আসসালামু আলাইকুম , আমি আমার এক বিপদগ্রস্থ বোনের হয়ে প্রশ্ন করছি।
"আমার এক বোন ২০বছর আগে বিবাহ করসিলো পরিবারের অনুমতি ছাড়া। তখন যে ব্যক্তিকে বিয়ে করেছিলো সে ই স্বাক্ষী ও কাজীর বেবস্থা করেছিল। বছর খানিকের পর ,পরবর্তীতে ৩মাস এর গর্ভকালীন সময় এ এই বিয়ে কে তার স্বামী অস্বীকার করে, বলে বিয়েটা ফেইক ,স্বাক্ষীদের যেহেতু চিনেনা তাই পেপার্স বা স্বাক্ষী কোনোটার ই হদিস আর পাওয়া যায়নি । যার প্রেক্ষিতে সে গর্ভপাত ঘটায় যেহেতু সে তার পরিবারকে বিয়ের বিষয়টা জানায়নি। এই পুরোটা সময় সে পড়াশোনার খাতিরে হোস্টেল এ ছিল বিধায় অভিভাবক কিছুই জানতোনা।
পরবর্তীতে ১০ বছর পূর্বে তার আবার পারিবারিক ভাবে অন্য ব্যক্তির সাথে বিয়ে হয় যা পরবর্তীতে বিভিন্ন জটিলতার কারণে ৫বছরের মধ্যে ডিভোর্স হয়ে যায়। বর্তমানে সে নিজেকে নিয়ে হতাশা গ্রস্থ। এই প্রেক্ষিতে সে জানতে পারে প্রথম বিয়েটা তার ফেইক ছিলোনা। যেহেতু ফেইক ছিলোনা তাহলে দ্বিতীয় বিয়ে টা অবৈধ। এই মুহূর্তে সে কোনো ধরণের বিয়ে বা ফ্যামিলি র সাথে জড়াতে চাচ্ছেনা। সে তওবা করে দিনের পথে ফিরতে চেষ্টা করছে। তার ভাষ্য মতে , প্রশ্ন হচ্ছে শরিয়া ভিত্তিতে যেহেতু প্রথম বিয়েটা ফেইক ছিলোনা এবং প্রথম পক্ষের স্বামী বর্তমানে তার ফ্যামিলি নিয়ে settled তাহলে তার কি ডিভোর্স নেয়া টা জরুরি , যদিও প্রথম পক্ষের স্বামী র সাথে যোগাযোগ পসিবল নয় ? কিভাবে কি করলে আল্লাহ র ক্ষমা পাওয়া যাবে? যেহেতু মনের অজান্তে ও knowledge এর স্বল্পতাআর বয়স কমের সিদ্ধান্তের কারণে দ্বিতীয় বিয়েটা জেনার পর্যায়ে হয়ে গেছে তাহলে শরিয়াহ ভিত্তিতে তার সমাধান কি হবে. কি করলে আল্লাহ তালার কাছে ক্ষমার যোগ্য হওয়া যাবে? পরবর্তীতে কি দিক নির্দেশনা তার জন্য প্রযোজ্য?"
আমার বোনের পক্ষ থেকে লিখলাম। তার হেদায়েত এর দোআ চেয়ে শেষ করছি। উত্তর পেলে তাকে জানিয়ে দিবো ইনশাআল্লাহ।