত আসবে, অন্যথায় যাকাত আসবে না। তবে হ্যাঁ, যদি কারো নিকট স্বর্ণ এবং রূপা অথবা টাকা এভাবে থাকে যে, কোনোটিরই নেসাব পূর্ণ হয়নি, তাহলে এক্ষেত্রে রূপার নেসাবকেই মানদন্ড ধরে নেয়া হবে। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/121

যাকাত ওয়াজিব হওয়ার জন্য শর্ত হল, নেসাব পরিমাণ মালের মালিক হওয়ার পর বৎসরের শুরু থেকে নিয়ে বৎসরের শেষ পর্যন্ত নেসাব পরিমাণ মালের মালিক থাকা। এবং বৎসরের মধ্যখানে উক্ত মাল সম্পূর্ণরূপে নিঃশেষ না হয়ে যাওয়া। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/70964

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
যেহেতু বছরের নভেম্বর মাসের ১৫ তারিখ যাকাত হিসেবের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তাই তাকে অবশ্যই সেইদিন টাকার পরিমাণ জানতে হবে। নেসাব পরিমাণ হলে যাকাত আসবে। নতুবা যাকাত আসবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...