বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
«مَنْ أَحْدَثَ فِي أَمْرِنَا هَذَا مَا لَيْسَ فِيهِ فَهُوَ رَدٌّ»
যে দীনের মধ্যে নতুন কিছু তৈরী করবে যা তার অমর্ত্মভুক্ত নয়, তা প্রত্যাখ্যাত।[সহীহ বুখারী, হা/২৬৯৭ ও সহীহ মুসলিম, হা/১৭১৮, সুনানে আবূ দাউদ ৪৬০৬]
তিনি আরও বলেন,
«مَنْ عَمِلَ عَمَلًا لَيْسَ عَلَيْهِ أَمْرُنَا فَهُوَ رَدٌّ»
‘‘যে ব্যক্তি এমন কোন আমল করবে, যে বিষয়ে আমার অনুমোদন নেই, তা আমলকারীর উপর প্রত্যাখ্যাত হবে’’।[সহীহ মুসলিম, হা/১৭১৮] এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/2089
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১)
(ক) সে যেভাবে বলছে, যে কাজ করছে, এটাকে জরুরি মনে করা বিদআত হবে।
(খ)
মুল্লা আলী কারী রাহ লিখেন,
وَأَجْمَعَ الْعُلَمَاءُ عَلَى أَنَّ مَنْ خَافَ مِنْ مُكَالَمَةِ أَحَدٍ وَصِلَتِهِ مَا يُفْسِدُ عَلَيْهِ دِينَهُ أَوْ يُدْخِلَ مَضَرَّةً فِي دُنْيَاهُ يَجُوزُ لَهُ مُجَانَبَتُهُ وَبُعْدُهُ، وَرَبَّ صَرْمٍ جَمِيلٍ خَيْرٌ مِنْ مُخَالَطَةٍ تُؤْذِيهِ.
উলামাগণ একমত যে, কারো সাথে কথা বললে বা মিলিত হলে যদি তার দ্বীন নষ্ট হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা বা তার দুনিয়া তার জন্য কষ্টকর হবে বলে ধারণা হয়, তাহলে এমন মানুষ থেকে দূরে থাকার জায়েয রয়েছে।অনেক সম্পর্ক বর্জন বা দূরত্ব এমন রয়েছে যা মিলিত হওয়ার চেয়ে অনেক উত্তম।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/61503
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
সে সহ বিদআত পন্থিদের সাথে কথা না বললে বা তাদের সাথে না চললে কোনো গোনাহ হবে না।
(গ) প্রশ্নের বিবরণমতে সে আপনার নিকটাত্মীয়। তবে তার সাথে কথা না বললে আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন হবে না।
(২) কারও সাথে কথা না বলা বা আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা কবিরা গোনাহ। তবে সর্বক্ষেত্রে গোনাহ হিসেবে বিবেচিত হবে না।
(৩) যার সাথে ঝামেলা হইছে, সে যদি ভন্ড কবিরাজ কয়েকজনের টাকা মেরে দিয়ে থাকে, তাহলে তার ব্যাপারে পুলিশকে তথ্য দিলে কেনো গোনাহ হবে না।